শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩৪ অপরাহ্ন
Headline
মহামান্য রাষ্ট্রপতির সিলেট সফর উপলক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত কাউনিয়ায় KICHIP প্রকল্পের স্বাস্থ্য উপকরণ বিতরণ মামলা ও ওয়ারেন্টের পরও আসামি গ্রেপ্তার নয়, মিরসরাইয়ে সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীদের ক্ষোভ রাজস্থলীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী পালিত। মোল্লাহাটে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে শোভাযাত্রা পদ্মায় পানি বৃদ্ধির শঙ্কা: দৌলতপুরে বন্যা মোকাবেলায় মতবিনিময় সভা ​নেপাল ও ভারতের পাহাড়ি ঢলের প্রভাবে সম্ভাব্য বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে দৌলতপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা। সাতকানিয়ায় মোটরসাইকেলের গতি রোধ করে যুবককে কুপিয়ে হত্যা নরসিংদীতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় সভায় বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী নরসিংদীর শিবপুরে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা বড় ধরনের ভূ-রাজনৈতিক ও কৌশলগত ঝুঁকির কারণ হতে পারে।ক্যাপ্টেন রেদওয়ান সিকদার।
Headline
Wellcome to our website...
পার্বত্য চট্টগ্রামে বাঁশবন: পরিবেশ, পানি ও শিল্পের নীরব রক্ষাকবচ
/ ২০৪ Time View
Update : সোমবার, ৪ আগস্ট, ২০২৫, ১২:৪৭ অপরাহ্ন

পার্বত্য চট্টগ্রামে বাঁশবন: পরিবেশ, পানি ও শিল্পের নীরব রক্ষাকবচ

মোঃ সহিদুল ইসলাম সুমন

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের তিন পার্বত্য জেলা রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান-প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য আর জীববৈচিত্র্যের এক অসাধারণ ভান্ডার। এখানকার উঁচু-নিচু পাহাড়, ঝর্ণা ও ছড়া থেকে বয়ে চলা মিষ্টি পানির প্রবাহ শুধুমাত্র স্থানীয় মানুষের জীবনধারণের জন্য অপরিহার্য নয়, বরং সমগ্র দেশের পরিবেশগত ভারসাম্যের জন্যেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর এই পুরো ব্যবস্থার নেপথ্যের প্রধান নায়ক হলো বাঁশবন। বাঁশবনকে প্রায়শই কেবল একটি বনজ সম্পদ হিসেবে দেখা হয়, কিন্তু এর ভূমিকা এর চেয়ে অনেক গভীর। এটি পাহাড়ি পানির উৎস রক্ষা, ভূমিক্ষয় নিয়ন্ত্রণ, কার্বন শোষণ এবং স্থানীয় শিল্পকে টিকিয়ে রাখার ক্ষেত্রে এক নীরব রক্ষাকবচের মতো কাজ করে।

বাঁশ: একটি প্রাকৃতিক রক্ষাকবচ

বাঁশ (Bamboo) মূলত ঘাস জাতীয় বহুবর্ষজীবী উদ্ভিদ, যার বৈজ্ঞানিক শ্রেণিবিন্যাস হলো: বোটানিক্যাল নাম: Bambusoideae (subfamily), ফ্যামিলি: Poaceae প্রজাতির সংখ্যা: বিশ্বজুড়ে প্রায় ১,৫০০ প্রজাতি, বাংলাদেশে রয়েছে প্রায় ৩০টির মতো।

পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থানীয়ভাবে পরিচিত কিছু বাঁশ প্রজাতি হলো: মুলি বাঁশ (Melocanna baccifera), বেথুয়া বাঁশ (Bambusa balcooa), ঝুম বাঁশ, রক্ষণ বাঁশ এবং রিং বাঁশ। এই প্রজাতিগুলো এখানকার মাটি ও জলবায়ুর সঙ্গে দারুণভাবে মানিয়ে নিয়েছে। বাঁশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো এর গভীর এবং ছড়ানো মূলমালা, যা মাটির গভীরে প্রবেশ করে শক্তভাবে আটকে থাকে। এই মূলমালাগুলো একটি প্রাকৃতিক জাল তৈরি করে, যা মাটিকে ধরে রাখে এবং ভূমিক্ষয় রোধ করে।

বাঁশবন ও মিঠা পানির উৎসের অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক

পাহাড়ি অঞ্চলের ঝর্ণা, ছড়া এবং ছোট নদীগুলোর প্রধান উৎস হলো বৃষ্টির পানি। বাঁশবন এই বৃষ্টির পানিকে সরাসরি নিচে নেমে যেতে না দিয়ে ধীর গতিতে ভূগর্ভস্থ স্তরে শোষণ করতে সাহায্য করে। বাঁশের শিকড় এবং পাতার স্তর বৃষ্টির পানিকে ধীরে ধীরে ফিল্টার করে এবং ভূগর্ভে জমা করে। এই প্রক্রিয়াটি একটি বিশাল প্রাকৃতিক স্পঞ্জ’-এর মতো কাজ করে। এটি বর্ষাকালে অতিরিক্ত পানি শোষণ করে এবং শুষ্ক মৌসুমে সেই পানিকে ধীরে ধীরে ছেড়ে দেয়, যা ঝর্ণা ও ছড়াগুলোতে সারা বছর পানি সরবরাহ অব্যাহত রাখে। এই প্রাকৃতিক পরিস্রাবণ প্রক্রিয়ার কারণে: ঝর্ণা ও ছড়ায় সারা বছর পানি থাকে: ভূমিক্ষয় ও ভূমিধস কমে: নির গুণমান ভালো থাকে: ভূগর্ভস্থ পানি বৃদ্ধি পায়:

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Our Like Page