
বাগমারায় বিএনপির দুঃসময়ের একমাত্র সাহসী কান্ডারী ডিএম জিয়া।
মোঃ সাইফুল ইসলাম,বাগমারাঃ
রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার বিএনপির দুঃসময়ের একমাত্র সাহসী কান্ডারী উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ডিএম জিয়াউর রহমান জিয়া। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপিকে বাগমারা উপজেলা শাখায় সঠিকভাবে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন ত্যাগী ও পরীক্ষিত এই নেতা ডিএম জিয়াউর রহমান জিয়া। বিএনপির বিগত সময়ে সকল আন্দোলন- সংগ্রামে দুর্দিনে নেতা-কর্মীদের পাশে দাঁড়িয়ে অভিভাবক হিসেবে ছিলেন উপজলা বিএনপির ওয়ানম্যান খ্যাত জনপ্রিয় নেতা ডিএম জিয়াউর রহমান জিয়া। তিনি উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এবং বর্তমান বিএনপির আহবায়ক ডিএম জিয়াউর রহমান জিয়া । যিনি তাঁর সাহসী ও বলিষ্ঠ নেতৃত্ব দিয়ে উপজেলা বিএনপিসহ সকল অঙ্গ সংগঠনকে একত্রিত রেখে সংগঠনকে শক্তিশালী করে রেখেছিল দুঃসময়ে তিনি। বর্তমানে তৃণমূল কর্মীদের একমাত্র দাবি , সুসময়ে বহু অতিথি নেতারা বাগমারা-৪ আসেন বিএনপির রাজনীতিতে দেখা গেলেও দুঃসময়ে তাদের দেখা যায়নি। কিন্তু বিএনপির আহবায়ক ডিএম জিয়াউর রহমান জিয়া দলের যে কোনো বিপর্যয়ের সময় বাগমারা উপজেলার রাজপথ থেকে শুরু করে ঢাকার রাজপথে দলের আন্দোলন-সংগ্রামে সম্মুখ সারিতে ভূমিকা রাখেন। এইসব সাহসী ভুমিকা রাখার জন্য ফ্যাসিবাদী হাসিনা সরকারের আমলেও কারাবরণ করেছিলেন। পাশাপাশি দলের দুঃসময়ে দীর্ঘ ১৬ বছর যাবৎ হামলা-মামলায় শিকারও হয়েছিলেন উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ডিএম জিয়াউর রহমান জিয়া । দলীয় সূত্রে মতে জানা যায়, দীর্ঘ প্রায় দেড় যুগ ধরে বাগমারা উপজেলা বিএনপিসহ দলের সকল অঙ্গ-সংগঠনগুলোকে নেতৃত্ব দিয়ে শক্তিশালী সংগঠনে রূপ দিয়েছেন যে নেতা তিনি হলেন তৃণমূল বিএনপির আস্থা ও ভরসার প্রতীক ডিএম জিয়াউর রহমান জিয়া । যার কারণে উপজেলা বিএনপির একজন ত্যাগী ও সফল রাজনৈতিক নেতা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন উপজেলা বিএনপির এই সংগ্রামী আহবায়ক। বাগমারা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ডিএম জিয়াউর রহমান জিয়ার সঠিক নেতৃত্ব নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের গুণগত মান এগিয়ে দিয়েছে। সম্ভবত এটি জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলোর একটি। নেতৃত্ব মানবসভ্যতার অগ্রগতি ঘটিয়েছে, সুতরাং ভালো নেতৃত্ব ছাড়া কোনো সংগঠন বা গোষ্ঠী সফল হতে পারে না। তাই সফল নেতা হতে হলেও সর্বগুনের অধিকারী হতে হয়। বাগমারা বিএনপির আহবায়ক ডিএম জিয়া যেমন সর্বগুনের অধিকারী তেমনি ভাবে বাগমারায় প্রত্যেক নেতার এই গুণাবলি নেই। কার্যকর নেতৃত্বের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্যের প্রয়োজন হয় যা ডিএম জিয়াউর রহমান জিয়ার মধ্যে রয়েছে । এক্ষেত্রে একজন নেতার আত্মবিশ্বাস একটি বড় গুণ। আত্মবিশ্বাসহীন ব্যক্তি কখনো ভালো নেতা হতে পারে না। একজন নেতাকে অবশ্যই যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী হতে হবে, যাতে অন্যরা তাকে অনুসরণ করে। নেতার অবশ্যই তার সিদ্ধান্ত ও কর্মের প্রতি আস্থা থাকতে হবে। তিনি যদি ‘অনিশ্চিত’ ব্যক্তি হন, তাহলে মানুষ কীভাবে তাকে অনুসরণ করার আগ্রহ পাবে? তাই একজন ভালো নেতা অবশ্যই অন্যদের অনুপ্রাণিত করে। একজন নেতাকে তার অনুসারীদের জন্য আদর্শ হতে হবে। উপরন্তু যখনই সম্ভব অন্যকে অনুপ্রাণিত করতে হবে। তাছাড়া কঠিন পরিস্থিতিতেও একজন নেতাকে আশা হারালে চলবে না। সততা একজন নেতার আরেকটি উল্লেখযোগ্য গুণ। অনুসারীদের ভালোবাসা অর্জনের জন্য সততা গুরুত্বপূর্ণ। সর্বোপরি জনগণের আস্থা অর্জনের জন্য সততা অপরিহার্য। আস্থা হারালে নেতৃত্ব ব্যর্থ হতে বাধ্য। তাই বলা যায় সকল গুনের অধিকারী প্রাণপ্রিয় নেতা তৃণমূল বিএনপির আস্থা ও ভরসার প্রতীক ডিএম জিয়াউর রহমান জিয়া । সকলের দোয়া ও ভালবাসায় সিক্ত হন্তে এগিয়ে যাবেন এই প্রতাশা বাগমারা তৃণমূল বিএনপি ও মেহনতী মানুষের।
মোঃ সাইফুল ইসলাম
বাগমারা রাজশাহী
০১৭২৭৮৬২১১১

