শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৩৩ অপরাহ্ন
Headline
সাংবাদিক নির্যাতন: বন্ধ করুন, নইলে কঠোর আন্দোলন এর ডাক বাংলাদেশ সাংবাদিক লেখক ঐক্য ফোরামের – কৃতি শিক্ষার্থীরাই আগামীদিনে দেশের নেতৃত্ব দিবে মনজুর এলাহী এমপি পাষন্ড বাবার কবল থেকে দুই বছরের শিশু সন্তানকে ফিরে পেতে মায়ের আকুতি মোল্লাহাটে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে বিএনপির আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল সরাইলে একজন ভুয়া পুলিশ ও তিন কেজি মাদক সহ তিনজন আটক গ্যাস,বিদ্যুৎ সংকটসহ দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে নরসিংদীতে ১১ দলের স্বারকলিপি প্রদান সাংবাদিকতা পেশার অস্তিত্ব রক্ষায় অবিলম্বে গণমাধ্যম কমিশন গঠন করুন কুমিল্লা-৫ আসনের এমপি হাজী জসিম উদ্দিনকে নিয়ে ড. মোবারক হোসাইনের বক্তব্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিবাদ “বৈষম্য আন্দোলন ইতিহাসে বৈষম্যের শিকার:- বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল দুই কিশোরের
Headline
Wellcome to our website...
পাবনা এডওয়ার্ড কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মহাসড়ক অবরোধ
/ ৩৭৯ Time View
Update : শনিবার, ১৩ জুলাই, ২০২৪, ৪:৫৯ পূর্বাহ্ন

পাবনা এডওয়ার্ড কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মহাসড়ক অবরোধ

স্বপন দাস : স্টাফ রিপোর্টার
১৩ ই জুলাই ২০২৪ খ্রীঃ

সরকারি চাকরিতে কোটা ২০১৮ সালের পরিপত্র বহাল ও সংস্কারের দাবিতে দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো এবার পাবনা-ঈশ্বরদী মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন পাবনা সরকারি এডওয়ার্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে পাবনা এডওয়ার্ড কলেজের প্রধান ফটকের সামনে পাবনা-ঈশ্বরদী মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন তারা।

প্রায় এক ঘণ্টা এ অবরোধ চলে। এতে দুপাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে প্রশাসনের অনুরোধে ক্যাম্পাসে ফিরে যান শিক্ষার্থীরা।
এ সময় শিক্ষার্থীরা- ‘সারা বাংলায় খবর দে, কোটাপ্রথার কবর দে। কোটা না মেধা, মেধা মেধা। কোটাপ্রথা নিপাত যাক, মেধাবীরা মুক্তি পাক। আমার সোনার বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই। আপস না সংগ্রাম, সংগ্রাম সংগ্রাম। দালালি না রাজপথ, রাজপথ রাজপথ’ ইত্যাদি স্লোগানে স্লোগানে রাজপথ মুখরিত করে তোলেন।

এর আগে বেলা ১২টার দিকে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সামনে জড়ো হন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। কোটা ব্যবস্থা সংস্কারের দাবি সংবলিত বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে কিছুক্ষণ ক্যাম্পাসেই বিক্ষোভ করেন তারা। পরে শিক্ষার্থীরা পাবনা-ঈশ্বরদী মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন।
শিক্ষার্থীরা বলছেন- এই কোটার মাধ্যমে মূলত মুক্তিযোদ্ধাদেরই অসম্মান করা হচ্ছে। কারণ তারা পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বৈষম্যে কারণে যুদ্ধ করেছিলেন। আজকে মেধার অবমূল্যায়নের মাধ্যমেই তাদের সেই অবদানকে হেয়পতিপন্ন করা হচ্ছে। আমরা কোটা সম্পূর্ণ বাতিল নয়, কোটার সংস্কার চাই। মুক্তিযোদ্ধাদের অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বাড়িয়ে দেওয়া হোক কিন্তু তাদের নাতি-পুতিরা কোটা পাবে এটা মেনে নেওয়া যায় না।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Our Like Page