শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ০৮:৩১ পূর্বাহ্ন
Headline
কুমিল্লা বুড়িচং থানা পুলিশের অভিযানে ৪৭ বোতল স্কাপ সিরাপসহ আটক-১ জ্বালানি তেলের সরবরাহ নিশ্চিত ও নিরবচ্ছিন্ন রাখার লক্ষ্যে আজ বৃহস্পতিবার ১২ ই মার্চ বোয়ালখালী উপজেলায় ১টি ফিলিং স্টেশন এবং খোলা তেল বিক্রি করে এমন কয়েকটি দোকানে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করা হয় নরসিংদীর শিবপুরে সৌদি আরবের উপহারকৃত খেজুর বিভিন্ন এতিমখানা ও মাদ্রাসায় বিতরণ সরাইল সাংবাদিকদের সাথে জামায়াতের ইফতার মাহফিল ও মতবিনিময় মাঝখানে বিদ্যুতের খুঁটি, ঝুঁকির মধ্যেই চলছে কুমিল্লা–মীরপুর সড়কের সংস্কার কাজ মীরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চল এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায়া যুবদল নেতার মৃত্যু ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার পদে নির্বাচিত হয়েছেন মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম এবং ডেপুটি স্পিকার পদে নির্বাচিত হয়েছেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল নরসিংদীর শিবপুরে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা‌র উপজেলা শাখার পরিচিতি,দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত। গোপালগঞ্জ পৌর নির্বাচন: আধুনিকায়ন ও সামাজিক পরিবর্তনের অঙ্গীকারে আলোচনায় সিকদার শহিদুল ইসলাম লেলিন দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসে মাটিরাঙ্গায় জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিত
Headline
Wellcome to our website...
মণিরামপুরে বাঁশের তৈরি মোড়া জুড়ি তৈরি করে সংসার চলে ২৭০ পরিবারের
/ ১০৩ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২৪, ৬:২২ পূর্বাহ্ন

মণিরামপুরে বাঁশের তৈরি মোড়া জুড়ি তৈরি করে সংসার চলে ২৭০ পরিবারের

সাব্বির হাসান স্টাফ রিপোর্টার:
গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য ক্ষুদ্র কুটির শিল্প বাঁশের তৈরি মোড়া,দোলনা ও জুড়ি তৈরি করে সংসার চলে ২৭০ পরিবারের। যশোরের মনিরামপুরে মণিরামপুর উপজেলার শ্যামকুড় ইউনিয়নের চিনাটোলা গ্রামের দাস পাড়ায় বৃদ্ধ নারী পুরুষ সবাইকে এই মোড়া তৈরি করতে দেখা যায়। জানতে চাইলে কয়েকজন জানান আমাদের পূর্ব পুরুষ যুগ যুগ ধরে এই কাজের সাথে জড়িত।আমারাও সেই ধারাবাহিকতায় গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য ক্ষুদ্র কুটির শিল্প বাঁশের তৈরি মোড়া দোলনা জুড়ি তৈরি করে আসছি। তবে বর্তমানে প্লাস্টিকের চেয়ার ঘরে ঘরে থাকায় বাঁশের তৈরি মোড়া দোলনার চাহিদা অনেক কমেছে। এইজন্য আমরা এই শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে সরকারের সহযোগিতা কামনা করছি। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় প্রতিটি বাড়িতে তৈরি হচ্ছে এই মোড়া ও বাঁশের জুড়ি। কথা হয় মিলন দাস,দিলীপ দাস, ও গনেষ দাসের সাথে তাঁরা জানান এই মোড়া তৈরি করতে আমাদের অনেক কষ্ট সময় শ্রম দিতে হয়।গ্রামে গ্রামে ঘুরে বাঁশ কিনে বাড়িতে এনে সুন্দর করে পরিষ্কার করে রং করে পরিবারের সবাই মিলে এটা তৈরি করে দেশের বিভিন্ন স্থানে হাকারি করে বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করি। তবে আমরা এইগুলো তৈরি করতে যে পরিমাণ কষ্ট শ্রম দিই সেই অনুযায়ী পারিশ্রমিক হয় না। এইভাবে চলতে থাকলে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য ক্ষুদ্র কুটির শিল্প মনে হয় আস্তে আস্তে মনে হচ্ছে বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Our Like Page