বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:০১ পূর্বাহ্ন
Headline
কুমিল্লার ১১ আসনের মধ্যে প্রথমবার সংসদে গেলেন ৬ জন এমপি” ময়মনসিংহ জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হলেন ভালুকা মডেল থানার ওসি মোঃ জাহিদুল ইসলাম বাগেরহাটে সংরক্ষিত নারী আসনে রেনজিনা আহমেদ প্রিয়াংকাকে মনোনয়নের দাবি তৃণমূলের ৫নং বরুমচড়া ইউনিয়নের অন্তর্গত ৭নং ওয়ার্ড অকদার বাড়ি ইয়াং সোসাইটি কর্তৃক আয়োজিত প্রথমবারের মতো মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬ইং এর উদ্বোধনী ও খেলায় অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত খেলায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সেনাপ্রধানের সাক্ষাৎ ৩০ আসনে কারচুপির অভিযোগ, পুনর্গণনাসহ আইনি পদক্ষেপে যাচ্ছে জামায়াত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০টি আসনে ভোট কারচুপির অভিযোগ তুলেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এসব আসনে ভোটের ফলাফল স্থগিত ও পুনর্গণনাসহ আইনি পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও মুখপাত্র এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এমনটা জানান তিনি। এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, দেশের মানুষ একটি সুষ্ঠু, সুন্দর নির্বাচন আশা করেছে। ইতোমধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। যদিও সেই নির্বাচনে অনেক ক্ষেত্রেই কারচুপি-জালিয়াতি হয়েছে এবং ভোট প্রদানের ক্ষেত্রে বাধা দেয়া হয়েছে। এজেন্টদের বের করে দেয়াসহ বিভিন্ন ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছে, যা আমরা আগেও বলেছি। জামায়াতের এই সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, এখন পর্যন্ত আমরা প্রায় ৩০টি আসনে এ ধরনের চরম অব্যবস্থাপনা দেখেছি। যেখানে ভোট জালিয়াতি হয়েছে, কারচুপি হয়েছে। যেসব কাগজ (রেজাল্ট শিট) দেয়া হয়েছে, সেখানে ওভাররাইটিং (কাটাকাটি) হয়েছে, ঘষামাজা হয়েছে। আমরা নির্বাচনের দিনও এসব বিষয়গুলো তাৎক্ষণিকভাবে রিটার্নিং অফিসারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানিয়েছিলাম। কিছু আসনে ফল দ্রুত দেয়া হলেও ইচ্ছে করেই কিছু আসনে ফলাফল দেয়া হয়নি। যেমন ঢাকার কয়েকটি আসনে আমরা ভোর ৫টায় গিয়ে নির্বাচনের রেজাল্ট পেয়েছি। তিনি বলেন, যেসব আসনগুলোয় আমরা এ ধরনের নির্বাচনি অব্যবস্থাপনা দেখেছি এবং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট যে আচরণবিধি সেটি মানা হয়নি, এসব আসনের বিষয়ে আমরা স্থানীয়ভাবে রিটার্নিং অফিসার অথবা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা যারা আছেন, তাদের জানিয়েছি। ভোট পুনর্গণনার জন্য সংশ্লিষ্টদের আমরা আহ্বান জানিয়েছি। এ বিষয়ে আমরা নির্বাচন কমিশনকেও জানাব এবং এই ব্যাপারে সম্ভাব্য সব ধরনের আইনি পদক্ষেপ নেয়ার সুযোগ আছে এবং আমরা সেসব পদক্ষেপ নেবো। নির্বাচন পরবর্তী সময়ে কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হিসেবে আমাদের ওপর, আমাদের সমর্থক, এজেন্ট এবং ক্ষেত্রবিশেষে মহিলাদের ওপর হামলা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে এমন শতাধিক ঘটনা ঘটেছে। আমরা সবগুলোর তথ্য নিয়মিত সংগ্রহ করছি। গণমাধ্যমেও এসব তথ্য উঠে আসছে। বিভিন্ন জায়গায় সহিংসতার ঘটনায় মৃত্যুবরণের ঘটনাও ঘটেছে। হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন, পরে মৃত্যুবরণ করেছেন এমনকিছু ঘটনাও ঘটেছে। এ সময় বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় মৃত্যু ও আহত হওয়ার তথ্য তুলে ধরে নতুন বাংলাদেশে সহিংসতামুক্ত বাংলাদেশের প্রত্যাশা করেন তিনি। উৎস: চ্যানেল24 ব্রাহ্মণপাড়ায় ব্রান্ডশপ লোটো ও লি কুপার আউটলেট শুভ উদ্বোধন ব্রাহ্মণপাড়ায় গভীর রাতে চান্দলায় গোয়ালঘরে আগুন, আড়াই লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি শত শত কোটি টাকার লুটপাট করে ‘সেফ এক্সিট’ নিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।  কুষ্টিয়ায় নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজাকে বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা
Headline
Wellcome to our website...
