বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:৩৮ পূর্বাহ্ন
Headline
কুমিল্লার ১১ আসনের মধ্যে প্রথমবার সংসদে গেলেন ৬ জন এমপি” ময়মনসিংহ জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হলেন ভালুকা মডেল থানার ওসি মোঃ জাহিদুল ইসলাম বাগেরহাটে সংরক্ষিত নারী আসনে রেনজিনা আহমেদ প্রিয়াংকাকে মনোনয়নের দাবি তৃণমূলের ৫নং বরুমচড়া ইউনিয়নের অন্তর্গত ৭নং ওয়ার্ড অকদার বাড়ি ইয়াং সোসাইটি কর্তৃক আয়োজিত প্রথমবারের মতো মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬ইং এর উদ্বোধনী ও খেলায় অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত খেলায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সেনাপ্রধানের সাক্ষাৎ ৩০ আসনে কারচুপির অভিযোগ, পুনর্গণনাসহ আইনি পদক্ষেপে যাচ্ছে জামায়াত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০টি আসনে ভোট কারচুপির অভিযোগ তুলেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এসব আসনে ভোটের ফলাফল স্থগিত ও পুনর্গণনাসহ আইনি পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও মুখপাত্র এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এমনটা জানান তিনি। এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, দেশের মানুষ একটি সুষ্ঠু, সুন্দর নির্বাচন আশা করেছে। ইতোমধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। যদিও সেই নির্বাচনে অনেক ক্ষেত্রেই কারচুপি-জালিয়াতি হয়েছে এবং ভোট প্রদানের ক্ষেত্রে বাধা দেয়া হয়েছে। এজেন্টদের বের করে দেয়াসহ বিভিন্ন ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছে, যা আমরা আগেও বলেছি। জামায়াতের এই সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, এখন পর্যন্ত আমরা প্রায় ৩০টি আসনে এ ধরনের চরম অব্যবস্থাপনা দেখেছি। যেখানে ভোট জালিয়াতি হয়েছে, কারচুপি হয়েছে। যেসব কাগজ (রেজাল্ট শিট) দেয়া হয়েছে, সেখানে ওভাররাইটিং (কাটাকাটি) হয়েছে, ঘষামাজা হয়েছে। আমরা নির্বাচনের দিনও এসব বিষয়গুলো তাৎক্ষণিকভাবে রিটার্নিং অফিসারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানিয়েছিলাম। কিছু আসনে ফল দ্রুত দেয়া হলেও ইচ্ছে করেই কিছু আসনে ফলাফল দেয়া হয়নি। যেমন ঢাকার কয়েকটি আসনে আমরা ভোর ৫টায় গিয়ে নির্বাচনের রেজাল্ট পেয়েছি। তিনি বলেন, যেসব আসনগুলোয় আমরা এ ধরনের নির্বাচনি অব্যবস্থাপনা দেখেছি এবং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট যে আচরণবিধি সেটি মানা হয়নি, এসব আসনের বিষয়ে আমরা স্থানীয়ভাবে রিটার্নিং অফিসার অথবা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা যারা আছেন, তাদের জানিয়েছি। ভোট পুনর্গণনার জন্য সংশ্লিষ্টদের আমরা আহ্বান জানিয়েছি। এ বিষয়ে আমরা নির্বাচন কমিশনকেও জানাব এবং এই ব্যাপারে সম্ভাব্য সব ধরনের আইনি পদক্ষেপ নেয়ার সুযোগ আছে এবং আমরা সেসব পদক্ষেপ নেবো। নির্বাচন পরবর্তী সময়ে কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হিসেবে আমাদের ওপর, আমাদের সমর্থক, এজেন্ট এবং ক্ষেত্রবিশেষে মহিলাদের ওপর হামলা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে এমন শতাধিক ঘটনা ঘটেছে। আমরা সবগুলোর তথ্য নিয়মিত সংগ্রহ করছি। গণমাধ্যমেও এসব তথ্য উঠে আসছে। বিভিন্ন জায়গায় সহিংসতার ঘটনায় মৃত্যুবরণের ঘটনাও ঘটেছে। হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন, পরে মৃত্যুবরণ করেছেন এমনকিছু ঘটনাও ঘটেছে। এ সময় বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় মৃত্যু ও আহত হওয়ার তথ্য তুলে ধরে নতুন বাংলাদেশে সহিংসতামুক্ত বাংলাদেশের প্রত্যাশা করেন তিনি। উৎস: চ্যানেল24 ব্রাহ্মণপাড়ায় ব্রান্ডশপ লোটো ও লি কুপার আউটলেট শুভ উদ্বোধন ব্রাহ্মণপাড়ায় গভীর রাতে চান্দলায় গোয়ালঘরে আগুন, আড়াই লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি শত শত কোটি টাকার লুটপাট করে ‘সেফ এক্সিট’ নিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।  কুষ্টিয়ায় নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজাকে বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা
Headline
Wellcome to our website...
