দাগনভূঞায় ইটভাটা মালিকদের হয়রানীর প্রতিবাদে স্মারকলিপি প্রদান
ফেনী প্রতিনিধি.
ইটভাটা মালিকদের হয়রানী, মোবাইল কোর্ট পরিচালনা বন্ধে এবং ইটভাটা ভেঙে ফেলার প্রতিবাদে প্রধান উপদেষ্টা এবং বন, পরিবেশ ও জলবায়ু উপদেষ্টা বরাবরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে স্মারকলিপি প্রদান করেছে দাগনভূঞা উপজেলা ইটভাটা মালিক সমিতি। মঙ্গলবার ইটভাটা মালিক সমিতির সভাপতি আজমুল হক সুমন ও সাধারণ সম্পাদক আবু আহমেদ তারা মিয়ার নেতৃত্বে ইটভাটা মালিকগণ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে এ স্মারকলিপি দেন।
দাগনভূঞা ইটভাটা মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবু আহমেদ তারা মিয়া জানান, ইটভাটা মালিকগণ বিগত ৩৫/৪০ বৎসর যাবত অনেক প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। আমরা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার ক্ষেত্রে বায়ুদূষণ রোধে সরকার নির্দেশিত আধুনিক প্রযুক্তির জিগজাগ ভাটা স্থাপন করি। যাহা জ্বালানি সাশ্রয়ী, পরিবেশ বান্ধব প্রযুক্তি ও উপ-মহাদেশে টেকসই এবং সহজ প্রযুক্তি হিসেবে পরিচিত
বর্তমানে প্রযুক্তিগত উন্নয়নের ফলে এখন দেশের ইটভাটাসমূহ মাত্র ৫-১০% বায়ু দূষণ করছে, জৈব বস্তু পোড়ানোতে ৪০% এবং যানবাহনের কালো দোয়া ৫০% । পূর্বে ইটভাটার দূষণ মাত্রা ছিল ৫৮%। বিদ্যমান প্রিগল্লাগ ভাটায় আর অধিকতর উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে পরিবেশ দূষণ কমিয়ে আনা সম্ভব হবে। এই শিল্পে প্রায় ৫০ লক্ষ শ্রমিক কর্মরত আছে এবং ৫০ লক্ষ পরিবার তথা ২ কোটি মানুষের রুটি-রুজির ব্যবস্থা আমরাই করেছি, ইটভাটা বন্ধ হয়ে গেলে এই লোকগুলো বেকার হয়ে পড়বে। এছাড়া ও প্রায় প্রতিটি ইটভাটার বিপরীতে এক কোটি টাকার উপরে ব্যাংক লোন যা প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা। এই ভাটা সমূহ বন্ধ হয়ে গেলে সমুদয় ব্যাংক লোন আনাদয়ী থেকে যাবে। ইটভাটার মালিকগণ বছরে হাজার হাজার কোটি টাকার অধিক রাজস্ব দিয়ে থাকেন।
দাগনভূঞা উপজেলা নির্বাহী অফিসার স.ম. আজহারুল ইসলাম বলেন, আপনাদের দাবী দাওয়ার বিষয়গুলো আমি প্রধান উপদেষ্টা ও বন, পরিবেশ ও জলবায়ু উপদেষ্টা বরাবরে পেশ করবো।
সম্পাদক ও প্রকাশক:আবছার উদ্দিন
উপ-সম্পাদক: সাইফুল ইসলাম ফাহাদ
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: চান্দিনা রোড,নিউ-মার্কেট,দেবিদ্বার, কুমিল্লা।
All rights reserved © 2025