সরকারি দায়িত্ব-রত অবস্থায় অসদাচরণ কারী ও রাষ্ট্রদ্রোহী দের কে বিচারের আওতায় আনা হোক” মুজিবুল হক চৌধুরী
/ ১১৭ Time View
Update : বুধবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৪, ৮:৪৩ পূর্বাহ্ন

সরকারি দায়িত্ব-রত অবস্থায় অসদাচরণ কারী ও রাষ্ট্রদ্রোহী দের কে বিচারের আওতায় আনা হোক”
মুজিবুল হক চৌধুরী

বিশেষ প্রতিদিনে (BD) 24hrsTV

জাতির প্রধান দাবি।
সম্প্রতি দেশের একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক বর্তমান দেশপ্রেমিক সরকারকে অসাংবিধানিক বলায় আমার এই লেখা। আমি মোহাম্মদ আমান উল্লাহ বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট
প্রথমে পরিষ্কার হওয়া দরকার সংবিধান জনগণের জন্য, না, জনগণ সংবিধানের জন্য? “জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস” সেই হিসাবে সংবিধান জনগনের জন্য এবং জনগণ দ্বারা নির্ধারিত। সংবিধান কি? সংবিধান হচ্ছে দেশের প্রধান আইন। আইনের অনেক শব্দার্থ থাকলেও আইনের অতি ছোট্ট একটি ব্যাখ্যা হচ্ছে “সর্বোচ্চ প্রতিকারই আইন”। আইনের একটি মতবাদ হচ্ছে “Ignorance of law is no excuse” অর্থাৎ কেউ যদি বলে আমি আইন জানিনা, সেই কারণে তার কোন ক্ষমা নেই। উক্ত মতবাদটি মতে নাবালক এবং পাগল ছাড়া সবাই আইন জানে। কারণ আইন অতি প্রাকৃতিক ব্যাপার। এটা মূলত বিবেক গত ব্যাপার। যার বিবেক আছে সে কোনটি আইনি কোনটি বে-আইনি সেটা বুঝতে পারে, ধরতে পারে। এটার জন্য আইন বিশারদ হতে হয় না। এখন বলা যাক বিবেক গত সব মতামতই কি আইন? বিবেক গত মতামত দুভাবে বিভক্ত। প্রথমত ধনাত্মক মতামত, দ্বিতীয়তঃ ঋণাত্মক মতামত। বিবেকের যেসব মতামত ভালো বিবেক (good conscience), সত্যতা (bonafide), সততা (fairness) স্বচ্ছতা (transparency), বিচারিকভাব (judicially), আইনগতভাবে (juristically), যুক্তিসঙ্গ ভাবে (reasonability), যৌক্তিকতা (rationality), ইত্যাদি ফ্যাক্টর দ্বারা পরিশুদ্ধ সেগুলোই ধনাত্মক মতামত বা বিবেক প্রসূত মতামত বা আইনগত মতামত। আর বিবেকের যেসব মতামত বিদ্বেষ (malice) অথবা বিদ্বেষপূর্ণ ভাবে নির্ধারিত (maliciously thought), অসততা (unfairness) অসৎ উদ্দেশ্য (mala fide intention) ইত্যাদি দ্বারা দূষিত সেগুলো ঋণাত্মক মতামত বা বিবেক বর্জিত মতামত, যেগুলি বেআইনি মতামত ও বটে।
৯০ এর গন আন্দোলনে তৎকালীন স্বৈর শাসককে হটিয়ে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা করার জন্য গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার টি সেই জনগণের ধনাত্মক তথা বিবেক প্রসূত মতামতের প্রতিফলন। নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক নিরপেক্ষ সরকার গঠনের বিধানটি দেশের সর্বস্তরের জনগণের সামগ্রিকভাবে বিবেক প্রসূত মতামত পূর্ণ বিধি ব্যবস্থা হওয়ায় জনগণের চাহিত মতে সবার ঐক্য মতের ভিত্তিতে পরবর্তীতে লিখিত সংবিধানে সংযোজিত করা হয়। আর সংবিধান অর্থাৎ দেশের প্রধান আইন হচ্ছে দেশের জন্য এবং জনগণের জন্য জনগণের সামগ্রিক ধনাত্মক তথা বিবেক প্রসূত মতামত পূর্ণ বিধান। শুধুমাত্র একটি লিখিত বই কিংবা পুস্তিকা সংবিধান নয়, যদি সেটাতে জনগণের সামগ্রিক ধনাত্মক মতামত পূর্ণ বিধান যথাযত ভাবে প্রতিফলিত না হয়।
