
মাটিরাঙ্গার গুমতিতে আওয়ামী লীগের নেতার বিরুদ্ধেপারিবারিক কবরস্থানের জমি দখলের অভিযোগ।
ডেক্স রিপোর্ট:
খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলার গুমতি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক মেম্বার ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মৃত মোহাম্মদ রেহান উদ্দিন রেনু মিয়া,পিতা মৃত মোঃ আফাজ উদ্দিন ৫ই আগস্টেরপূর্বে (১৫বছর)গ্রাম্য সালিশী বৈঠকে পক্ষ্যপাতদুষ্ট,অন্যায়,আইন বর্হিভূত,অসৎ উদ্দেশ্য,মারমুখী আচরনওজমি দখলের অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগী একটি পরিবার।অভিযুক্ত মর্জনা বেগম পিতা মৃত রাব্বানালি,নিরুপায় হয়ে মাটিরাঙ্গা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করলে(১৬জানুয়ারি রবিবার) সকাল দশটায় মর্জনা বেগম সহ রেহান উদ্দিনের ছেলেরা মাটিরাঙ্গা থানা সবাকক্ষে উপস্থিত হন।রেহানউদ্দিনের ছেলেরা তার বাবার বরাত দিয়ে বলেন কবরস্থানের জায়গাটি আমার বাবার রেকর্ড ভুক্ত তাই আমরা এই জায়গা ছাড়তে নারাজ।সরজমিনে দেখা গেছে ভুক্তভোগী মর্জনা বেগমের পিতার সমাধিটি দখলকৃত জমিতে আছে, এটি একটি পারিবারিক কবরস্থান ছিল মর্জিনা বেগমের বাবার সমাধি দেখে বুঝা যায়।জানা যায় ৫৪শতাংশ জায়গা মর্জিনার বাবা রেহান উদ্দিনের কাছে বিক্রি করে পারিবারিক কবরস্থানের বাহিরে।
কিন্তু রেহান উদ্দিন ক্ষমতা অপব্যবহার করে রেজিস্ট্রি করে ৭০শতাংশ,তাইএইপারিবারিক কবরস্থানটি এখন রেহান উদ্দিনের ছেলেরা জোড় করে দখল নিয়ে নেয়। ভুক্তভোগী মর্জিনা বেগম বলেন রেজিস্ট্রি বাতিল করে আমারপারিবারিক কবরস্থানটি ফিরিয়ে দিতে সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। উল্লেখ্য রেহান উদ্দিনের ছেলেরা বিগত ১৫ বছর এলাকার সন্ত্রাসী কর্মকান্ড সহ বিভিন্ন মানুষের বাড়িঘর ভাঙচুর করার অভিযোগ আছে,২০১৮সালে মাটিরাঙ্গা থানা বিএনপির সহ-সভাপতি আবুল ফজল ভূঁইয়ার বাড়িতে হামলা সহ ভাঙচুর করে।
বিগত১৫ বছর ধরে জমির সীমানা নিয়ে বিরোধ বিষয়টি অনেকবার আপোষের জন্য বসা হয়েছে,কিন্তু আওয়ামিলীগের পেশি শক্তির কারনে সম্ভব হয়নি।রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তনের পর বিভিন্ন নেতাদের দ্বারস্থ হয় নিরীহ মর্জিনা বেগম। কান্না জড়িত কন্ঠে প্রতিবেদক কে বলেন,এ ঘটনায় মৃত রেহান উদ্দিনের
ছেলেরা আমাকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে।মর্জিনা বেগম বলেন আমার নিজস্ব কোন বাড়িঘরের জায়গা নেই,আমার বাবার স্মৃতিটুকু নিয়ে আমি বেঁচে থাকতে চাই।

