বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:৪৫ পূর্বাহ্ন
Headline
কুমিল্লার ১১ আসনের মধ্যে প্রথমবার সংসদে গেলেন ৬ জন এমপি” ময়মনসিংহ জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হলেন ভালুকা মডেল থানার ওসি মোঃ জাহিদুল ইসলাম বাগেরহাটে সংরক্ষিত নারী আসনে রেনজিনা আহমেদ প্রিয়াংকাকে মনোনয়নের দাবি তৃণমূলের ৫নং বরুমচড়া ইউনিয়নের অন্তর্গত ৭নং ওয়ার্ড অকদার বাড়ি ইয়াং সোসাইটি কর্তৃক আয়োজিত প্রথমবারের মতো মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬ইং এর উদ্বোধনী ও খেলায় অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত খেলায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সেনাপ্রধানের সাক্ষাৎ ৩০ আসনে কারচুপির অভিযোগ, পুনর্গণনাসহ আইনি পদক্ষেপে যাচ্ছে জামায়াত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০টি আসনে ভোট কারচুপির অভিযোগ তুলেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এসব আসনে ভোটের ফলাফল স্থগিত ও পুনর্গণনাসহ আইনি পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও মুখপাত্র এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এমনটা জানান তিনি। এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, দেশের মানুষ একটি সুষ্ঠু, সুন্দর নির্বাচন আশা করেছে। ইতোমধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। যদিও সেই নির্বাচনে অনেক ক্ষেত্রেই কারচুপি-জালিয়াতি হয়েছে এবং ভোট প্রদানের ক্ষেত্রে বাধা দেয়া হয়েছে। এজেন্টদের বের করে দেয়াসহ বিভিন্ন ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছে, যা আমরা আগেও বলেছি। জামায়াতের এই সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, এখন পর্যন্ত আমরা প্রায় ৩০টি আসনে এ ধরনের চরম অব্যবস্থাপনা দেখেছি। যেখানে ভোট জালিয়াতি হয়েছে, কারচুপি হয়েছে। যেসব কাগজ (রেজাল্ট শিট) দেয়া হয়েছে, সেখানে ওভাররাইটিং (কাটাকাটি) হয়েছে, ঘষামাজা হয়েছে। আমরা নির্বাচনের দিনও এসব বিষয়গুলো তাৎক্ষণিকভাবে রিটার্নিং অফিসারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানিয়েছিলাম। কিছু আসনে ফল দ্রুত দেয়া হলেও ইচ্ছে করেই কিছু আসনে ফলাফল দেয়া হয়নি। যেমন ঢাকার কয়েকটি আসনে আমরা ভোর ৫টায় গিয়ে নির্বাচনের রেজাল্ট পেয়েছি। তিনি বলেন, যেসব আসনগুলোয় আমরা এ ধরনের নির্বাচনি অব্যবস্থাপনা দেখেছি এবং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট যে আচরণবিধি সেটি মানা হয়নি, এসব আসনের বিষয়ে আমরা স্থানীয়ভাবে রিটার্নিং অফিসার অথবা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা যারা আছেন, তাদের জানিয়েছি। ভোট পুনর্গণনার জন্য সংশ্লিষ্টদের আমরা আহ্বান জানিয়েছি। এ বিষয়ে আমরা নির্বাচন কমিশনকেও জানাব এবং এই ব্যাপারে সম্ভাব্য সব ধরনের আইনি পদক্ষেপ নেয়ার সুযোগ আছে এবং আমরা সেসব পদক্ষেপ নেবো। নির্বাচন পরবর্তী সময়ে কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হিসেবে আমাদের ওপর, আমাদের সমর্থক, এজেন্ট এবং ক্ষেত্রবিশেষে মহিলাদের ওপর হামলা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে এমন শতাধিক ঘটনা ঘটেছে। আমরা সবগুলোর তথ্য নিয়মিত সংগ্রহ করছি। গণমাধ্যমেও এসব তথ্য উঠে আসছে। বিভিন্ন জায়গায় সহিংসতার ঘটনায় মৃত্যুবরণের ঘটনাও ঘটেছে। হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন, পরে মৃত্যুবরণ করেছেন এমনকিছু ঘটনাও ঘটেছে। এ সময় বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় মৃত্যু ও আহত হওয়ার তথ্য তুলে ধরে নতুন বাংলাদেশে সহিংসতামুক্ত বাংলাদেশের প্রত্যাশা করেন তিনি। উৎস: চ্যানেল24 ব্রাহ্মণপাড়ায় ব্রান্ডশপ লোটো ও লি কুপার আউটলেট শুভ উদ্বোধন ব্রাহ্মণপাড়ায় গভীর রাতে চান্দলায় গোয়ালঘরে আগুন, আড়াই লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি শত শত কোটি টাকার লুটপাট করে ‘সেফ এক্সিট’ নিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।  কুষ্টিয়ায় নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজাকে বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা
Headline
Wellcome to our website...
