
নেতৃত্বের সংকট ও সাংবাদিকতার ভবিষ্যৎ: একজন আরিফুল হক আরিফ
গোপালগঞ্জ থেকে স্টাফ রিপোর্টার সাজিম মোল্লা
গণমাধ্যমকে বলা হয় রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ, আর সেই স্তম্ভের অতন্দ্র প্রহরী হলেন মাঠপর্যায়ের সংবাদকর্মীরা। তবে দুঃখের বিষয় হলো, এই প্রহরীদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিয়ে কথা বলার মতো বলিষ্ঠ অভিভাবকের অভাব প্রায়ই পরিলক্ষিত হয়। আগামী ৪ এপ্রিল গোপালগঞ্জ টিভি জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের আসন্ন নির্বাচন সেই অভাব পূরণের এক সুবর্ণ সুযোগ নিয়ে এসেছে।
এবারের নির্বাচনে সভাপতি পদে আরিফুল হক আরিফের প্রার্থিতা আমাদের জন্য একটি ইতিবাচক বার্তা বহন করে। সংবাদ সংগ্রহের উত্তপ্ত মাঠ থেকে শুরু করে সংগঠনের শৃঙ্খলা রক্ষা—সবখানেই তার বিচরণ দীর্ঘদিনের। তিনি যখন ‘সাংবাদিকদের ন্যায্য অধিকার’ আদায়ের প্রতিশ্রুতি দেন, তখন তা কেবল নির্বাচনী বুলি মনে হয় না, বরং তার অতীত কাজের প্রতিচ্ছবি হিসেবেই ধরা দেয়।
একজন দক্ষ নেতার সবচেয়ে বড় গুণ হলো বিপদে সহকর্মীদের পাশে দাঁড়ানো। আরিফুল হক আরিফের মধ্যে সেই মানবিকতা ও সাহসিকতার সমন্বয় আমরা লক্ষ্য করেছি। গোপালগঞ্জের সাংবাদিকতা অঙ্গন আজ এমন একজন অভিভাবক চায়, যিনি ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে সংগঠনের মান উন্নয়ন করবেন।
ভোটাররা যদি আবেগ নয়, বরং মেধা ও যোগ্যতাকে মূল্যায়ন করেন, তবে ৪ এপ্রিলের নির্বাচনে নেতৃত্বের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। গোপালগঞ্জ টিভি জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন ফিরে পাবে তার হারানো গৌরব।

