
রোববার বেলা সোয়া ১১টায় রংপুর অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন আদালতের (তাজহাট) বিচারক রাজু আহমেদ বাবু এ আদেশ দেন।
এর আগে, নিহত আবু সাঈদের বড় ভাই রমজান আলীর আইনজীবী ওই আবেদন করেন। মামলায় ১ নম্বর আসামি করা হয়েছে কোতয়ালী থানার এএসআই সৈয়দ আমীর আলীকে। এছাড়াও মামলায় আসামি করা হয়েছে সাময়িক বরখাস্ত হওয়া কনেস্টবল সুজন চন্দ্র রায়, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি পোমেল বডুয়া, সাধারণ সম্পাদক শামীম মাহফুজ, দফতর সম্পাদক বাবুল হোসেন, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার আরিফুজ্জামান, মো: আল ইমরান হোসেন, সাময়িক বরখাস্ত হওয়া তাজহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রবিউল ইসলাম, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিসের কর্মকর্তা রাফিউল হাসান রাসেল, গণিত বিভাগের শিক্ষক মশিউর রহমান, লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষক আসাদুজ্জামান মণ্ডল, বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো সাবেক রেঞ্জ ডিআইজি আব্দুল বাতেন, পুলিশ কমিশনার মনিরুজ্জামান, আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ ১৮ জনসহ অজ্ঞাত নামাদের আসামি করা হয়েছে।
এজাহারে বলা হয়, আসামিরা পারস্পারিক যোগসাজসে নির্দেশ দিয়ে গুলি করে আবু সাঈদকে হত্যার মাধ্যমে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকে ঠেকানোর চেষ্টা করে। গত ১৬ জুলাই রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ নম্বর গেটের সামনে আন্দোলন চলাকালে পুলিশের গুলিতে নিহত হন আবু সাঈদ।
এছাড়াও একই আদালতে ৪ আগস্ট পুলিশের গুলিতে নিহত ফল বিক্রেতা মিরাজুল ইসলামের মা আম্মিয়া খাতুন ও আব্তুল্লাহ আবু তাহেরের বাবা আব্দুর রহমান মামলা করেছেন। ওই দু’টি মামলাও গ্রহণ করে তাজহাট থানাকে রেকর্ড ও তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
সম্পাদক ও প্রকাশক:আবছার উদ্দিন
উপ-সম্পাদক: সাইফুল ইসলাম ফাহাদ
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: চান্দিনা রোড,নিউ-মার্কেট,দেবিদ্বার, কুমিল্লা।
All rights reserved © 2025