শিক্ষকদের হেনস্থা ও জোরপূর্বক অপসারণ বন্ধের দাবিতে মৌলভীবাজারে শিক্ষার্থীদের সমাবেশ
/ ৯৯ Time View
Update : বুধবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ৬:৪৬ অপরাহ্ন

শিক্ষকদের হেনস্থা ও জোরপূর্বক অপসারণ বন্ধের দাবিতে মৌলভীবাজারে শিক্ষার্থীদের সমাবেশ

তিমির বনিক,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:

মৌলভীবাজারসহ দেশ জুড়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জোরপূর্বক একটি বিশেষমহল শিক্ষকদেও হেনস্থা করে অপসারণ বন্ধের দাবিতে মৌলভীবাজারে সমাবেশ করেছে ‘নিপীড়নের বিরুদ্ধে আমরা’ নামক একটি সংগঠন। মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জেলা শহরের শহীদ মিনার ফটকের সামনে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বিশ্বজিৎ নন্দী এবং সঞ্চালনা করেন ইম্পেরিয়াল কলেজের শিক্ষার্থী জুলী আক্তার। বক্তব্য রাখেন, অভিভাবক ও সামাজিক সংগঠনের সংগঠক খসরু চৌধুরী, আইনজীবী এডভোকেট আবুল হাসান, এডভোকেট ফারজানা বিপুল, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক ছাত্রনেতা রাজিব সূত্রধর, শিক্ষার্থী মো. সালাউদ্দিন, রেহনুমা রশিদ নুরি, জুবায়েল আহমেদ, জিসান চৌধুরী, সালমান সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।

সমাবেশে মৌলভীবাজার সরকারি কলেজ, মহিলা সরকারি কলেজ, শাহ মোস্তফা কলেজ, কাশিনাথ স্কুল এন্ড কলেজ, ইম্পেরিয়াল কলেজ, মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, আলী আমজাদ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, হাফিজা খাতুন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং বিভিন্ন মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, স্বৈরাচার হাসিনা সরকারের পতনে ছাত্র সমাজ জীবনবাজি রেখে তার ওপর অর্পিত ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালন করেছে। শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেলে যখন প্রশাসন মাঠে নেই সেই সময়েও এই ছাত্র সমাজ অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবেই রাষ্ট্র পরিচালনা করেছে। কোথাও কোনো বিশৃঙ্খলা তৈরি হয় নাই। ছাত্রসমাজ তা দেখিয়ে দিয়েছে কিভাবে স্বদিচ্ছা থাকলে দেশকে সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনা করা যায়। এমনকি এই বন্যায়ও আমাদের এই ছাত্র সমাজ সবচেয়ে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছে। কিন্তু দেখার বিষয় এরই মধ্যে সারাদেশের বেশ কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা জোরপূর্বক শিক্ষককে পদত্যাগ করতে বাধ্য করেছেন। যে শিক্ষার্থীরা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন নিয়ে স্বৈরাচার হাসিনার পতন নিশ্চিত করলো, সেই ছাত্র সমাজ কোন ভাবে আইন পরিপন্থী কোন কাজে যুক্ত থাকতে পারে না। আমাদের একদল আদর্শ শিক্ষক সমাজ দরকার, তাই বলে যদি শিক্ষকদের উপর হাত তুলি কিংবা উনাদের অপদস্ত করি কিংবা জোরপূর্বক অপসারণের মতো কাজে লেগে যাই তাহলে কি এই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে? সমস্যার সমাধানের চেয়ে নতুন করে আরও সমস্যা তৈরি হবে।
