
পাবনায় তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী কলি হত্যা: গ্রেপ্তার আসামির বাড়িতে বিক্ষুব্ধ জনতার ভাঙচুর
নিজস্ব প্রতিবেদক: জীবন দেওয়ান উজ্জ্বল
জুমার নামাজের পর
কুলুনিয়া গ্রামে উত্তেজনা অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে পরিস্তিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হলো।
পাবনায় তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী কামরুন্নাহার কলিকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার প্রধান অভিযুক্ত মোস্তফা প্রামাণিকের বাড়িতে ভাঙচুর চালিয়েছে বিক্ষুব্ধ গ্রামবাসী। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) জুমার নামাজের পর কুলুনিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কলির মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় আগে থেকেই ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছিল। শুক্রবার জুমার নামাজের পর একদল বিক্ষুব্ধ গ্রামবাসী মোস্তফা প্রামাণিকের বাড়িতে গিয়ে ভাঙচুর চালায়। এ সময় এলাকায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এলাকায় পুলিশি নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
ডোবা থেকে বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার
পুলিশ জানায়, গত ৯ সেপ্টেম্বর তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী কামরুন্নাহার কলি নিখোঁজ হয়। নিখোঁজ হওয়ার সাত দিন পর বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। শিশুটির মৃত্যুর ঘটনায় পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে নেমে আসে শোকের ছায়া। একই সঙ্গে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি ওঠে।
দুইজন গ্রেপ্তার
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় মোস্তফা প্রামাণিক ও তার ভাড়াটিয়া ইয়াছিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ রয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ ও এর সঙ্গে আর কেউ জড়িত কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
এদিকে, আসামির বাড়িতে ভাঙচুরের ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ ঘটনাস্থলে অবস্থান নেয়। স্থানীয়দের দাবি, কলির মৃত্যুর ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক।
প্রতিবেদন:
জীবন দেওয়ান উজ্জ্বল
নিজস্ব প্রতিবেদক