নির্বাচনী সভা; আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ।
/ ৫৭ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী, ২০২৬, ৫:৪১ অপরাহ্ন

 নির্বাচনী সভা; আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ।

পঞ্চগড জেলা প্রতিনিধি মো আরিফুল ইসলাম ইরান

আগামীকাল শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) পঞ্চগড়ে আসছেন জামাআতে ইসলামীয়ার আমীর ডাঃ শফিকুর রহমান। সফরকে কেন্দ্র করে জেলায় রাজনৈতিক উত্তাপ ও আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। দলীয় নেতাকর্মীরা তাঁর আগমনকে স্বাগত জানালেও চলমান নির্বাচনী পরিস্থিতি ও আইনগত বাধ্যবাধকতা নিয়ে প্রতিদ্বন্দী দলগুলোর অভিযোগ দলটি নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গ করে নির্বাচনী সভা উপলক্ষে তোরণ নির্মাণ করেছে যা নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধির সরাসরি লঙ্ঘন। নির্বাচন কমিশনের জারি করা আচরণবিধিতে স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে, নির্বাচনি প্রচারণার জন্য কোন গেইট বা তোরণ নির্মাণ করা যাবে না এছাড়াও জনসাধারণের চলাচলের রাস্তা বা স্থাপনায় প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হয় এ ধরনের স্থাপনা নির্মাণ করা যাবে না। এসব কার্যক্রম নির্বাচনী মাঠে অসম প্রতিযোগিতা সৃষ্টি করতে পারে বলেও নীতিমালায় উল্লেখ রয়েছে।
এ বিষয়ে সচেতন নাগরিক ও পর্যবেক্ষক মহলের দাবি, সফরকে ঘিরে কোনো পক্ষ যেন আইন লঙ্ঘনের সুযোগ না পায়। তারা মনে করছেন, নির্বাচনের সুষ্ঠুতা নিশ্চিত করতে রিটার্নিং অফিসার, জেলা প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যথাযথ নজরদারি জরুরি।
এদিকে প্রশাসন সূত্র জানায়, নির্বাচনী আচরণবিধি বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। মাঠ পর্যায়ে মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে এবং নিয়ম ভঙ্গের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতিও রয়েছে।
সচেতন মহল আশা করছে, রাজনৈতিক কর্মসূচি ও সফর নির্বিঘ্ন হলেও নির্বাচন যেন আইন ও আচরণবিধির সীমারেখা অক্ষুণ্ণ রেখেই পরিচালিত হয়

আগামীকাল শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) পঞ্চগড়ে আসছেন জামাআতে ইসলামীয়ার আমীর ডাঃ শফিকুর রহমান। সফরকে কেন্দ্র করে জেলায় রাজনৈতিক উত্তাপ ও আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। দলীয় নেতাকর্মীরা তাঁর আগমনকে স্বাগত জানালেও চলমান নির্বাচনী পরিস্থিতি ও আইনগত বাধ্যবাধকতা নিয়ে প্রতিদ্বন্দী দলগুলোর অভিযোগ দলটি নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গ করে নির্বাচনী সভা উপলক্ষে তোরণ নির্মাণ করেছে যা নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধির সরাসরি লঙ্ঘন। নির্বাচন কমিশনের জারি করা আচরণবিধিতে স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে, নির্বাচনি প্রচারণার জন্য কোন গেইট বা তোরণ নির্মাণ করা যাবে না এছাড়াও জনসাধারণের চলাচলের রাস্তা বা স্থাপনায় প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হয় এ ধরনের স্থাপনা নির্মাণ করা যাবে না। এসব কার্যক্রম নির্বাচনী মাঠে অসম প্রতিযোগিতা সৃষ্টি করতে পারে বলেও নীতিমালায় উল্লেখ রয়েছে।
এ বিষয়ে সচেতন নাগরিক ও পর্যবেক্ষক মহলের দাবি, সফরকে ঘিরে কোনো পক্ষ যেন আইন লঙ্ঘনের সুযোগ না পায়। তারা মনে করছেন, নির্বাচনের সুষ্ঠুতা নিশ্চিত করতে রিটার্নিং অফিসার, জেলা প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যথাযথ নজরদারি জরুরি।
এদিকে প্রশাসন সূত্র জানায়, নির্বাচনী আচরণবিধি বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। মাঠ পর্যায়ে মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে এবং নিয়ম ভঙ্গের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতিও রয়েছে।
