
ছয়সূতী বাসস্ট্যান্ডে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে ‘জশনে জুলুস’ থেকে হক্বপন্থী ও তরিকতপন্থীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
কিশোরগন্জ কটিয়াদি
স্টাফ রিপোর্টাস :বায়েজিদ বোস্তামি
এতে সংঘর্ষ ফেরাতে গিয়ে মীর মোহাম্মদ মিলন নামে একজন নিহত ও কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছেন
• নিহত ব্যবসায়ী মীর মোহাম্মদ মিলন (৫২) ছয়সূতী পূর্বপাড়া জমির উদ্দিন জাবু মিয়ার ছেলে ও উপজেলা বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য
• জানা যায়, ১৫ সেপ্টেম্বর ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষ্যে সৈয়দ আবু মোহাম্মদ মঞ্জুরুল হামিদ (রহ.) মাজারে ওয়াজ মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল গিয়াস উদ্দিন আত্ব-তাহেরীর। এতে বাধা দেন কুলিয়ারচর ইমাম উলামা পরিষদের নেতারা। গিয়াস উদ্দিন আত্ব-তাহেরী যাতে মাহফিলে উপস্থিত না হয় এ নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি আবেদন করেন ইমাম উলামা পরিষদের নেতৃবৃন্দ। ইমাম উলামা পরিষদের আবেদনের প্রেক্ষিতে গিয়াস উদ্দিন আত্ব-তাহেরীকে মাহফিলে আসতে নিষেধাজ্ঞা দেন প্রশাসন। নিষেধাজ্ঞা দেন ইমাম উলামা পরিষদের আয়োজিত সিরাত মাহফিলেও। পরে ১২ রবিউল আউয়ালের ধর্মীয় আচার আচরণে দুই পন্থীদের একটি রোডম্যাপ তৈরি করে দেন প্রশাসন। তারপরও দ্বন্দ্বের শেষ হয়নি। প্রশাসনের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ১২ রবিউল আউয়াল তরিকতপন্থীর লোকজন জশনে জুলুস বের করে। তবে এই জশনে জুলুসের জন্যও নির্দিষ্ট রাস্তা ঠিক করে দেন প্রশাসন। তা অমান্য করে মিছিল নিয়ে বাজারে ঢুকে পড়ে তরিকতপন্থীরা। বাজারে জশনে জুলুস ঢোকা মাত্রই রাস্তার পাশে থাকা মসজিদে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে ভাঙচুর শুরু করে তরিকতপন্থীর লোকজন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকার লোকজন, ছয়সূতী বাজারে অবস্থিত খাদেমুল ইসলাম হোসাইনীয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসার ছাত্ররাসহ ইমাম উলামা পরিষদের সদস্যরা ক্ষিপ্ত হয়ে সৈয়দ আবু মোহাম্মদ মঞ্জুরুল হামিদ (রহ.) মাজারে ভাঙচুর চালায়। চলে তরিকতপন্থী লোকজন ও হক্বপন্থী লোকজনের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে

