শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ০৬:৩৪ অপরাহ্ন
Headline
ঢালুয়া দারুসুন্নাত দাখিল মাদ্রাসায় ল্যাপটপ ও ফটোকপি সুবিধা সম্বলিত প্রিন্টার উপহার লায়ন সৈয়দ হারুন এমজেএফ ভুয়া অনলাইন পোর্টালের নামে প্রতারণা, সাধারণ মানুষের কাছ থেকে হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে হাজার,হাজার টাকা পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাংবাদিক নেতা আহমেদ আবু জাফর “ত্রিশালের নজরুল মঞ্চে প্রভাষক লিটনের অনবদ্য অভিনয়- “নজরুল জয়ন্তীর বর্ণাঢ্য আয়োজনে মুগ্ধ দর্শক” শরীয়তপুর জেলাবাসীর উদ্দেশে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানালেন সাবেক ছাত্রদল নেতা মাহমুদ খোকন। বিএনপি নেতা মাসুদ রানার নবীনগর পৌরসভার ‘মেয়র’ পদে নির্বাচন করার ঘোষণা! বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সংবাদ সম্মেন চক্রান্তের বিরুদ্ধে আমার অবস্থান অনড় থাকবে ইসলামী ব্যাংকে এস আলম চক্রের প্রত্যাবর্তনের চক্রান্তের প্রতিবাদে মাগুরায় মানববন্ধন ও সমাবেশ হোমনায় মাদকের বিরুদ্ধে সংবাদ করায় সাংবাদিকের উপর হামলা চান্দলা করিম বক্স হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের সভাপতি আবুল বাশার সরকার রিপোর্ট : এমদাদুল সরকার। 
Headline
Wellcome to our website...
ফজলে লোহানী ” সাংবাদিক,লেখক,চলচ্চিত্র প্রযোজক এবং জনপ্রিয় টিভি উপস্থাপক।
/ ২২৯ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৬ জানুয়ারী, ২০২৫, ৪:৪৮ পূর্বাহ্ন

ফজলে লোহানী “
সাংবাদিক,লেখক,চলচ্চিত্র প্রযোজক এবং জনপ্রিয় টিভি উপস্থাপক।

সংগৃহীত:
আবুনাঈম রিপন : স্ট্যাফ রিপোর্টার :

সাংবাদিক-সাহিত্যিক-চলচ্চিএ প্রযোজকের পরিচয় ঢাকা পড়ে গিয়েছিল তার উপস্থাপিত ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানের আড়ালে। বাংলাদেশের টেলিভিশনের প্রথম জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান যদি কিছু মনে না করেন এর সফল উপস্থাপক তিনি। বলা হয়ে থাকে টিভি মিডিয়ার ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানের জনক তিনি।

কথা বলার অসাধারণ অঙ্গভঙ্গি আর অভিব্যক্তি তাকে অসাধরণ করে তুলেছিলো। মিডিয়ায় তার গড়ে তোলা ট্রেন্ডের মাঝে আজও ঘুরপাক খাচ্ছে বিভিন্ন টিভি চ্যানেলের সব ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান।

জনপ্রিয় মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ফজলে লোহানী ১৯২৮ সালের ১২মার্চ সিরাজগঞ্জ জেলার কাউলিয়া গ্রামে এক শিক্ষিত ও সংস্কৃতিমনা পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা আবু লোহানী ছিলেন সেই সময়ের সুপরিচিত সাংবাদিক ও সাহিত্যিক এবং মা ফাতেমা লোহানী ছিলেন কলকাতা করপোরেশন স্কুলের শিক্ষিকা। ফজলে লোহানী সিরাজগঞ্জ বিএল স্কুল থেকে ম্যাট্রিক এবং কলকাতা প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বিএসসি পাস করেন।

১৯৪৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে এমএসসিতে ভর্তি হন ফজলে লোহানী তবে চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশ নেননি তিনি। এরপর ১৯৪৯ সালে তাঁর সম্পাদনায় ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয় উন্নতমানের সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক পত্রিকা “অগ্যতা” পঞ্চাশের দশকে তিনি ইংল্যান্ডে যান এবং বিবিসিতে কাজ করেন। লেখক হিসেবেও তিনি যথেস্ট খ্যাতিমান ছিলেন।

ষাটের দশকের শেষ দিকে বাংলাদেশে ফিরে এসে ফজলে লোহানী সাংবাদিকতা ও লেখালেখিতে আত্মনিয়োগ করেন। এ সময় মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টিতে যোগ দেন এবং মওলানা ভাসানীর সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। লেখক হিসেবেও তিনি অনেক সুনামের অধিকারী ছিলেন। সর্বশেষ ফজলে লোহানী “পেনশন” নামে একটি সৃজনশীল চলচ্চিত্র প্রযোজনা করেন।

১৯৭৭-১৯৮৫ সাল পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশে টেলিভিশনে জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান “যদি কিছু মনে না করেন” উপস্থাপনা ও পরিচালনা করেন। এই অনুষ্ঠানে শেষ অংশে থাকতো একটি করে টিভি রিপোর্টিং। আশির দশকের গোড়ার দিকে বাংলাদেশে টিভি রিপোর্টিং এর প্রবর্তন ঘটানোর মতো যুগান্তকারী কাজ তিনি করেছেন।

বিশ্বখ্যাত টিভি রিপোর্টারদের মতোই গভীর অভিব্যক্তি নিয়ে হৃদয়ছোঁয়া ভঙ্গিমায় তার করা টিভি রিপোর্টিং মানুষকে কখনো হাসাতো,কাঁদাতো,কখনোবা করে তুলতো বেদনা ভারাক্রান্ত কিংবা ক্ষুব্ধ। ফজলে লোহানীর এই টিভি রিপোর্টিং দেখার জন্য লক্ষ লক্ষ টিভি দর্শক বিপুল আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করতো।

অনুষ্ঠানটি ১৯৭৯ সালে থেকে তার মৃত্যুর পূর্বমুহূর্ত পর্যন্ত ছিল জনপ্রিয়তার শীর্ষে। প্রসঙ্গতঃ তার বড় ভাই ফতেহ লোহানীও ছিলেন বিশিষ্ট অভিনেতা,
আবৃত্তিকার,চিত্রপরিচালক,সাহিত্যিক,অনুবাদক ও বেতার ব্যক্তিত্ব। ফজলে লোহানী ১৯৮৫ সালের ৩০ অক্টোবর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ৫৮ বছর বয়সে ঢাকার সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। “যদি কিছু মনেনা করেন” ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানের জনক ফজলে লোহানী উনার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Our Like Page