রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ০৫:১৬ অপরাহ্ন
Headline
সাতকানিয়ায় চট্টগ্রাম মহিলা ক্লাবের মানবিক সহায়তা “গোমতী বাঁচলে বাঁচবে দেশ: বাঁধ চাই মজবুত ও বিশেষ” নেত্রকোণা থেকে জাজিরা: নবাগত ইউএনও মোঃ আল ইমরানের বর্ণাঢ্য প্রশাসনিক পথচলা জাতি ডিসি আসমা শাহীনের মত অভিভাবক চায়” ব্রাহ্মণপাড়ায় উপজেলা বিএনপির মতবিনিময় সভা। নিখোঁজের একদিন পর টয়লেটের ট্যাংকি থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার- শিক্ষিকা ড, জাকিয়া সুলতানার মিত্যু সাংবাদিক লেখক ঐক্য এবং দাবি নিয়ে আলোড়ন সৃস্টি হচ্ছে সারা দেশ জুড়েই- বাগমারায় দীর্ঘদিনের জমি সংক্রান্ত দ্বন্দ্বের অবসান। নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস থেকেই উঠে আসবে আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড়-কুমিল্লায় কৃষি মন্ত্রী আমিন উর রশিদ
Headline
Wellcome to our website...
জাতি ডিসি আসমা শাহীনের মত অভিভাবক চায়”
/ ৭ Time View
Update : রবিবার, ১০ মে, ২০২৬, ৫:২৩ পূর্বাহ্ন

জাতি ডিসি আসমা শাহীনের মত অভিভাবক চায়”

মোঃ আব্দুস শহীদ (লেখক ও বিশ্লেষক)

নাড়ি পুঁতা থাকলে বলে, নাড়ির টান। যেখানে জন্ম নেয়, নাড়ি তো সেখানেই পুঁতা রয়। শুনছি, জন্মস্থানও তাকেই বলে। নাড়ির টান কিংবা জন্মস্থান, কোনটাই নয়। তবে কীসে এত ভালোবাসা? যেখানে কর্ম করে, সেটা তো কর্মস্থল। কাজ করবেন, পারিশ্রমিক নিবন; তারপর আবার কিসের দায়? ঘড়ির কাঁটা ধরে হয়ত দশটা হতে পাঁচটা রুটিন কাজগুলো করলেই হয়। অফিসিয়াল জব, পুলিশ কিংবা ফায়ার ব্রিগেড তো নয়। হ্যা, কিছু লৌকিকতা তো থেকেই যায়। এক জায়গায় কিছুদিন থাকলে, অনেক সময় সম্পর্কে জড়িয়ে যায়, সেটাও পেশাদারিত্বেরই অংশ। জেলা প্রশাসক ছোট কোন পদ নয়, পুরো জেলার দায়িত্ব তাঁর কাঁধে। সকাল, দুপুর, বিকেলে শতশত মানুষ ছালাম দিবে; তোয়াজ করবে। অহমিকায় বুকটা প্রশস্ত হয়ে উঠবে। আপনজন হয়ে ওঠাটা দূরুহ ভাবনার বিষয়। আপনজন হয়ে ওঠলে বুকের মধ্যে ভালোবাসার অন্যরকম একটি অনুভূতি জাগ্রত হয়। কল্যাণ অকল্যাণের চিন্তা, চেতনা মাথায় ঘুরপাক খায়। কিন্তু তাতে নতুন করে তৈরী হয় অহেতুক কিছু বাড়তি ঝামেলা। সেই ঝামেলা পোহানোর মত মানুষিকতা সবার মধ্যে তৈরী হয় না। আমার মনে হয় নটোরের জেলা প্রশাসক সেই বাড়তি ঝামেলা তাঁর মাথায় চাপিয়ে নিয়েছেন স্ব প্রণোদিত হয়ে নিজের ইচ্ছায়। ঢাক ঢোল পিটিয়ে কাওকে বলার প্রয়োজন বোধ করেন নি, কারও অনুমতিরও তোয়াক্কা করেন নি।
সম্প্রতি ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য জেলা প্রশাসক সম্মেলনে নাটোরের জনাব আসমা শাহীন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের সামনে দেওয়া বক্তব্য শুনে আমার কাছে সেটাই মনে হয়েছে। শুধু একজন সরকারি কর্মকর্তা হয়ে কর্মস্থলের প্রতি এতটা মমত্ববোধ সম্ভব নয়। মনে হচ্ছে, মনের অজান্তে নাটোর ও নাটোরের মানুষগুলোকে তিনি হৃদয়ের গভীরতম মণিকোঠায় ধারণ করে ফেলেছেন যা একজন কর্মকর্তা হয়ে সম্ভব নয়। তিনি নাটোরকে একটি ‘কৌশলগত জেলা’ বলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সহ সম্মেলন কক্ষের প্রতিটি মানুষের দৃষ্টি কেড়েছেন। নাটোরের কাঁচাগোল্লাকে ‘জিআই পণ্য উল্লেখ করে তিনি নাটোরকে দেশের প্রতিটি মেরুর মানুষের সাথে নিবিড় সম্পর্ক প্রস্ফুটিত করেছেন। নাটোরকে একটি সম্ভাবনাময় টুরিজম রিজিওন উল্লেখ করে বিশ্ব দরবারে নাটোরকে নতুন করে তুলে ধরেছেন। ফলে, নাটোর একটি মর্যদাশীল জেলা হিসেবে উন্নীত হয়েছে তাতে কোন সন্দেহ নেই। চলন বিল আর রাণী ভবনীর নান্দনিক নাটোরকে উপস্থাপনার প্রাক্কালে তাঁর হৃদয়ের অনুভূতি দেখে মনে হয়েছে, এখানকার ঘর্মাক্ত চাষী আর ইট সুঁড়কির সাথে তাঁর সম্পর্ক দীর্ঘ পরিক্রমায় নীবিড় থেকে নিবিড়তর হয়েছে। শিল্পায়নের পরিকল্পনা দেখে মনে হয়েছে এখানকার মানুষগুলোর অর্থনৈতিক দায়িত্ব যেন তাঁরই কাঁধে। এটা পরিবারের একজন অভিভাবকের পক্ষেই সম্ভব। নাটোরকে নিয়ে, নাটোরের মানুষকে নিয়ে তাঁর এই ভাবনা দুস্তর একজন রাজনৈতিককেও হারমানিয়েছে। বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার জেলা প্রশাসক যদি আসমা শাহীন হয় তবে ঐ দেশে পার্লামেন্টের কোন প্রয়োজন হয় না। জনাব আসমা শাহীন, সত্যিই দেশ আপনার মতনই একজন অভিভাবক চায়।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Our Like Page