
দর্শনায় দিনের বেলায় অস্ত্রের মহড়া।কৃষকদল নেতা সহ ৩ জনকে কুপিয়ে জখম।।
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি : ২০-০১-২৫
শিল্প ও সীমান্ত শহর দর্শনা দু দিন কিছুটা শান্ত থাকলেও আবারও সোমবার ২০ জানুয়ারি দুপুর থেকে সাড়ে ৩ টা পর্যন্ত প্রকাশ্যে দেশীয় অস্ত্রের মহড়ায় ফের অশান্ত হয়ে উঠেছে। আতঙ্ক বিরাজ করছে গোটা এলাকায়। পরে চুয়াডাঙ্গা সেনাবাহিনীর একটি দল ও দর্শনা থানা পুলিশে যৌথভাবে পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে আনলেও এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায় কেরু চিনিকলের ডিস্টিলারি বিভাগের গেটের সামনে জেলা কৃষকদলের সদস্য আঃ হাতেম বসে থাকা অবস্হায় হেলমেট পরা বেশ কয়েকজন তাকে কুপিয়ে চলে যায়। পরে দর্শনার সাবেক সেনা সদস্য সালাম ও একজন যুবদল সমর্থক সাব্বির হোসেনের মারপিট করার অভিযোগ পাওয়া যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর একটি দল কেরু চিনিকল এলাকায় অভিযান চালিয়ে যুবদলের দু জনকে আটক করেছে।
পুলিশ ও আহত ব্যাক্তির লোকজন জানায় ঐদিন বেলা ১২ টার দিকে জেলা কৃষকদলের সদস্য আবুল হাতেম(৪০) চিনিকলের ডিস্টিলারি গেটের সামনে বসে থাকা অবস্হায় বেশ কয়েকজন হেলমেট পরে এসে দা দিয়ে কুপিয়ে চলে যায়। পরে বেলা দেড়টার দিকে অপর একটি সশস্ত্র দলের সামনে পড়ে দর্শনার সাবেক সেনা সদস্য ও সেনাবাহিনীর অধিকার পরিষদের দামড়হুদা সাখার সভাপতি আঃ ছালাম (৪৫) ও যুবদল সমর্থক সাব্বির হোসেন (৩০)কে পিটিয়ে আহত করার খবর পাওয়া যায়।
খবর পেয়ে সহকারি পুলিশ সুপার (দামুড়হুদা-জীবননগর সার্কেল) জাকিয়া সুলতানার নেতৃত্বে জেলা থেকে সেনা সদস্যের দুটি গাড়ি, পুলিশের রিজার্ভ ফোর্স ও দর্শনা থানা পুলিশ কেরু চিনিকল এলাকায় অভিযান চালিয়ে যুবদল নেতা মাহাবুল হোসেন (৪২) ও আরুক হোসেন (৪০)কে আটক করেন।
দর্শনা পৌর বি এন পির সমন্বয়ক হাবিবুর রহমান বুলেট জানান দলের মধ্যে বেশ কয়েকদিন ধরেই অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু ঘটনা ঘটেই চলেছে, সোমবার দুপুরে একই ঘটনার খবর শুনেছি। যা অপ্রত্যাশিত।
কেরু চিনিকলের ব্যাবস্হাপনা পরিচালক জনাব রাব্বিক হাসান জানান মিল এলাকায় সহিংস্ ঘটনার জন্য জেলা পুলিশ সুপার ও সেনাবাহিনীকে জানানো হয়েছে,অভিযান শুরু করেছেন তারা। মিল এলাকায় কোন অপৃতিকর ঘটনা ঘটানোর চেস্টা হলে ব্যাবস্হা নেয়া হবে।
দর্শনা থানার ওসি শহীদ তিতুমির ও চুয়াডাঙ্গা সহকারি পুলিশ সুপার (দামুড়হুদা -জীবননগর সার্কেল) জাকিয়া সুলতানা জানান অভিযান চলমান থাকবে।
মিঠুন মাহমুদ
চুয়াডাঙ্গা
০১৯২২৩০৯২৯৯