তারা বলেন, দেশে যেহেতু আইন ব্যবস্থা রয়েছে ফলে নাগরিক হিসেবে আমাদের আইনের মাধ্যমেই কুচক্রী শিক্ষকদের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। স্বৈরাচার হাসিনার শাসনামলে দেশে আইনের শাসন ছিলো না। তখন আওয়ামী লীগের কথার অবাধ্য হলেই শিক্ষকদেরকে তারা লাঞ্ছিত করতো, নির্যাতন করতো। আবার এই শিক্ষকদের নির্যাতনের বিরুদ্ধে ক্যাম্পাসে বা রাজপথে আবার ছাত্ররাই শিক্ষক নির্যাতন-নিপীড়নের বিরুদ্ধে দাবি তুলে ছিলো। কিন্তু আমরা এ-ও দেখেছি দলীয় প্রভাব কাটিয়ে বা দালালী করতেও অনেক শিক্ষকদের বিবেকেও বাঁধে নাই। এমন দুশ্চরিত্রের শিক্ষকদের উপযুক্ত প্রমাণসরূপ চিহ্নিত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসলে তবেই না ভালো কিছু প্রতিফলিত হবে। জোরপূর্বক অপসারণের মতো কাজে আমরা যুক্ত না হয়ে শিক্ষকদের যথাযথ সম্মান প্রদর্শনপূর্বক প্রচলিত আইনের মাধ্যমে বা যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তদন্ত সাপেক্ষে পদক্ষেপ নিতে সহায়তা করি এবং সবাই মিলে একটা সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে ঐক্যবদ্ধ কাজ চালিয়ে যাই। এবং যেখানে অন্যায় সেখানে আমরা একসাথে মোকাবেলা করতে সচেষ্ট থাকি। আমরা সবাই মিলে একটা বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গড়তে সকলে বদ্ধপরিকর।
০১৭৪৫৯৩৯৪৪৮

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
৩০ আসনে কারচুপির অভিযোগ, পুনর্গণনাসহ আইনি পদক্ষেপে যাচ্ছে জামায়াত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০টি আসনে ভোট কারচুপির অভিযোগ তুলেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এসব আসনে ভোটের ফলাফল স্থগিত ও পুনর্গণনাসহ আইনি পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও মুখপাত্র এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এমনটা জানান তিনি। এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, দেশের মানুষ একটি সুষ্ঠু, সুন্দর নির্বাচন আশা করেছে। ইতোমধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। যদিও সেই নির্বাচনে অনেক ক্ষেত্রেই কারচুপি-জালিয়াতি হয়েছে এবং ভোট প্রদানের ক্ষেত্রে বাধা দেয়া হয়েছে। এজেন্টদের বের করে দেয়াসহ বিভিন্ন ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছে, যা আমরা আগেও বলেছি। জামায়াতের এই সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, এখন পর্যন্ত আমরা প্রায় ৩০টি আসনে এ ধরনের চরম অব্যবস্থাপনা দেখেছি। যেখানে ভোট জালিয়াতি হয়েছে, কারচুপি হয়েছে। যেসব কাগজ (রেজাল্ট শিট) দেয়া হয়েছে, সেখানে ওভাররাইটিং (কাটাকাটি) হয়েছে, ঘষামাজা হয়েছে। আমরা নির্বাচনের দিনও এসব বিষয়গুলো তাৎক্ষণিকভাবে রিটার্নিং অফিসারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানিয়েছিলাম। কিছু আসনে ফল দ্রুত দেয়া হলেও ইচ্ছে করেই কিছু আসনে ফলাফল দেয়া হয়নি। যেমন ঢাকার কয়েকটি আসনে আমরা ভোর ৫টায় গিয়ে নির্বাচনের রেজাল্ট পেয়েছি। তিনি বলেন, যেসব আসনগুলোয় আমরা এ ধরনের নির্বাচনি অব্যবস্থাপনা দেখেছি এবং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট যে আচরণবিধি সেটি মানা হয়নি, এসব আসনের বিষয়ে আমরা স্থানীয়ভাবে রিটার্নিং অফিসার অথবা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা যারা আছেন, তাদের জানিয়েছি। ভোট পুনর্গণনার জন্য সংশ্লিষ্টদের আমরা আহ্বান জানিয়েছি। এ বিষয়ে আমরা নির্বাচন কমিশনকেও জানাব এবং এই ব্যাপারে সম্ভাব্য সব ধরনের আইনি পদক্ষেপ নেয়ার সুযোগ আছে এবং আমরা সেসব পদক্ষেপ নেবো। নির্বাচন পরবর্তী সময়ে কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হিসেবে আমাদের ওপর, আমাদের সমর্থক, এজেন্ট এবং ক্ষেত্রবিশেষে মহিলাদের ওপর হামলা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে