বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:০২ অপরাহ্ন
Headline
কুমিল্লা ও ফরিদপুর বিভাগ করার পূর্ব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের ঘোষণা দিলেন- মির্জা ফখরুল। কুমিল্লায় বিদেশ পাঠানোর নামে সাংবাদিকের কাছ থেকে ১৪ লাখ টাকা আত্মসাত, ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা কুমিল্লায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পরও পলাতক আসামিরা বেপরোয়া, নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন মানবাধিকার কর্মী শুভ্র। পঞ্চগড়ে প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি নাসের বাবুল ও মোকবুলার রহমান সাধারণ সস্পাদক নির্বাচিত কুষ্টিয়ায় চালের দামের ওপর বাড়তি পরিবহন ভাড়ার প্রভাব। সংঘবদ্ধ ধ’র্ষ’ণ: শিশুসহ নারীকে বিলের ধারে নিয়ে পাশবিকতা ধামাচাপার চেষ্টার অভিযোগ কর্মমূখী শিক্ষা ব্যবস্থা ও বাধ্যতামূলক সামরিক প্রশিক্ষণের দাবি
Headline
Wellcome to our website...
বনশ্রী স্বর্ণ ডাকাতি মামলায় বাউফলের দুই সোনার ছেলে গ্রেফতার
/ ১৪৪ Time View
Update : রবিবার, ৯ মার্চ, ২০২৫, ৮:১০ অপরাহ্ন

বনশ্রী স্বর্ণ ডাকাতি মামলায় বাউফলের দুই সোনার ছেলে গ্রেফতার

মো.আরিফুল ইসলাম বাউফল প্রতিনিধি :

ঢাকার বনশ্রী এলাকায় স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে গুলি করে স্বর্ণ ডাকাতির চাঞ্চল্যকর ঘটনায় জড়িত ৬ জনের মধ্যে দুইজন হলো
পটুয়াখালীর বাউফলে ছাত্রলীগের প্রভাবশালী নেতা আমিনুল ইসলাম ও অন্যজন শ্রমিক দলের নেতা সুমন মোল্লা।

এর মধ্যে আমিনুল পেশাদার ডাকাত। এর আগেও তাকে দেশীয় অস্ত্র এবং আগ্নেয়াস্ত্রসহ ডাকাতি মামলায় গ্রেফতার করা হয়।

শনিবার (০৮মার্চ) গ্রেফতারকৃত দুজনকে গণমাধ্যমের সামনে হাজির করা হলে স্থানীয় ভাবে খোঁজ নিয়ে এ চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া যায়।

আমিনুল ইসলাম বাউফল উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়ন পরিষদ এলাকার বাসিন্দা ইকবাল মৃধার ছেলে। তিনি উপজেলা নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সদস্য। অন্যজন সুমন মোল্লা একই ইউনিয়নের পাশের গ্রাম আয়নাবাজ কালাইয়ার বাসিন্দা শাহজাহান মোল্লার ছেলে। তিনি কালাইয়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড শ্রমিক দলের সহ-দফতর সম্পাদক।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এরআগে ছাত্রলীগ নেতা আমিনুল একাধিক ডাকাতির ঘটনায় সরাসরি নেতৃত্ব দেয়ার অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছিলো। একের পর এক ডাকাতির ঘটনার পর জেলা পুলিশের কয়েকটি টিমের যৌথ তদন্তে আন্তঃবিভাগ ডাকাল দল শনাক্ত হয়। অভিযান চালিয়ে ২০২৩ সালের ৯নভেম্বর আমিনুলসহ ডাকাত দলের ৭ সদস্যকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। ডাকাত দলকে আশ্রয় দেয়াসহ অস্ত্রের জোগানদাতাও ছিলেন আমিনুল। পটুয়াখালী আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে জবানবন্দিতে এসব অভিযোগ স্বীকার করেছিল আমিনুল।

বিভিন্ন সূত্রে থেকে ওই দুজনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে তাদের পরিচয় জানাতে গিয়ে কেউ নিজের পরিচয় প্রকাশ করতে রাজি হননি।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রাজনৈতিক সভা-সমাবেশে ব্যস্ত থাকতেন আমিনুল ইসলাম। স্থানীয় আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে পরিচিত ও প্রভাবশালী নেতা তিনি। এদিকে আমিনুল গ্রেফতারের পর তার সাথে সাবেক চিফ হুইপ ও পটুয়াখালী-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আ. স.ম ফিরোজ, আ’লীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক আ,স,ম ফিরোজের পুত্র রায়হান সাকিব, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক, জেলা ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদকসহ গুরুত্বপূর্ণ আওয়ামী নেতার সঙ্গে একাধিক ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাউফল উপজেলা শ্রমিকদলের আহ্বায়ক হাসান মাহমুদ মঞ্জু বলেন, আমি ওনাকে ব্যক্তিগতভাবে চিনি না। উনি কমিটিতে কিভাবে আসলো বলতে পারি না। তবে ইউনিয়ন শ্রমিকদলকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাকে বহিষ্কারের জন্য। ইতিমধ্যে কার্যক্রম চলছে।

বাউফল থানার পুলিশ পরিদর্শক আতিকুল ইসলাম বলেন, আমিনুল পেশাদার ডাকাত এবং তিনি ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। এর আগেও তাকে দেশীয় অস্ত্র এবং আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেফতার করা হয়েছিল।

তারিখ-০৯/০৩/২৫ইং
মো. আরিফুল ইসলাম
বাউফল প্রতিনিধি
০১৭২১৩২৯৬০১।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Our Like Page