রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ১১:৩৪ অপরাহ্ন
Headline
আমি বর্ষা ঘোষ Shanto mariam university of creative technology একজন ডান্স ডিপার্টমেন্ট স্টুডেন্ট তার সাথে আমি ঢাকার আওতাধীন কেরানিগন্জ বুলবুল ললিতকলা একাডেমি কেরানীগঞ্জ শাখা নৃত্যকলা শিক্ষক। পাচারের মহোৎসব: সাইপ্রাস-যুক্তরাজ্যে এস আলমের সম্পদ জব্দ, দেশে ফিরবে কি ২৩ হাজার ৪০০ কোটি ডলার? ধনবাড়ী উপজেলা ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিঃ এর নব-গঠিত কমিটির অভিষেক ও অন্তবর্তীকালীন কমিটির বিদায় দক্ষিণ আফ্রিকায় হৃদরোগে প্রবাসী ব্যবসায়ীর মৃত্যু খামেনির জানাজা ঘিরে নতুন আলোচনা: ইমামতি করতে চেয়েছিলেন মোজতবা, নিরাপত্তা শঙ্কায় অনুমতি মেলেনি—আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের দাবি নরসিংদীতে মোবাইল কোর্ট ২টি দোকানে অর্থ দন্ড ও সিলগালা ধুনট উপজেলা কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের কমিটি গঠন ২০ টাকার টিকিট ৩৫ টাকা! বরিশাল প্লানেট পার্কে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ বিএনআরপি’র সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ও নিবন্ধন কার্যক্রম নিয়ে বিশেষ সতর্কতা: কেন্দ্রীয় প্রচার সেলের বিজ্ঞপ্তি বয়স্ক ভাতা দেওয়া হবে, আবেদন গ্রহণ শুরু।
Headline
Wellcome to our website...
পাচারের মহোৎসব: সাইপ্রাস-যুক্তরাজ্যে এস আলমের সম্পদ জব্দ, দেশে ফিরবে কি ২৩ হাজার ৪০০ কোটি ডলার?
/ ২৪ Time View
Update : রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬, ৮:১৭ পূর্বাহ্ন

পাচারের মহোৎসব: সাইপ্রাস-যুক্তরাজ্যে এস আলমের সম্পদ জব্দ, দেশে ফিরবে কি ২৩ হাজার ৪০০ কোটি ডলার?
​নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা
​দেশের ব্যাংক খাত থেকে নিয়মবহির্ভূতভাবে তুলে নেওয়া বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচারের যে অভিযোগ দীর্ঘদিনের, তার বিরুদ্ধে এবার দৃশ্যমান আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা নেওয়া শুরু হয়েছে। সাইপ্রাস ও যুক্তরাজ্যসহ কয়েকটি দেশে এস আলম গ্রুপের কর্ণধার সাইফুল আলমসহ অভিযুক্তদের নামে থাকা বিলাসবহুল সম্পদ জব্দের ঘটনা দেশের আর্থিক খাতের স্বচ্ছতা ফেরানোর প্রক্রিয়ায় একটি নতুন মাইলফলক হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।
​বিদেশে পাচারকৃত অর্থের অনুসন্ধান: কোথায় কোথায়?
​বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) সমন্বিত প্রচেষ্টায় পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারের লক্ষ্যে গঠিত বিশেষ টাস্কফোর্স নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। তদন্ত সংশ্লিষ্টরা এখন পর্যন্ত যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, সুইজারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, সাইপ্রাস, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, হংকং, থাইল্যান্ড, ফিলিপিন্স, ভারত, লুক্সেমবার্গ, ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ডস, আইল অব ম্যান, জার্সি ও গার্নসি—এই ১৮টি দেশ ও অঞ্চলে পাচার করা অর্থের অনুসন্ধান পেয়েছে।
​গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সাথে আইনি ও কূটনৈতিক যোগাযোগ স্থাপন করে যুক্তরাজ্য, আইল অব ম্যান এবং সাইপ্রাসে অভিযুক্তদের কিছু সম্পদ জব্দের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।
​আইনি জটিলতা ও বাস্তবতা
​বিএফআইইউ সূত্রে জানা গেছে, কেবল অনুরোধ করলেই অন্য দেশ তাৎক্ষণিকভাবে কারো সম্পদ জব্দ করে না। সংশ্লিষ্ট দেশের নিজস্ব আইনি প্রক্রিয়া, সম্পদের উৎস এবং মানি লন্ডারিংয়ের প্রমাণ যাচাই করে তবেই আদালতের আদেশের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, “আমরা আমাদের যথাযথ প্রক্রিয়া মেনেই অনুরোধ জানাচ্ছি। সংশ্লিষ্ট দেশগুলো তাদের নিজস্ব আইন ও প্রসিডিউর যাচাই করে ব্যবস্থা নিচ্ছে। এটি একটি সময়সাপেক্ষ কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আইনি লড়াই।”
​জনপ্রত্যাশা ও অর্থনীতিতে প্রভাব
​দেশের অর্থনৈতিক শ্বেতপত্রের তথ্য অনুযায়ী, গত দেড় দশকে প্রায় ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিদেশে পাচার হয়েছে। সাধারণ নাগরিক ও অর্থনীতিবিদদের মতে, পাচার হওয়া এই অর্থ দেশে ফিরে এলে তা দেশের চলমান অর্থনৈতিক সংস্কার ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় বড় ভূমিকা রাখবে।
​পেশাদার নৈতিকতা বজায় রেখে তদন্তকারী সংস্থাগুলো প্রতিটি ধাপে কঠোর গোপনীয়তা ও আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করছে, যাতে আন্তর্জাতিক আদালতে কোনো তথ্য দুর্বল প্রমাণিত না হয়। সাধারণ মানুষ এখন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন—কবে সেই পাচার করা অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা হয় এবং প্রকৃত অপরাধীরা বিচারের সম্মুখীন হয়।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Our Like Page