
পীরগাছায় তদন্ত করতে এসে মিথ্যা লেখার পরামর্শ দিলেন তদন্তকারী কর্মকর্তা মো: আমিনুল ইসলাম
মো: মফিদুল ইসলাম সরকার (স্টাফ রিপোর্টার,
বাংলাদেশ ): রংপুরের পীরগাছা উপজেলার সদর ইউনিয়নের চন্ডিপুরের পুরাতন একটি স্থাপনা নিয়ে দুই পক্ষের মামলা চলছে। একপক্ষ বলছে এটি মসজিদ অপর একটি পক্ষ বলছে এদি মন্দির ছিল।
বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন আছে। সেই পুরাতন স্থাপনাটির বিষয়ে আজ তদন্ত করতে আসেন। ওয়াকফ এস্টেটের তদন্ত কর্মকর্তা মো: আমিনুল ইসলাম। তিনি সরেজমিনে তদন্ত করে রিপোর্ট লেখতে টেবিলে বসেন স্থানীয় চন্ডিপুরের একটি হোটলের সামনে। সেই খানে তিনি মসজিদ দাবী করা গ্রুপের পক্ষের বাদশা মিয়াকে প্রকাশ্যভাবে পরামর্শ দিলেন আপনারা এই ভাবে লেখন, মুয়াজ্জিনকে মাসিক এত হাজার টাকা দিচ্ছেন , ঈমামাকে মাসিক এত হাজার টাকা দিচ্ছেন। এই প্রতিবেদক সাথে সাথে তদন্ত কর্মকর্তা মো: আমিনুল ইসলামের কাছে জানতে চেয়েছিলেন, আপনি এখানে মুয়াজ্জিন কোথায় পেলেন কিংবা ঈমামকে দেখেছেন। আপনি মিথ্যা লেখার পরামর্শ দিলেন কি জন্য ? তিনি সাথে সাথে বলে উঠলেন সঠিক তথ্য দেওয়া দরকার। অপরদিকে বাদশা মিয়া বলেছেন চার বছর আগে মুয়াজ্জিন ছিল। এই প্রতিবেদক তাকে বলেছেন তাহলে চার বছর আগের কথা লেখেন। এরপরে তিনি চন্ডিপুর থেকে চলে যান। এই সময় তাকে দেখে মনে হয়েছিল তিনি কারো দ্বারা প্রভাবিত হয়েই তদন্ত করেছেন। এর ফলে ইতিপূর্বে তার হাতে তৈরি কৃত প্রতিবেদন গুলো প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে গেছে। এ সময় চরমোনাই পীর সাহেবের ভক্তরা উপস্থিত ছিলেন।#### ১৭-১২-২০২৪ খ্রি

