আমি বর্ষা ঘোষ Shanto mariam university of creative technology একজন ডান্স ডিপার্টমেন্ট স্টুডেন্ট তার সাথে আমি ঢাকার আওতাধীন কেরানিগন্জ বুলবুল ললিতকলা একাডেমি কেরানীগঞ্জ শাখা নৃত্যকলা শিক্ষক।
মুজিবুল হক চৌধুরী
বিশেষ প্রতিনিধি
আমি ৫ বছর বয়স থেকে নাচ শিখি বুলবুল ললিতকলা একাডেমি বক্বশিবাজার শাখা পুরনো ঢাকা । আমার নৃত্য প্রথম শিখান শান্তনা ম্যাম তারপর নৃত্য গুরুজী জাবেদ হোসেন ।নৃত্য গুরুজী জাবেদ হোসেন আর্শিবাদে নৃত্যপথ চলা। সেখানে আমি জুনিয়র এবং সিনিয়র কোর্স শেষ করি, জুনিয়র কোর্স 1st division.তার সাথে বিভিন্ন অনুষ্ঠান, টিভি প্রোগ্রাম ইত্যাদি নাচ করেছি তার সাথে সব প্রতিযোগিতা ১ম অর্জন করেছি সাথে । এই ১৬ টা বছর আমি নৃত্যজগতে আছি এই মধ্যে অনেক সমস্যা , কটুকথা শুনেছি এখনও শুনি। আমি পডালেখা পাশাপাশি আমার বাবা আমাকে নৃত্য, আর্ট, মার্শালাআর্ট শিখেছে। আমার জীবনের মূল ভূমিকা আমার বাবা এবং মা। আমার বাবা বেশি সাপোর্ট করেছে আমাকে নাচে দিকে উৎসাহ করেছে বুঝিয়েছে,জীবনে অনেক খারাপ কিছু ঘটবে, অনেকে অনেক কথা বলবে কিন্তু তোমাকে ধৈর্য্য,সহ্য করে নিজের লক্ষ্য পৌছাতে হবে,সবাইকে দেখাতে হবে মানুষ চাইলে সব পারে।
নাচে জগতে অনেক মানুষ আমাকে আমার স্বাস্থ্য নিয়ে কথা বলেছে আমি জীবনের নাচ করতে পারবো না,আমি নাচ নিয়ে আগাতে পারবো না,এই শরীরের নিয়ে নাচা কি সম্ভব,এবং এখনও মোটা মেয়েদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে। এর মধ্যে ও আমি ১৬ টা বছর অনেকে কথা শুনে আমি নাচ করেছি এবং আমার মতো যারা স্বাস্থ্য বান তাদের কে আমি উৎসাহ দিয়েছি নাচ করো নিজের স্বপ্ন পূরণ করো। পাছে লোক কিছু বলে। অনেকে লোক অনেক কিছু বলবে কিন্তু তাদের কথা কান না দিয়ে নিজের প্রতিভা সবার সামনে তুলে ধরো। আমি চাই আমার মতো মেয়েরা লোকসমাজে কথায় পিছে না যেয়ে এগিয়ে যাক দেখিয়ে দিক ।
আর আমি এখন যে পরিস্থিতি আছি একমাএ আমার বাবা কারনে তার সাথে আমার মা । আর নৃত্যগুরুজী দোয়া আমি নাচে পড়ালেখা ভালোবাসা,সম্মান পেয়েছি এবং পাচ্ছি। আমার স্বপ্ন ছিল আমি নাচ নিয়ে পড়াশোনা করবো আমি নাচ নিয়ে পড়াশোনা করছি শান্ত মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অফ ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি তে। আমি চাই আমাকে দেখে নারীরা উৎসাহ পাক প্রতিভা বের হয়ে আসুক,কোনো কিছু শেখা বয়স লাগে না, সব পরিস্থিতি সব কিছু করা যাই। মোটা অসুন্দর, বয়স এইসব দেখে কোনো নারী পিছিয়ে না যাক.আর ভবিষ্যতে আমি নাচ নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই, নাচ আমার প্রান নাচ আমার আলো নাচই হচ্ছে আমার প্রানের সারথি। আমার সাফল্য পিছনে বড় ভূমিকা আমার মা ,বাবা , আমার নৃত্যগুরু জাবেদ হোসেন। তারা আমাকে পাশে থেকে আমকে মানসিক সাপোর্ট করেছে এবং নিজের চেষ্টা অনেক বাধা পেরিয়ে আমি এই জায়গায় এসেছি। আমি নাচের পাশাপাশি ছোটকালে টুনাটুনি নাটক করেছি। আর এরপর ২০২৫ সালে আলিবাবা এবং চল্লিশ চোর অভিনয় করেছি। এর পাশাপাশি আমি একজন রোভার স্কাউট করেছি। আর আমার বড় সাফল্য হচ্ছে আমার মা বাবা গুরুজি আর্শিবাদ ওভালোবাসা। আমার বড় ছোট আদরে স্টুডেন্ট এ ভালোবাসা তাদের আমি প্রিয় ম্যাম। এবং তাদের অভিভাবক দের ভালোবাসা সাপোর্ট যেখানে জব তাদের আন্তরিক। আর গুরুজনের দোয়া আর্শিবাদে আমি আমার শ্রম, চেষ্টা, পরিশ্রম নাচের প্রতি ভালোবাসা ❤ নাচের প্রতি টান এইগুলো আমার কাছে আগে আমি নাচের জন্য বহু মানুষ ত্যাগ ও করেছি যারা আমার এবং আমার পেশা কে অপমান করতো, হাসাহাসি করতো, আমি তাদের কথা কান দিই নাই যারা আমার শারিরীক নিয়ে প্রশ্ন বাজে মন্তব্য করতো, আমি শুধু জানি আমার সৃষ্টিকর্তা যেমন বানিয়েছেন এবং আমার দক্ষতা দিয়েছেন আমি সেগুলো সবার মাঝে তুলে ধরবো এবং ধরেছি আমি অনেক টেলিভিশন নাচ করেছি এবং বাচ্চাদের করেছি আমি নাচ, স্কাউট পাশাপাশি আমি অভিনয় ও করি সে ছবি ও আছে আলিবাবা চল্লিশ চোর, সেইখানে নৃত্য এবং দুস্য করেছি এবং গান ও আর তার সাথে আর্ট ও অনেক সাটিফিকেট আছে
আমি চাই বাংলাদেশের অধিক নারী সংস্কৃতি থেকে পিছে যাচ্ছে। যেমন অনেকে মেয়েরা স্বাস্থ্য বান তারা চাইলেও তার পছন্দের নাচ,অভিনয় করতে পারছে না , বাহিরে মানুষ কি বলবে, সৌন্দর্য নিয়ে ও কথা বলে এই যে বাজে মন্তব্য চিন্তা করে অনেক নারী মেয়ে নিজের স্বপ্ন ত্যাগ করছে আমি চাই। আমাকে দেখে অধিকাংশ নারী শিখোক, যে মোটা,অসুন্দর হলেও নাচ,নাটক করা যাই, মানুষ বাজে মন্তব্য বাদ দিয়ে নিচের মেধা দ্বারা এবং যোগ্যতা দ্ধারা স্বপ্ন পূরণ করা যায়।
সম্পাদক ও প্রকাশক:আবছার উদ্দিন
উপ-সম্পাদক: সাইফুল ইসলাম ফাহাদ
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: চান্দিনা রোড,নিউ-মার্কেট,দেবিদ্বার, কুমিল্লা।
All rights reserved © 2025