
সাভার, আমিন বাজার রাজস্ব সার্কেলের দুর্নীতির শেষ কোথায়? জানতে চাই সচেতন মহল ।
মোঃ ইমরান মোল্লা
স্টাফ রিপোর্টার
ঢাকা জেলায় সাভার আমিনবাজার রাজস্ব সার্কেলে মধ্যে দুর্নীতির তীব্র আকার ধারণ করছে । মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে , সরকারি সংশোধিত গেজেট “ক”তালিকার নামজারির বা মিউটেশনসহ খাজনা প্রতিনিয়তই কমপ্লিট করে দেন ,এসিল্যান্ড সহ আঞ্চলিক ভূমি উপ কর্মকর্তা (নায়েব) মোঃ বিল্লাল হোসেন । প্রাইম টেলিভিশনের নিকটে ঠিক , তেমনি একটা তথ্য এসেছে । গোপন সূত্রে জানা যায় ,ভূমি সেক্টরে আন্ডারগ্রাউন্ডে রয়েছে বিশাল বড় একটি চক্র । সরকারি রাজস্ব কে ফাঁকি দিয়ে ,প্রতিনিয়ত পকেট ভারি করছে কিছু কুচক্র মহল । আন্ডারগ্রাউন্ডে রয়েছে তাদের বিশাল বিলাসিতা । এদের মধ্যে অনেকের রয়েছে একাধিক ফ্লাট । তেমনি রয়েছে আমিনবাজার ইউনিয়ন ভূমি অফিসের মধ্যে আরেকটি শাখা বিরুলিয়া ইউনিয়ন ক্যাম্প ভূমি অফিসে ,তথ্য সংগ্রহের সময় ,ভূমি কর্মকর্তা মোঃ বিল্লাল হোসেন জানান ,তাহার অফিসের কোন তথ্য তিনি দিতে পারিবেন না । ক্যামেরা দিয়ে অফিসের ভিডিও ধারণ করা যাবে না । এমনই একটি নিষেধাজ্ঞা জারি করেন আঞ্চলিক ভূমি উপ কর্মকর্তা(নায়েব ) বিল্লাল হোসেন । তিনি বলেন , ভূমি অফিসে ভিডিও করা কোন সাংবাদিকের কাজ নয়। সাংবাদিকের কাজ থাকলে বাইরে ভিডিও ধারণ করা অফিসে তাদের কি কাজ? সরকারি বেতন বিহীন ভাবে আমিনবাজার রাজস্ব সার্কেলে ৩৫ থেকে ৪০ জন ওমেদার কাজ করে ভূমি সেক্টরে । সরকারি স্বার্থ জড়িত ফাইল গুলা ছেড়ে তাদের মোটা অংকের ইনকাম সোর্স বৃদ্ধি পায় । এভাবেই চলেন প্রত্যেকটা ভূমি সেক্টরের অমেদারগণ ।
সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি সাভার আমিন বাজার রাজস্ব সার্কেলে গোপন সূত্রে গোয়েন্দা মোতায়েন করার জন্য বিশেষ অনুরোধ জানাচ্ছি । ভূমি সরকারি স্টাফ ব্যতীত ,বাহিরের অমেনদারগণ দের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার লক্ষ্যে বিশেষ অনুরোধ জানাই।
এবং পুরো ভূমি সেক্টর টা নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রতিনিয়ত জেলা প্রশাসকের দায়িত্বে থাকবে ক্যামেরার চেকিং ।
এভাবে কার্যক্রম সম্পন্ন হইলে ভূমি সেক্টরের অমেদারএবং দুর্নীতি সংখ্যা কমে যাবে ।স্বস্তি ফিরে আসবে এলাকার সচেতন মহলের ।

