
চট্টগ্রাম পাঁচলাইশ মডেল থানা পুলিশের অভিযানে ১০,৫০০ (দশ হাজার পাঁচশত) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও মাদক বিক্রয়ের নগদ ৩২,০০০/- (ত্রিশ হাজার) টাকা উদ্ধার সহ ঘটনার সহিত জড়িত একই পরিবারের ০৬ জন মাদক কারবারী গ্রেফতার
রিপোর্ট : মুজিবুর হক (বিশেষ প্রতিনিধি 24hrstvbd)
উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর), সিএমপি, চট্টগ্রাম, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর), সিএমপি, চট্টগ্রাম মহোদয় এর সার্বিক দিক নির্দেশনায়, এসি (পাঁচলাইশ জোন), সিএমপি, চট্টগ্রাম মহোদয় এর তত্ত্ববধানে এবং অফিসার ইনচার্জ, পাঁচলাইশ মডেল থানা, সিএমপি, চট্টগ্রাম এর নেতৃর্ত্বে ইং ০৬/০৪/২০২৬ তারিখ রাত ২২.০৫ ঘটিকার সময় এসআই(নিরস্ত্র)/মোঃ মারুফ বিন আব্দুল্লাহ সঙ্গীয় অফিসার ফোর্সদের সহায়তায় পাঁচলাইশ মডেল থানার মামলা নং-০৩, তাং-১৩/০৮/২০২৪খ্রিঃ, ধারা-মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ সনের ৩৬(১) সারণির ১০(গ) এর এজাহারে বর্ণিত মোবাইল নাম্বারের পলাতক আসামী’কে গ্রেফতারের নিমিত্তে ইং ০৬/০৪/২০২৬ তারিখ দিবাগত রাত ০২.৩০ ঘটিকার সময় পাঁচলাইশ মডেল থানাধীন হিলভিউ আবাসিক এলাকাস্থ রোড নং-০৪, ব্লক-এ, বাড়ী নং-৯৯, হিলভিউ হাউজ ৭ম তলায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান পরিচালনা করিয়া বর্ণিত মোবাইল নাম্বারের পলাতক আসামী -হারেজা বেগম (৪৩)’কে গ্রেফতার করা হয় এবং তাহার হেফাজত হইতে এজাহারে বর্ণিত সিম নং ০১৭৭২-০৯৩২৯৯ সম্বলিত মোবাইল ফোনটি জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে ধৃত ১নং আসামীকে বর্ণিত তদন্তাধীন মামলা সংক্রান্তে জিজ্ঞাসাবাদে সে উক্ত মামলার ঘটনার সহিত জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে এবং তাহার স্বামী ২নং এজাহারনামীয় আসামী-আব্দুর রহিম (৪৮) ও অপরাপর আসামীদের সহায়তায় কক্সবাজার সীমান্তবর্তী এলাকা ও রোহিঙ্গা ক্যাম্প হইতে অবৈধ মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট কম দামে সংগ্রহ করতঃ বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে কুরিয়ারের মাধ্যমে চট্টগ্রাম সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রেরণ করে মর্মে জানা যায়।
তৎপ্রেক্ষিতে তাহার দেওয়া তথ্যমতে ঘটনার সহিত জড়িত আরো ০৪ জন আসামীকে অভিযান পরিচালনা করিয়া গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে ধৃত আসামীদের
কে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে ইং ০৬/০৪/২০২৬ তারিখ ০৫.২০ ঘটিকার সময় পাঁচলাইশ মডেল থানাধীন হিলভিউ আ/এ, ১০নং রোড, ১৬৮নং বাড়ী, জেসমিন হিল, ২য় তলায় অভিযান পরিচালনা করিয়া ধৃত আসামী খালেদা বেগম এর দেখানো মতে ১) ৪০০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ২) ০৩ (তিন) টি এস এ পরিবহনের রিসিট, ৩) মাদক বিক্রয়ের মোট ৩২০০০/- (বত্রিশ হাজার) টাকা, ৪) মাদক পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত ১৫ টি বিভিন্ন রংয়ের হট বক্স উদ্ধার করা হয়।
পরবর্তীতে পাঁচলাইশ মডেল থানাধীন হিলভিউ আ/এ, ১নং রোড, বাড়ী নং-০৬, সুফিয়া গার্ডেন (৭ম তলা), ফ্ল্যাট নং-বি/৬ এর ভিতরে উপস্থিত হইয়া ধৃত এজাহারনামীয় ৫ ও ৬নং আসামীদ্বয়ের দেখানোমতে তল্লাশী করিয়া উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে ০৫ ও ০৬নং আসামীদ্বয়ের দেখানো মতে ফ্ল্যাট নং- বি/০৬ এর ডান পাশের শোয়ার ঘরে স্টিলের আলমিরার নীচের ড্রয়ারের ভিতরে কৌশলে লুকায়িত অবস্থায় আসামী নুর বেগম তাহার নিজ হাতে বাহির করিয়া এবং ধৃত এজাহারনামীয় ৫ ও ৬নং আসামীদ্বয়ের প্রদত্ত স্বীকারোক্তি মতে আরো ৫) ৪০০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। অতঃপর উদ্ধারকৃত আলামতের উৎস এবং আরো মাদকদ্রব্য উদ্ধারের নিমিত্তে ধৃত এজাহারনামীয় ৪ ও ৫নং আসামীদ্বয়কে জিজ্ঞাসাবাদে ০১নং আসামী হারেজা বেগম এর বাসায়ও মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট রক্ষিত আছে মর্মে তথ্যে ভিত্তিতে অফিসার ফোর্স ও ধৃত এজাহারনামীয় আসামীগণ সহ পাঁচলাইশ মডেল থানাধীন হিলভিউ আবাসিক, ৪নং রোড, এ ব্লক, ৯৯নং বাড়ী, হিলভিউ হাউজ, ৭ম তলার ভিতরে উপস্থিত হইয়া তল্লাশী করিয়া ধৃত আসামী হাজেরা বেগম ও আব্দুর রহিম এর ভাড়া নেওয়া ফ্ল্যাটের ভিতর থেকে ধৃত এজাহারনামীয় আসামী হাজেরা বেগম, আব্দুর রহিম এবং লিজা আক্তার এর স্বীকারোক্তিমতে আরো ৬) ২৫০০ (দুই হাজার পাঁচশত) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ সর্বমোট ১০,৫০০ (দশ হাজার পাঁচশত) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে তাহারা তাহাদের ও উপরোক্ত পলাতক আসামীদের বর্ণিত নাম-ঠিকানা প্রকাশ করে ও উদ্ধারকৃত ইয়াবা ট্যাবলেট সমূহ পরস্পর যোগাসজেশ কক্সবাজার জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা এবং রোহিঙ্গা ক্যাম্প স্বল্প মূলে ক্রয় করিয়া অধিক মূলে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অবৈধভাবে নিজেদের হেফাজতে রাখিয়াছে মর্মে স্বীকার করে। উল্লেখ্য যে, সিডিএমএস পর্যালোচনা করে আসামিদের বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলা পাওয়া যায়।

