রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৬ পূর্বাহ্ন
Headline
ইমোতে প্রেম; কুমিল্লায় এসে ১৩ বছরের কিশোরী ধর্ষণের শিকার চালকের যোগসাজশে দস্যুতা, স্বর্ণ-ফোন উদ্ধার দাউদকান্দিতে দুইজন গ্রেপ্তার দেবিদ্বারে ‘নৈরাজ্য ও নাশকতার’ প্রতিবাদে যুবদলের মিছিল ও সমাবেশ সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের মাধ্যমে চিকিৎসাসেবা অনুষ্ঠিত! এমপি সাঈদ আহমেদ আসলামকে সহকারী শিক্ষক সমাজের শুভেচ্ছা প্রবাসীদের স্বার্থে সরকার কূটনৈতিক চ্যানেলে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাচ্ছে: প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী ফুলতৈল ছগাম প্রবাসী পরিষদের নতুন কমিপু ঘোষনা পিপিএম সেবা পদক পেলেন শরীয়তপুরের পুলিশ সুপার রওনক জাহান মোল্লাহাটে নলডাঙ্গী ব্রিজের সংযোগ সড়ক ধসে ঝুঁকিপূর্ণ যাতায়াত, ঘটছে দুর্ঘটনা উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সাথে হরিপুরে এসওডি বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত
Headline
Wellcome to our website...
পরীক্ষার ফি বকেয়া থাকায় পরীক্ষায় অংশ নিতে পারলেন না শিক্ষার্থী
/ ১০২ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬, ৪:০৬ অপরাহ্ন

পরীক্ষার ফি বকেয়া থাকায় পরীক্ষায় অংশ নিতে পারলেন না শিক্ষার্থী

রাণীশংকৈল
(ঠাকুরগাঁও)প্রতিনিধিঃ

অর্ধবার্ষিক পরীক্ষার ফি ও সেশন ফি বকেয়া থাকায় ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার জওগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে পরীক্ষায় অংশ নিতে না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে । এ ঘটনায় শিক্ষার্থীর বাবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী দিনা আক্তারের পরীক্ষার ফি ও সেশন ফি বাবদ ১ হাজার ১০০ টাকা বকেয়া ছিল। গত ১ জুলাই অর্ধবার্ষিক পরীক্ষার প্রথম দিন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফি পরিশোধ করতে না পারায় বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষক তাকে অপমান করেন এবং পরীক্ষায় অংশ নিতে দেননি বলে অভিযোগ করা হয়েছে। একই কারণে বৃহস্পতিবার (২ জুলাই)ও সে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ইব্রাহিম খলিল। তিনি মুঠোফোনে বলেন, এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত সহকারী শিক্ষক রেজাউল ইসলাম বাবুল জানাতে পারবেন।

সহকারী শিক্ষক রেজাউল ইসলাম বাবুল বলেন, পরীক্ষার ফি ও সেশন ফি সংগ্রহ করা হচ্ছিল। কয়েকজন শিক্ষার্থীর বকেয়া থাকায় তাদের কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে বলা হয়েছিল। দিনা আক্তারও তাদের মধ্যে ছিল। তবে তাকে বিদ্যালয় থেকে বের করে দেওয়া হয়নি।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে দিনা আক্তার জানায়, তার বাবা-মা বাড়িতে না থাকায় নির্ধারিত সময়ে পরীক্ষার ফি জমা দিতে পারেনি। বিষয়টি জানিয়ে প্রধান শিক্ষক ও দুই সহকারী শিক্ষিকার কাছে অনুরোধ করলেও তাকে পরীক্ষায় অংশ নিতে দেওয়া হয়নি। প্রায় ৩০ মিনিট অপেক্ষা করার পর অপমানবোধ মনে করে সে বাড়ি ফিরে যায়। ফলে পরদিনও পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি বলে দাবি তার।

স্থানীয়দের অভিযোগ, মেধাবী এই শিক্ষার্থীর সঙ্গে এমন আচরণ অনাকাঙ্ক্ষিত। ঘটনার পর থেকে সে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে এবং ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়াও করছে না। এমনকি কি পরের দিন (আজকেও) কোনো শিক্ষক তার খবরও নেন নি।তাদের মতে, এ ক্ষেত্রে শিক্ষকদের আরও মানবিক হওয়া উচিত ছিল।

শিক্ষার্থীর বাবা দুলাল হুসেন বলেন, “আমরা বাড়িতে না থাকায় মেয়ে সময়মতো টাকা দিতে পারেনি। পরে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষও তাকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ করে দেয়নি। এতে আমার মেধাবী মেয়েটি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে। আমি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই।”

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বেলাল উদ্দিন প্রধান বলেন, এ বিষয়ে একটা “লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাদিজা বেগম বলেন, “সভায় থাকায় অভিযোগপত্রটি তখন হাতে পাইনি। অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিজয় রায়
রাণীশংকৈল প্রতিনিধি

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Our Like Page