সচেতন মহল আশা করছে, রাজনৈতিক কর্মসূচি ও সফর নির্বিঘ্ন হলেও নির্বাচন যেন আইন ও আচরণবিধির সীমারেখা অক্ষুণ্ণ রেখেই পরিচাল

আগামীকাল শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) পঞ্চগড়ে আসছেন জামাআতে ইসলামীয়ার আমীর ডাঃ শফিকুর রহমান। সফরকে কেন্দ্র করে জেলায় রাজনৈতিক উত্তাপ ও আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। দলীয় নেতাকর্মীরা তাঁর আগমনকে স্বাগত জানালেও চলমান নির্বাচনী পরিস্থিতি ও আইনগত বাধ্যবাধকতা নিয়ে প্রতিদ্বন্দী দলগুলোর অভিযোগ দলটি নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গ করে নির্বাচনী সভা উপলক্ষে তোরণ নির্মাণ করেছে যা নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধির সরাসরি লঙ্ঘন। নির্বাচন কমিশনের জারি করা আচরণবিধিতে স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে, নির্বাচনি প্রচারণার জন্য কোন গেইট বা তোরণ নির্মাণ করা যাবে না এছাড়াও জনসাধারণের চলাচলের রাস্তা বা স্থাপনায় প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হয় এ ধরনের স্থাপনা নির্মাণ করা যাবে না। এসব কার্যক্রম নির্বাচনী মাঠে অসম প্রতিযোগিতা সৃষ্টি করতে পারে বলেও নীতিমালায় উল্লেখ রয়েছে।
এ বিষয়ে সচেতন নাগরিক ও পর্যবেক্ষক মহলের দাবি, সফরকে ঘিরে কোনো পক্ষ যেন আইন লঙ্ঘনের সুযোগ না পায়। তারা মনে করছেন, নির্বাচনের সুষ্ঠুতা নিশ্চিত করতে রিটার্নিং অফিসার, জেলা প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যথাযথ নজরদারি জরুরি।
এদিকে প্রশাসন সূত্র জানায়, নির্বাচনী আচরণবিধি বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। মাঠ পর্যায়ে মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে এবং নিয়ম ভঙ্গের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতিও রয়েছে।
সচেতন মহল আশা করছে, রাজনৈতিক কর্মসূচি ও সফর নির্বিঘ্ন হলেও নির্বাচন যেন আইন ও আচরণবিধির সীমারেখা অক্ষুণ্ণ রেখেই পরিচালিত হয়।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
৩০ আসনে কারচুপির অভিযোগ, পুনর্গণনাসহ আইনি পদক্ষেপে যাচ্ছে জামায়াত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০টি আসনে ভোট কারচুপির অভিযোগ তুলেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এসব আসনে ভোটের ফলাফল স্থগিত ও পুনর্গণনাসহ আইনি পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও মুখপাত্র এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এমনটা জানান তিনি। এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, দেশের মানুষ একটি সুষ্ঠু, সুন্দর নির্বাচন আশা করেছে। ইতোমধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। যদিও সেই নির্বাচনে অনেক ক্ষেত্রেই কারচুপি-জালিয়াতি হয়েছে এবং ভোট প্রদানের ক্ষেত্রে বাধা দেয়া হয়েছে। এজেন্টদের বের করে দেয়াসহ বিভিন্ন ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছে, যা আমরা আগেও বলেছি। জামায়াতের এই সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, এখন পর্যন্ত আমরা প্রায় ৩০টি আসনে এ ধরনের চরম অব্যবস্থাপনা দেখেছি। যেখানে ভোট জালিয়াতি হয়েছে, কারচুপি হয়েছে। যেসব কাগজ (রেজাল্ট শিট) দেয়া হয়েছে, সেখানে ওভাররাইটিং (কাটাকাটি) হয়েছে, ঘষামাজা হয়েছে। আমরা নির্বাচনের দিনও এসব বিষয়গুলো তাৎক্ষণিকভাবে রিটার্নিং অফিসারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানিয়েছিলাম। কিছু আসনে ফল দ্রুত দেয়া হলেও ইচ্ছে করেই কিছু আসনে ফলাফল দেয়া হয়নি। যেমন ঢাকার কয়েকটি আসনে আমরা ভোর ৫টায় গিয়ে নির্বাচনের রেজাল্ট পেয়েছি। তিনি বলেন, যেসব আসনগুলোয় আমরা এ ধরনের নির্বাচনি অব্যবস্থাপনা দেখেছি এবং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট যে আচরণবিধি সেটি মানা হয়নি, এসব আসনের বিষয়ে আমরা স্থানীয়ভাবে রিটার্নিং অফিসার অথবা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা যারা আছেন, তাদের