বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৩৯ অপরাহ্ন
Headline
সাভার, আমিন বাজার রাজস্ব সার্কেলের দুর্নীতির শেষ কোথায়? জানতে চাই সচেতন মহল । কানাইঘাট অ্যাসোসিয়েশন মেজরটিলার অর্থায়নে গাছবাড়ী-হরিপুর রাস্তার সাময়িক সংস্কার শুরু পাবনায় তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী কলি হত্যা: গ্রেপ্তার আসামির বাড়িতে বিক্ষুব্ধ জনতার ভাঙচুর গাছবাড়ী-হরিপুর সড়ক সংস্কারে এগিয়ে এলো কানাইঘাট অ্যাসোসিয়েশন মেজরটিলা ১ লাখ টাকা সহায়তা নরসিংদীতে নামাজরত অবস্থায় বৃদ্ধ মহিলাকে কুপিয়ে হত্যা গ্রেফতার ৩ মুন্সিগঞ্জ পৌর জনগণ চাইলে মেয়র পদে লড়তে চান বিএনপি নেতা মোঃ শাহাদাৎ। কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়ায় ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার-৬ কুমিল্লায় বোন-ভাতিজাকে কুপিয়ে হত্যা, মূল আসামিসহ গ্রেপ্তার-৩ মোল্লাহাটে কাহালপুর আলিম মাদ্রাসার নবনির্বাচিত সভাপতিকে সংবর্ধনা রাজস্থলীতে এমপির প্রতিনিধি জিকু কুমার দে ও চাথোয়াই মারমা।
Headline
Wellcome to our website...
পার্বত্য চট্টগ্রামে বাঁশবন: পরিবেশ, পানি ও শিল্পের নীরব রক্ষাকবচ
/ ২০৮ Time View
Update : সোমবার, ৪ আগস্ট, ২০২৫, ১২:৪৭ অপরাহ্ন

পার্বত্য চট্টগ্রামে বাঁশবন: পরিবেশ, পানি ও শিল্পের নীরব রক্ষাকবচ

মোঃ সহিদুল ইসলাম সুমন

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের তিন পার্বত্য জেলা রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান-প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য আর জীববৈচিত্র্যের এক অসাধারণ ভান্ডার। এখানকার উঁচু-নিচু পাহাড়, ঝর্ণা ও ছড়া থেকে বয়ে চলা মিষ্টি পানির প্রবাহ শুধুমাত্র স্থানীয় মানুষের জীবনধারণের জন্য অপরিহার্য নয়, বরং সমগ্র দেশের পরিবেশগত ভারসাম্যের জন্যেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর এই পুরো ব্যবস্থার নেপথ্যের প্রধান নায়ক হলো বাঁশবন। বাঁশবনকে প্রায়শই কেবল একটি বনজ সম্পদ হিসেবে দেখা হয়, কিন্তু এর ভূমিকা এর চেয়ে অনেক গভীর। এটি পাহাড়ি পানির উৎস রক্ষা, ভূমিক্ষয় নিয়ন্ত্রণ, কার্বন শোষণ এবং স্থানীয় শিল্পকে টিকিয়ে রাখার ক্ষেত্রে এক নীরব রক্ষাকবচের মতো কাজ করে।

বাঁশ: একটি প্রাকৃতিক রক্ষাকবচ

বাঁশ (Bamboo) মূলত ঘাস জাতীয় বহুবর্ষজীবী উদ্ভিদ, যার বৈজ্ঞানিক শ্রেণিবিন্যাস হলো: বোটানিক্যাল নাম: Bambusoideae (subfamily), ফ্যামিলি: Poaceae প্রজাতির সংখ্যা: বিশ্বজুড়ে প্রায় ১,৫০০ প্রজাতি, বাংলাদেশে রয়েছে প্রায় ৩০টির মতো।

পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থানীয়ভাবে পরিচিত কিছু বাঁশ প্রজাতি হলো: মুলি বাঁশ (Melocanna baccifera), বেথুয়া বাঁশ (Bambusa balcooa), ঝুম বাঁশ, রক্ষণ বাঁশ এবং রিং বাঁশ। এই প্রজাতিগুলো এখানকার মাটি ও জলবায়ুর সঙ্গে দারুণভাবে মানিয়ে নিয়েছে। বাঁশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো এর গভীর এবং ছড়ানো মূলমালা, যা মাটির গভীরে প্রবেশ করে শক্তভাবে আটকে থাকে। এই মূলমালাগুলো একটি প্রাকৃতিক জাল তৈরি করে, যা মাটিকে ধরে রাখে এবং ভূমিক্ষয় রোধ করে।

বাঁশবন ও মিঠা পানির উৎসের অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক

পাহাড়ি অঞ্চলের ঝর্ণা, ছড়া এবং ছোট নদীগুলোর প্রধান উৎস হলো বৃষ্টির পানি। বাঁশবন এই বৃষ্টির পানিকে সরাসরি নিচে নেমে যেতে না দিয়ে ধীর গতিতে ভূগর্ভস্থ স্তরে শোষণ করতে সাহায্য করে। বাঁশের শিকড় এবং পাতার স্তর বৃষ্টির পানিকে ধীরে ধীরে ফিল্টার করে এবং ভূগর্ভে জমা করে। এই প্রক্রিয়াটি একটি বিশাল প্রাকৃতিক স্পঞ্জ’-এর মতো কাজ করে। এটি বর্ষাকালে অতিরিক্ত পানি শোষণ করে এবং শুষ্ক মৌসুমে সেই পানিকে ধীরে ধীরে ছেড়ে দেয়, যা ঝর্ণা ও ছড়াগুলোতে সারা বছর পানি সরবরাহ অব্যাহত রাখে। এই প্রাকৃতিক পরিস্রাবণ প্রক্রিয়ার কারণে: ঝর্ণা ও ছড়ায় সারা বছর পানি থাকে: ভূমিক্ষয় ও ভূমিধস কমে: নির গুণমান ভালো থাকে: ভূগর্ভস্থ পানি বৃদ্ধি পায়:

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Our Like Page