
বাগেরহাটে সংসদীয় আসন কমানোর প্রস্তাব, ক্ষোভে ফুঁসছে জেলাবাসী।
রায়হান শেখ, স্টাফ রিপোর্টার।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাটের চারটি আসনের মধ্যে একটি অংশ কমিয়ে জেলায় তিনটি আসন করার প্রাথমিক প্রস্তাব দিয়েছে নির্বাচন কমিশনের বিশেষায়িত কারিগরি কমিটি। বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।
কমিটির প্রস্তাব অনুযায়ী, সংবিধানের ১১৯-১২৪ ধারা অনুযায়ী জাতীয় সংসদের আসন সীমানা পুনর্র্নিধারণের অংশ হিসেবে এমন সিদ্ধান্ত এসেছে। যেসব জেলায় ভোটার সংখ্যা কম, সেখানে আসন কমিয়ে আনার এবং যেখানে বেশি, সেখানে আসন বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। তারই অংশ হিসেবে বাগেরহাট-২ ও বাগেরহাট-৩ আসনের সীমানা নতুন করে নির্ধারণের সম্ভাবনার কথা জানানো হয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকে অনুমান করছেন যে নতুন বিন্যাসে বাগেরহাট-১ (চিতলমারী, ফকিরহাট, মোল্লাহাট), বাগেরহাট-২ (বাগেরহাট সদর, কচুয়া ও রামপাল) এবং বাগেরহাট-৩ (মোংলা, মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা) হতে পারে।
এই প্রস্তাবের খবর গণমাধ্যমে প্রকাশ হওয়ার পরে বাগেরহাটের সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী, সচেতন নাগরিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
জনসংখ্যা ও ভৌগোলিক অবস্থানের যুক্তি ২০২২ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী, বাগেরহাট জেলার আয়তন ৩,৯৫৯.১১ বর্গকিলোমিটার এবং জনসংখ্যা প্রায় ১৬ লাখ ১৩ হাজার। জনসংখ্যা ও ভৌগোলিক বিস্তৃতি বিবেচনায় এই জেলা এখনো চারটি আসন রাখার যোগ্য বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