জানিয়েছি। ভোট পুনর্গণনার জন্য সংশ্লিষ্টদের আমরা আহ্বান জানিয়েছি। এ বিষয়ে আমরা নির্বাচন কমিশনকেও জানাব এবং এই ব্যাপারে সম্ভাব্য সব ধরনের আইনি পদক্ষেপ নেয়ার সুযোগ আছে এবং আমরা সেসব পদক্ষেপ নেবো। নির্বাচন পরবর্তী সময়ে কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হিসেবে আমাদের ওপর, আমাদের সমর্থক, এজেন্ট এবং ক্ষেত্রবিশেষে মহিলাদের ওপর হামলা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে এমন শতাধিক ঘটনা ঘটেছে। আমরা সবগুলোর তথ্য নিয়মিত সংগ্রহ করছি। গণমাধ্যমেও এসব তথ্য উঠে আসছে। বিভিন্ন জায়গায় সহিংসতার ঘটনায় মৃত্যুবরণের ঘটনাও ঘটেছে। হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন, পরে মৃত্যুবরণ করেছেন এমনকিছু ঘটনাও ঘটেছে। এ সময় বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় মৃত্যু ও আহত হওয়ার তথ্য তুলে ধরে নতুন বাংলাদেশে সহিংসতামুক্ত বাংলাদেশের প্রত্যাশা করেন তিনি। উৎস: চ্যানেল24
৩০ আসনে কারচুপির অভিযোগ, পুনর্গণনাসহ আইনি পদক্ষেপে যাচ্ছে জামায়াত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০টি আসনে ভোট কারচুপির অভিযোগ তুলেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এসব আসনে ভোটের ফলাফল স্থগিত ও পুনর্গণনাসহ আইনি পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও মুখপাত্র এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এমনটা জানান তিনি। এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, দেশের মানুষ একটি সুষ্ঠু, সুন্দর নির্বাচন আশা করেছে। ইতোমধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। যদিও সেই নির্বাচনে অনেক ক্ষেত্রেই কারচুপি-জালিয়াতি হয়েছে এবং ভোট প্রদানের ক্ষেত্রে বাধা দেয়া হয়েছে। এজেন্টদের বের করে দেয়াসহ বিভিন্ন ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছে, যা আমরা আগেও বলেছি। জামায়াতের এই সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, এখন পর্যন্ত আমরা প্রায় ৩০টি আসনে এ ধরনের চরম অব্যবস্থাপনা দেখেছি। যেখানে ভোট জালিয়াতি হয়েছে, কারচুপি হয়েছে। যেসব কাগজ (রেজাল্ট শিট) দেয়া হয়েছে, সেখানে ওভাররাইটিং (কাটাকাটি) হয়েছে, ঘষামাজা হয়েছে। আমরা নির্বাচনের দিনও এসব বিষয়গুলো তাৎক্ষণিকভাবে রিটার্নিং অফিসারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানিয়েছিলাম। কিছু আসনে ফল দ্রুত দেয়া হলেও ইচ্ছে করেই কিছু আসনে ফলাফল দেয়া হয়নি। যেমন ঢাকার কয়েকটি আসনে আমরা ভোর ৫টায় গিয়ে নির্বাচনের রেজাল্ট পেয়েছি। তিনি বলেন, যেসব আসনগুলোয় আমরা এ ধরনের নির্বাচনি অব্যবস্থাপনা দেখেছি এবং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট যে আচরণবিধি সেটি মানা হয়নি, এসব আসনের বিষয়ে আমরা স্থানীয়ভাবে রিটার্নিং অফিসার অথবা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা যারা আছেন, তাদের জানিয়েছি। ভোট পুনর্গণনার জন্য সংশ্লিষ্টদের আমরা আহ্বান জানিয়েছি। এ বিষয়ে আমরা নির্বাচন কমিশনকেও জানাব এবং এই ব্যাপারে সম্ভাব্য সব ধরনের আইনি পদক্ষেপ নেয়ার সুযোগ আছে এবং আমরা সেসব পদক্ষেপ নেবো। নির্বাচন পরবর্তী সময়ে কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হিসেবে আমাদের ওপর, আমাদের সমর্থক, এজেন্ট এবং ক্ষেত্রবিশেষে মহিলাদের ওপর হামলা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে এমন শতাধিক ঘটনা ঘটেছে। আমরা সবগুলোর তথ্য নিয়মিত সংগ্রহ করছি। গণমাধ্যমেও এসব তথ্য উঠে আসছে। বিভিন্ন জায়গায় সহিংসতার ঘটনায় মৃত্যুবরণের ঘটনাও ঘটেছে। হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন, পরে মৃত্যুবরণ করেছেন এমনকিছু ঘটনাও ঘটেছে। এ সময় বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় মৃত্যু ও আহত হওয়ার তথ্য তুলে ধরে নতুন বাংলাদেশে সহিংসতামুক্ত বাংলাদেশের প্রত্যাশা করেন তিনি। উৎস: চ্যানেল24
Our Like Page