এমন শতাধিক ঘটনা ঘটেছে। আমরা সবগুলোর তথ্য নিয়মিত সংগ্রহ করছি। গণমাধ্যমেও এসব তথ্য উঠে আসছে। বিভিন্ন জায়গায় সহিংসতার ঘটনায় মৃত্যুবরণের ঘটনাও ঘটেছে। হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন, পরে মৃত্যুবরণ করেছেন এমনকিছু ঘটনাও ঘটেছে। এ সময় বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় মৃত্যু ও আহত হওয়ার তথ্য তুলে ধরে নতুন বাংলাদেশে সহিংসতামুক্ত বাংলাদেশের প্রত্যাশা করেন তিনি। উৎস: চ্যানেল24
৩০ আসনে কারচুপির অভিযোগ, পুনর্গণনাসহ আইনি পদক্ষেপে যাচ্ছে জামায়াত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০টি আসনে ভোট কারচুপির অভিযোগ তুলেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এসব আসনে ভোটের ফলাফল স্থগিত ও পুনর্গণনাসহ আইনি পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও মুখপাত্র এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এমনটা জানান তিনি। এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, দেশের মানুষ একটি সুষ্ঠু, সুন্দর নির্বাচন আশা করেছে। ইতোমধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। যদিও সেই নির্বাচনে অনেক ক্ষেত্রেই কারচুপি-জালিয়াতি হয়েছে এবং ভোট প্রদানের ক্ষেত্রে বাধা দেয়া হয়েছে। এজেন্টদের বের করে দেয়াসহ বিভিন্ন ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছে, যা আমরা আগেও বলেছি। জামায়াতের এই সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, এখন পর্যন্ত আমরা প্রায় ৩০টি আসনে এ ধরনের চরম অব্যবস্থাপনা দেখেছি। যেখানে ভোট জালিয়াতি হয়েছে, কারচুপি হয়েছে। যেসব কাগজ (রেজাল্ট শিট) দেয়া হয়েছে, সেখানে ওভাররাইটিং (কাটাকাটি) হয়েছে, ঘষামাজা হয়েছে। আমরা নির্বাচনের দিনও এসব বিষয়গুলো তাৎক্ষণিকভাবে রিটার্নিং অফিসারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানিয়েছিলাম। কিছু আসনে ফল দ্রুত দেয়া হলেও ইচ্ছে করেই কিছু আসনে ফলাফল দেয়া হয়নি। যেমন ঢাকার কয়েকটি আসনে আমরা ভোর ৫টায় গিয়ে নির্বাচনের রেজাল্ট পেয়েছি। তিনি বলেন, যেসব আসনগুলোয় আমরা এ ধরনের নির্বাচনি অব্যবস্থাপনা দেখেছি এবং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট যে আচরণবিধি সেটি মানা হয়নি, এসব আসনের বিষয়ে আমরা স্থানীয়ভাবে রিটার্নিং অফিসার অথবা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা যারা আছেন, তাদের জানিয়েছি। ভোট পুনর্গণনার জন্য সংশ্লিষ্টদের আমরা আহ্বান জানিয়েছি। এ বিষয়ে আমরা নির্বাচন কমিশনকেও জানাব এবং এই ব্যাপারে সম্ভাব্য সব ধরনের আইনি পদক্ষেপ নেয়ার সুযোগ আছে এবং আমরা সেসব পদক্ষেপ নেবো। নির্বাচন পরবর্তী সময়ে কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হিসেবে আমাদের ওপর, আমাদের সমর্থক, এজেন্ট এবং ক্ষেত্রবিশেষে মহিলাদের ওপর হামলা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে এমন শতাধিক ঘটনা ঘটেছে। আমরা সবগুলোর তথ্য নিয়মিত সংগ্রহ করছি। গণমাধ্যমেও এসব তথ্য উঠে আসছে। বিভিন্ন জায়গায় সহিংসতার ঘটনায় মৃত্যুবরণের ঘটনাও ঘটেছে। হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন, পরে মৃত্যুবরণ করেছেন এমনকিছু ঘটনাও ঘটেছে। এ সময় বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় মৃত্যু ও আহত হওয়ার তথ্য তুলে ধরে নতুন বাংলাদেশে সহিংসতামুক্ত বাংলাদেশের প্রত্যাশা করেন তিনি। উৎস: চ্যানেল24
Our Like Page