মাধবপুরে ইউএনও'র ফেসবুক পোস্টে বৃত্তি পরীক্ষা নিয়ে সমালোচনার ঝড়
ডেক্স রিপোর্ট
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাহিদ বিন কাশেম-এর একটি ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে “Uno Madhabpur Habiganj” নামের ফেসবুক আইডি থেকে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী সকল পরীক্ষার্থীর জন্য শুভকামনা জানানো হয়। একই সঙ্গে জানানো হয়, এবারের পরীক্ষার সকল কক্ষে সিসিটিভি (CCTV) ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।
এ পোস্টের পরপরই নানা প্রতিক্রিয়া জানান নেটিজেনরা।
Abdul Momin নামে এক ফেসবুক ব্যবহারকারী মন্তব্য করে বলেন, সিসিটিভি মূলত নিরাপত্তা জোরদার, অপরাধ প্রতিরোধ এবং প্রমাণ সংরক্ষণের জন্য ব্যবহার করা হয়। তিনি মাধবপুর উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়কের মোড়ে মোড়ে সিসিটিভি স্থাপনের দাবি জানান। তার মতে, এতে চুরি-ডাকাতি কমবে, দুর্ঘটনা বা অপরাধের ক্ষেত্রে প্রমাণ সংগ্রহ সহজ হবে এবং সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার হবে।
তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন, ছোট ছোট শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার হলে অতিরিক্ত সিসিটিভি নজরদারি কতটা যৌক্তিক। তার ভাষায়, “যেখানে সিসিটিভির প্রয়োজন, সেখানে না দিয়ে অপ্রয়োজনীয় স্থানে ব্যবহার করলে সময় ও অর্থের অপচয় হয়।”
অন্যদিকে, Shekh Farhad Ahamed নামে আরেক ফেসবুক ব্যবহারকারী অভিযোগ করেন, পরীক্ষার হলে সিসিটিভি থাকলেও যদি অভিভাবকরা ফুটেজ দেখতে না পারেন, তাহলে এর কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। তিনি একটি নির্দিষ্ট পরীক্ষাকক্ষে অনিয়মের অভিযোগ তুলে সংশ্লিষ্ট ফুটেজ যাচাইয়ের অনুরোধ জানান।
Shekh Farhan Ahamed আরও রিপ্লাই
Uno Madhabpur Habiganj আইডিতে বলেন, নোয়াপাড়া সৈয়দ সঈদউদ্দিন হাই স্কুল এন্ড কলেজের উত্তরের বিল্ডিং নিচতলার ৫ নং কক্ষের সিসি টিভি ফুটেজটি দেখার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ওই সময় ওই কক্ষে ডিউটিতে ছিল মাহমুদুল হাসান রনি নামে শিক্ষক।
এ বিষয়ে মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদ বিন কাশেম ফেসবুক পোস্টে রিপ্লাইয়ে বলেন, “কারো বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে লিখিতভাবে জানান। প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
বিষয়টি নিয়ে মাধবপুরে সাধারণ মানুষের মধ্যেও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। নেটিজেনরা বলছেন নির্দিষ্ট কক্ষে সিসিটিভি আওতায়ধীন থাকা সত্বেও একজন শিক্ষকের নাম উল্লেখপূর্বক কমেন্টে জানিয়েছেন তথাপি ইউএনও উক্ত কমেন্টকে পাশ কাটিয়ে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের ব্যবস্থা করছেন বলে তাদের মন্তব্য।
সম্পাদক ও প্রকাশক:আবছার উদ্দিন
উপ-সম্পাদক: সাইফুল ইসলাম ফাহাদ
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: চান্দিনা রোড,নিউ-মার্কেট,দেবিদ্বার, কুমিল্লা।
All rights reserved © 2025