২০২৪ সালে বাংলাদেশের আনাচে-কানাচে সর্বস্তরের ছাত্র জনতার গণ-আন্দোলনের মুখে পরাস্ত ও সমূলে উৎপাটিত পলাতক স্বৈরাচারী সরকার তাদের বিগত ১৬ বৎসরের দুঃশাসনের আমলে জনগণের সেই বিবেক প্রসূত ধনাত্মক মতামত পূর্ণ বিধানকে উপেক্ষা করে অসৎ উদ্দেশ্যে লিখিত সংবিধান থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিধানটি মুছে ফেলে ক্ষমতা চিরস্থায়ী করার ব্যবস্থা করে লেজুড় ভিত্তিক প্রশাসনের সহায়তায় জাতীয় নির্বাচনে নিশি রাতের ভোট, স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও দলীয়করণ করে তাদের লেজুড় ভিত্তিক প্রশাসনের সহায়তায় ভোট ডাকাতি, খুন, গুম, মামলা, হামলা, আয়না ঘর, শেয়ারবাজার লুট, ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি, ব্যাংক লোপাট, বিদেশে বেগম পাড়া গঠন, অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সাথে তো বটেই নিজেদের দলের মধ্যেও পরিবার তন্ত্র এবং বৈষম্যতা সৃষ্টি করে যার পর নাই কুকর্ম করেছে। যার ফলে বিগত পাঁচ আগস্ট ২০২৪ এই স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে সমগ্র বাংলাদেশের সর্বস্তরের ছাত্র জনতার মহা বিজয় সাধিত হয়। এই সমগ্র দেশের সর্বস্তরের ছাত্র-জনতার সামগ্রিকভাবে বিবেক প্রসূত এবং ধনাত্মক মতামতের ভিত্তিতেই বর্তমান সরকার গঠিত হয়েছে। ফলে এটি অবশ্যই সাংবিধানিক, কারণ সংবিধান হচ্ছে জনগণের সামগ্রিক বিবেচনা প্রসূত ধনাত্মক বিবেচনা পূর্ণ মতামত, এর বাইরে কিছু নয়। যারা এর বিরোধিতা করেছে বা বিরোধিতা করার ষড়যন্ত্র করছে তাদের বিরুদ্ধে সত্তর আইনি ব্যবস্থা নেয়া হোক।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
৩০ আসনে কারচুপির অভিযোগ, পুনর্গণনাসহ আইনি পদক্ষেপে যাচ্ছে জামায়াত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০টি আসনে ভোট কারচুপির অভিযোগ তুলেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এসব আসনে ভোটের ফলাফল স্থগিত ও পুনর্গণনাসহ আইনি পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও মুখপাত্র এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এমনটা জানান তিনি। এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, দেশের মানুষ একটি সুষ্ঠু, সুন্দর নির্বাচন আশা করেছে। ইতোমধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। যদিও সেই নির্বাচনে অনেক ক্ষেত্রেই কারচুপি-জালিয়াতি হয়েছে এবং ভোট প্রদানের ক্ষেত্রে বাধা দেয়া হয়েছে। এজেন্টদের বের করে দেয়াসহ বিভিন্ন ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছে, যা আমরা আগেও বলেছি। জামায়াতের এই সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, এখন পর্যন্ত আমরা প্রায় ৩০টি আসনে এ ধরনের চরম অব্যবস্থাপনা দেখেছি। যেখানে ভোট জালিয়াতি হয়েছে, কারচুপি হয়েছে। যেসব কাগজ (রেজাল্ট শিট) দেয়া হয়েছে, সেখানে ওভাররাইটিং (কাটাকাটি) হয়েছে, ঘষামাজা হয়েছে। আমরা নির্বাচনের দিনও এসব বিষয়গুলো তাৎক্ষণিকভাবে রিটার্নিং অফিসারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানিয়েছিলাম। কিছু আসনে ফল দ্রুত দেয়া হলেও ইচ্ছে করেই কিছু আসনে ফলাফল দেয়া হয়নি। যেমন ঢাকার কয়েকটি আসনে আমরা ভোর ৫টায় গিয়ে নির্বাচনের রেজাল্ট পেয়েছি। তিনি বলেন, যেসব আসনগুলোয় আমরা এ ধরনের নির্বাচনি অব্যবস্থাপনা দেখেছি এবং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট যে আচরণবিধি সেটি মানা হয়নি, এসব আসনের বিষয়ে আমরা স্থানীয়ভাবে রিটার্নিং অফিসার অথবা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা যারা আছেন, তাদের জানিয়েছি। ভোট পুনর্গণনার জন্য সংশ্লিষ্টদের আমরা আহ্বান জানিয়েছি। এ বিষয়ে আমরা নির্বাচন কমিশনকেও জানাব এবং এই ব্যাপারে সম্ভাব্য সব ধরনের আইনি পদক্ষেপ নেয়ার সুযোগ আছে এবং আমরা সেসব পদক্ষেপ নেবো। নির্বাচন পরবর্তী সময়ে কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হিসেবে আমাদের ওপর, আমাদের