মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:১১ অপরাহ্ন
Headline
বিশেষ অভিযানে ঢাকা জেলার ডিবি (দক্ষিণ) কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামীলীগ সংঘটনের ০২ (দুই) জন সক্রীয় সদস্যদের গ্রেফতার – জাতীয় ছাত্রশক্তির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হলেন দেবিদ্বারের কৃতি সন্তান রাকিবুল ইসলাম হৃদয় দেবিদ্বার পৌরসভার অর্থায়নে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু পরীক্ষার কিট সরবরাহ নবীনগরে তালীমে হিযবুল্লাহ ও যুব কাফেলার নবগঠিত কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত। সরাইলে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে দুর্ধর্ষ চুরি, আটক ১ বিপিএম পদক পেলেন কুমিল্লা ডিবির এসআই অর্ণব বড়ুয়া কুমিল্লায় আবারও কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ২৫৪,  ইমোতে প্রেম; কুমিল্লায় এসে ১৩ বছরের কিশোরী ধর্ষণের শিকার চালকের যোগসাজশে দস্যুতা, স্বর্ণ-ফোন উদ্ধার দাউদকান্দিতে দুইজন গ্রেপ্তার দেবিদ্বারে ‘নৈরাজ্য ও নাশকতার’ প্রতিবাদে যুবদলের মিছিল ও সমাবেশ
Headline
Wellcome to our website...
“পহেলা বৈশাখ: উৎসব, না কি ইতিহাসের এক ভুল ব্যাখ্যা?
/ ১৪৫ Time View
Update : শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৩৩ অপরাহ্ন

“পহেলা বৈশাখ: উৎসব, না কি ইতিহাসের এক ভুল ব্যাখ্যা?

✍️”পহেলা বৈশাখকে “হাজার বছরের ঐতিহ্য” বলা হয়—কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। এর বয়স বড়জোর সাড়ে চারশো বছর। শুরুতেই এটা কোনো আনন্দ উৎসব ছিল না;বরং ছিল খাজনা আদায়ের একটি প্রশাসনিক ব্যবস্থা, যার সঙ্গে সাধারণ মানুষের সুখের সম্পর্ক খুব কমই ছিল।
মুঘল সম্রাট আকবর ১৫৮৪ সালে চালু করেন “বঙ্গাব্দ” বা ফসলি সন। এর উদ্দেশ্য ছিল একটাই—কৃষকদের কাছ থেকে নিয়মমাফিক খাজনা আদায় নিশ্চিত করা। আগে খাজনা নেওয়া হতো হিজরি সন অনুযায়ী, যা চান্দ্রবর্ষ (৩৫৪ দিন)। ফলে ফসল তোলার সময়ের সঙ্গে খাজনা আদায়ের সময় মিলত না। কৃষকের ঘরে ফসল না থাকলেও খাজনা দিতে হতো—সমস্যা বাড়তেই থাকত।
এই অসামঞ্জস্য দূর করতে সৌরবর্ষের সঙ্গে মিলিয়ে নতুন সন চালু করা হয়। পহেলা বৈশাখ নির্ধারিত হয় খাজনা আদায়ের দিন—‘পুণ্যাহ’। ব্যবসায়ীদের কাছে এটি ‘হালখাতা’। উৎসবের মোড়কে এটি ছিল এক ধরনের অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের দিন।
আজকের উদযাপনের মধ্যেও সেই “গোঁজামিল” স্পষ্ট। বাংলাদেশে পহেলা বৈশাখ ১৪ এপ্রিল, আর পশ্চিমবঙ্গে ১৫ এপ্রিল। পঞ্জিকা নির্ধারণে একক কোনো ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতা নেই। বাংলাদেশে বাংলা একাডেমি নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়। দিন শুরুর বিষয়েও মতভেদ—আধুনিক গণনায় রাত ১২টা,আর ঐতিহ্যে সূর্যোদয়।
সবচেয়ে বড় প্রশ্ন আসে বর্তমান “সংস্কৃতি” নিয়ে। পান্তা-ইলিশ এখন পহেলা বৈশাখের প্রতীক—কিন্তু এটি প্রাচীন ঐতিহ্য নয়, বরং সাম্প্রতিক সময়ের একটি নগরকেন্দ্রিক ট্রেন্ড। বাস্তবে অধিকাংশ বাঙালির দৈনন্দিন খাবারে ইলিশ থাকে না; থাকে টেংরা,পুঁটি, শুঁটকি,শাকসবজি।
অর্থাৎ, যেটিকে আমরা আজ “ঐতিহ্য” বলছি, তার বড় অংশই তৈরি হয়েছে সময়ের সঙ্গে,নানা সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিবর্তনের মাধ্যমে। ইতিহাসের সঙ্গে বর্তমানের এই ব্যবধান বুঝতে না পারলে,বাস্তবতা আর আবেগ এক হয়ে যায়।

আবার লক্ষনীয় যে ১৯৯৬ সালের দিকে তাকালে লক্ষ্য করা যায় যে মূতির প্রচলন ছিল না- মঙ্গল শোভাযাত্রা নামে বর্তমানে এই মূর্তির সংস্কৃতি কারা ঢুকালো প্রশ্ন থেকে যায়??

👉 আলহামদুলিল্লাহ্”🥁
“শুধু বছরে একদিন পান্তা ভাত,পাঠ শাক শুটকি ভর্তা নয়। আমি বাঙালি এটা আমার রোজ দিনের খাবার এটাই আমার সংস্কৃতি,কারণ আমি বাঙালি এটা আমার প্রতিদিনের জীবন,
প্রতিদিনের চর্চা। But
🪈🪈”সংস্কৃতি আমার কাছে উৎসবের সাজ নয়,এটা আমার পরিচয়।🥁

মোঃ রেজাউল করিম –
মানবাধিকার ও গণমাধ্যম কর্মী
“📺”Ktv 24″(London).
ও”24hrstv.(ভারত).
সহ-সভাপতিঃ-“ভালুকা সেন্টার প্রেস ক্লাব” ভালুকা,ময়মনসিংহ।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Our Like Page