
দশনা কেরু চিনিকলে চরম অনিয়মের অভিযোগ।
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি : ২৮-১০-২৪
চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনা কেরু চিনিকলের মৌসুমি শ্রমিক ও কর্মচারি সমন্বয়ে দুর্নিতি ও অনিয়মের অভিযোগে শিল্প মন্ত্রণালয়ের দুজন অতিরিক্ত ও যুগ্ম সচিব এবং বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্যশিল্প করপোরেশন সচিবকে প্রধান করে তদন্ত কাজ শুরু করেছে। কেরুর সাবেক এম ডি সহ ৫ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তবে শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সাধারন সম্পাদক মাসুদুর রহমান অনুপস্থিত ছিলেন। আজ সোমবার ২৮ অক্টোবর থেকে এই তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
কেরু চিনিকল সুত্রে জানা যায় চলতি বছরের ১৩ ও ১৪ মে ২০২৪ তারিখ সারা দেশের চিনিকলের শ্রমিক ও কর্মচারিদের মৌসুমি থেকে স্হায়ী করনের জন্য মৌখিক ও লিখিত পরিক্ষা নেয়া হয়। পরদিন ১৫ মে তারিখ প্রার্থী যাচাই বাচাই করার সময় বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্যশিল্প করপোরেশনের ততকালিন সচিব চৌধুরী রুহুল আমিন কায়ছার স্বাক্ষরিত এক জরুরী পত্রে সব চিনিকলের শ্রমিক ও কর্মচারিদের মৌসুমি থেকে স্হায়ী করন প্রক্রিয়া স্হগিত করার নির্দেশ দেন। কিন্ত সদর দপ্তরের নির্দেশ পাওয়ার পর অন্যান্য চিনিকল নিয়োজন বা সমন্বয় করা বন্ধ রাখলেও কেরু চিনিকল কতৃপক্ষ ১০৪ জনকে ১৫ মে তারিখ সমন্বয় নিয়োজন স্হায়ী করন চিঠি ও একই দিন যোগদান করান। এতো অল্প সময় ও তড়িঘড়ি করে সমন্বয় ও যোগদানের বিষয়টি চিনি করপোরেশনের নজরে আসে এবং ততকালিন করপোরেশন চোয়ারম্যান জনাব শেখ সোয়েবুল আলম (গ্রেড-১) কেরুতে শ্রমিক কর্মচারি সমন্বয়ে চাকরির বিধি লংঘন করার অভিযোগে ১৭ মে তারিখ কেরুর সাবেক এম ডি মোহাম্মদ মোশারফ হোসেনকে ব্যাখ্যা চেয়ে একটি জরুরী পত্র প্রেরন করেন। অবশেষে গন প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারে শিল্প মন্ত্রণালয়ের মাননীয় অতিরিক্ত সচিব (পরিকল্পনা) জনাব শামিমুল হক ও যুগ্ম সচিব (অর্থ) জনাব মনিরুজ্জামান মিয়া এবং বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্যশিল্প করপোরেশন সচিব জনাব আনোয়ার কবিরকে তদন্ত কমিটির সদস্য সচিব করে আজ সোমবার থেকে তদন্ত শুরু করেছে। কেরুর গেস্ট হাউজে সোমবার সকাল থেকে কেরুর সাবেক এম ডি মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন,কেরুর শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ফিরোজ আহম্মেদ সবুজ,কর্মচরি আঃ মান্নান, কর্মচারি মহিদুল ইসলাম,কর্মচারি আব্দুল্লাহ আল মামুন ও একজন সদ্য মারা যাওয়া মৌসুমি কর্মচারি ইউসুপ আলির স্ত্রী ও মেয়েকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন।
এ বিষয়ে তদন্ত কমিটির সদস্য সচিব ও বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্যশিল্প করপোরেশন সচিব আনোয়ার কবির বলেন তদন্তের কাজ চলমান রয়েছে। তদন্ত কাজ শেষ হলে জানতে পারবেন।