সমর্থক, এজেন্ট এবং ক্ষেত্রবিশেষে মহিলাদের ওপর হামলা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে এমন শতাধিক ঘটনা ঘটেছে। আমরা সবগুলোর তথ্য নিয়মিত সংগ্রহ করছি। গণমাধ্যমেও এসব তথ্য উঠে আসছে। বিভিন্ন জায়গায় সহিংসতার ঘটনায় মৃত্যুবরণের ঘটনাও ঘটেছে। হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন, পরে মৃত্যুবরণ করেছেন এমনকিছু ঘটনাও ঘটেছে। এ সময় বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় মৃত্যু ও আহত হওয়ার তথ্য তুলে ধরে নতুন বাংলাদেশে সহিংসতামুক্ত বাংলাদেশের প্রত্যাশা করেন তিনি। উৎস: চ্যানেল24
৩০ আসনে কারচুপির অভিযোগ, পুনর্গণনাসহ আইনি পদক্ষেপে যাচ্ছে জামায়াত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০টি আসনে ভোট কারচুপির অভিযোগ তুলেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এসব আসনে ভোটের ফলাফল স্থগিত ও পুনর্গণনাসহ আইনি পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও মুখপাত্র এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এমনটা জানান তিনি। এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, দেশের মানুষ একটি সুষ্ঠু, সুন্দর নির্বাচন আশা করেছে। ইতোমধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। যদিও সেই নির্বাচনে অনেক ক্ষেত্রেই কারচুপি-জালিয়াতি হয়েছে এবং ভোট প্রদানের ক্ষেত্রে বাধা দেয়া হয়েছে। এজেন্টদের বের করে দেয়াসহ বিভিন্ন ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছে, যা আমরা আগেও বলেছি। জামায়াতের এই সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, এখন পর্যন্ত আমরা প্রায় ৩০টি আসনে এ ধরনের চরম অব্যবস্থাপনা দেখেছি। যেখানে ভোট জালিয়াতি হয়েছে, কারচুপি হয়েছে। যেসব কাগজ (রেজাল্ট শিট) দেয়া হয়েছে, সেখানে ওভাররাইটিং (কাটাকাটি) হয়েছে, ঘষামাজা হয়েছে। আমরা নির্বাচনের দিনও এসব বিষয়গুলো তাৎক্ষণিকভাবে রিটার্নিং অফিসারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানিয়েছিলাম। কিছু আসনে ফল দ্রুত দেয়া হলেও ইচ্ছে করেই কিছু আসনে ফলাফল দেয়া হয়নি। যেমন ঢাকার কয়েকটি আসনে আমরা ভোর ৫টায় গিয়ে নির্বাচনের রেজাল্ট পেয়েছি। তিনি বলেন, যেসব আসনগুলোয় আমরা এ ধরনের নির্বাচনি অব্যবস্থাপনা দেখেছি এবং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট যে আচরণবিধি সেটি মানা হয়নি, এসব আসনের বিষয়ে আমরা স্থানীয়ভাবে রিটার্নিং অফিসার অথবা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা যারা আছেন, তাদের জানিয়েছি। ভোট পুনর্গণনার জন্য সংশ্লিষ্টদের আমরা আহ্বান জানিয়েছি। এ বিষয়ে আমরা নির্বাচন কমিশনকেও জানাব এবং এই ব্যাপারে সম্ভাব্য সব ধরনের আইনি পদক্ষেপ নেয়ার সুযোগ আছে এবং আমরা সেসব পদক্ষেপ নেবো। নির্বাচন পরবর্তী সময়ে কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হিসেবে আমাদের ওপর, আমাদের সমর্থক, এজেন্ট এবং ক্ষেত্রবিশেষে মহিলাদের ওপর হামলা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে এমন শতাধিক ঘটনা ঘটেছে। আমরা সবগুলোর তথ্য নিয়মিত সংগ্রহ করছি। গণমাধ্যমেও এসব তথ্য উঠে আসছে। বিভিন্ন জায়গায় সহিংসতার ঘটনায় মৃত্যুবরণের ঘটনাও ঘটেছে। হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন, পরে মৃত্যুবরণ করেছেন এমনকিছু ঘটনাও ঘটেছে। এ সময় বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় মৃত্যু ও আহত হওয়ার তথ্য তুলে ধরে নতুন বাংলাদেশে সহিংসতামুক্ত বাংলাদেশের প্রত্যাশা করেন তিনি। উৎস: চ্যানেল24
Our Like Page