
অভিন্ন প্রশ্নে একটি পরীক্ষা বর্জন করলেন শিক্ষার্থীরা
পীরগাছায় শিক্ষার্থীকে থাপ্পার মারাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট উত্তপ্ত হওয়া পরিবেশ শান্ত করলেন জামায়াত নেতা মুকুলের।
মো: মফিদুল ইসলাম সরকার (স্টাফ রিপোর্টার, বাংলাদেশ ):
রংপুরের পীরগাছা উপজেলার তাম্বুলপুর ইউনিয়নের নটাবাড়ী বাড়ি দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর একজন শিক্ষার্থীকে বাহিরের শিক্ষার্থী থাপ্পার মারাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট উত্তাপ্ত হওয়া পরিবেশ শান্ত করলেন পীরগাছা উপজেলা জামায়াত আমীর বজলুলর রশিদ মুকুল।
নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী মহিবুল্লাহ বলেন, আমাদের প্রধান শিক্ষক মো: জাহাঙ্গীর কবীর স্যার হঠাৎ করে বিদ্যালয়ে আসার কারনে পরিবেশ কিছুটা উত্তপ্ত হয়ে যায়। আমাদের সাথে স্যার কথা চলছি। স্যারের বিরুদ্ধে করা অভিযোগ গুলো যে খানে তদন্ত চলছে, সেখানে তিনি কিভাবে বিদ্যালয়ে যোগদান করলেন? এই সব বিষয়গুলো নিয়ে কথা আমাদের চলছি। এসময় হঠাৎ করে স্থানীয় সোহাগ নামের একজন ছেলে আমাদের বিদ্যালয়ে প্রবেশ করেন এবং আমাদের মেয়েদের ছবি উঠানোর চেষ্ঠা করেন। আমরা তাকে বাধা দিতে গেলে তিনি আমাকে বাধরুমে নিয়ে গিয়ে দুইটি ঠাপ্পার মারেন। আমরা বিষয়টি নিয়ে প্রধান শিক্ষকের কাছে অভিযোগ করি।একই সাথে আমরা পরীক্ষা না দেওয়া ঘোষনা নেই। আমরা সকল শিক্ষার্থী সকালের পরীক্ষায় বর্জন করেছি।
এদিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পীরগাছা উপজেলা আমীর বজলুল রশিদ মুকুল বলেন, আমি শিক্ষার্থীদের দায়িত্ব নিয়েছি। একই সাথে বহিরাগত শিক্ষার্থীর উপযুক্ত বিচার করতে বলেছি । যদি বহিরাগত শিক্ষার্থীর উপযুক্ত বিচার না করা হয়, তাহলে আমরা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। তিনি এসময় বলেন কোন বহিরাগত এসে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীকে আঘাত করার কোন সুযোগ নাই। যে হেতু অভিন্ন প্রশ্নে উপজেলার সকল বিদ্যালয়ের বার্ষিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই কারনে নতুন ভাবে প্রশ্ন তৈরি করে পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক মো: জাহাঙ্গীর কবীর বলেন, শিক্ষার্থীরা এ বিষয়ে বিষয়টি আমাকে অভিযোগ করেছেন, আমি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
প্রধান শিক্ষক মো: জাহাঙ্গীর কবীর এসময় আরোও বলেন, আমি বিদ্যালয়ের পরিবেশ ঠিক রাখার জন্য সব কিছুই করতে রাজি আছি। আমি বিদ্যালয়ের আর্থিক বিষয়টি দেখবো না।

