
নরসিংদীতে অজ্ঞাতনামা হত্যা মামলার আসামি গ্রেফতার
আবুনাঈম রিপন : নরসিংদীর মনোহরদীতে ২১ইং জানুয়ারি,মঙ্গলবার সকাল ৮.৩০ মিনিটে মনোহরদী থানাধীন শুকুন্দি ইউনিয়নের চর নারান্দি সাকিনিয়া সম্মানীয়া ব্রিজের দক্ষিণ ডালে স্থানীয় কৃষকরা মাঠে কাজ করার সময় বস্তা বন্দী অবস্থায় সন্দেহজনক বস্তু দেখতে পেয়ে মনোহরদী থানা পুলিশকে অবগত করেন। মনোহরদী থানা পুলিশ পি বি আই পুলিশ নরসিংদীকে অবগত করিলে পি,বি, আই, পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে লাশের ফিঙ্গারপ্রিন্ট নিয়ে বস্তা বন্দী ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত করেন। উক্ত মৃত ব্যক্তির নাম শাহিন আলম ,(২৯) পিতা, মোঃ নজরুল,মাতা,রহিমা বেগম, সাং, ডনডনিয়া , ইউনিয়ন ঃ রুপসি, থানা ঃ ফুলপুর, জেলা, ময়মনসিংহ পরিচয় সনাক্ত করতে সক্ষম হন। জানা যায়, গত ২০/১/২৫ ইং সকাল ১০.৩০ টা হইতে ২১/১/২৫ ইং সকাল ৮.৩০,মধ্যবর্তী যেকোনো সময় উক্ত ব্যক্তিকে পরস্পর যোগসাজসে গলায় গামছা দিয়ে শ্বাসরোধ করিয়া হত্যা করে লাশ গুণ করার উদ্দেশ্যে বস্তাবন্দী অবস্থায় ঘটনাস্থলে ফেলে যায় । পরবর্তীতে অতিরিক্তি পুলিশ সুপার শিবপুর সার্কেল রায়হান সরকার এর নির্দেশ মোতাবেক মোবাইলের প্রযুক্তির মাধ্যমে উক্ত আসামীদ্বয়কে তাহাদের বসতবাড়ি হইতে আটক করিয়া জিজ্ঞাসা বাদে উক্ত হত্যা মামলার সাথে জড়িত থাকা আসামি লোমহর্ষক ঘটনার কথা স্বীকার করিলে মনোহরদী থানায় নূরুল আমিন (৩৫) পিতা ঃ মৃত নজরুল ইসলাম কে বাদী করে হত্যা ও লাশ গুম করার মামলা রুজু করেন। মামলার নং ১৪ তারিখ ২২/১/২৫ ইং ধারা, ৩০২/২০১/৩৪ দঃ বিঃ। রায়হান সরকার,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শিবপুর সার্কেল এর দিকনির্দেশনায় এবং সার্বিক সহযোগিতায়, মনোহরদী থানা অফিসার্স ইনচার্জ মোহাম্মদ আব্দুল জব্বার ,শিবপুর মডেল থানা ও মনোহরদী থানার চৌকোষ পুলিশ অফিসার নিয়ে একটি তদন্ত ও অভিযান টিম গঠন করিলে উক্ত পুলিশ কর্মকর্তা বৃন্দ আসামিদ্বয়কে তাহাদের বসতবাড়ি হইতে (১)শান্তা বেগম (৩৭) স্বামী সিদ্দিকুর রহমান পিতা-মৃত কাছম আলী, মাতা,জোসনা বেগম (২)মোহাম্মদ মোস্তফা (৩৮) প্রাইভেট কার ড্রাইভার , পিতা তাহের আলী, মাতা জোসনা বেগম, উভয় সাং পাঁচ কান্দি দক্ষিণপাড়া, থানা মনোহরদী কে আটক করিয়া জিজ্ঞাসা বাদে উক্ত মামলার সহিত জড়িত থাকা এবং ঘটনার কথা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রকাশ করিলে আসামির দেওয়া তথ্য মোতাবেক একটি এক্স কোরলা প্রাইভেট কার রেজিস্ট্রেশন নম্বর ঢাকা মেট্রো – (গ)৩৩-১২২২ , লাশ গুম করার জন্য ব্যবহৃত প্রাইভেট কার, একটি প্লাস্টিকের বস্তা ,একটি গামছা ,একটি মাস্ক , একটি মাথার টুপি ,একজোড়া স্যান্ডেল,জুতা এবং নগদ ৯০ টাকা জব্দ করতে সক্ষম হন।

