শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ০৬:২৮ অপরাহ্ন
Headline
কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়া থানা পুলিশের অভিযানে ১১৬ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ফারাক্কা বাঁধের অভিশাপ থেকে বাঁচতে গঙ্গা পানি বন্টন চুক্তি নবায়নে চাই জোর কূটনৈতিক তৎপরতা কুষ্টিয়ায় আওয়ামী লীগ নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যান সানোয়ার হোসেন গ্রেফতার। সীমান্ত হত্যা: নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ মাদকের সংবাদ প্রকাশে সাংবাদিককে রক্তাক্ত করলো শীর্ষ মাদক কারবারি হাওয়ার্ড- দেবীগঞ্জ দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী অপহরণে মামলা, অভিযুক্ত অভিনেত্রী নিপা। কুষ্টিয়ায় খোকসায় খাল খনন প্রকল্পের এক্সাভেটরে দুর্বৃত্তদের। অগ্নিসংযোগ। পুকুরের ঘাট নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার না করার অনুরোধ করিলে মোবাইল ফোনে সাংবাদিককে ঠিকাদারের হুমকি ও মা ধরে অকথ্য ভাষায় গালাগালের অভিযোগ, থানায় জিডি। নরসিংদীতে মাদক বিরোধী মোবাইল কোর্ট অভিযান ৪ জনকে বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান কুমিল্লায় বড় ভাইয়ের দায়ের কোপে ছোট ভাই খুন
Headline
Wellcome to our website...
ফারাক্কা বাঁধের অভিশাপ থেকে বাঁচতে গঙ্গা পানি বন্টন চুক্তি নবায়নে চাই জোর কূটনৈতিক তৎপরতা
/ ১৬ Time View
Update : শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ১১:৪০ পূর্বাহ্ন

ফারাক্কা বাঁধের অভিশাপ থেকে বাঁচতে গঙ্গা পানি বন্টন চুক্তি নবায়নে চাই জোর কূটনৈতিক তৎপরতা

ক্যাপ্টেন রেদওয়ান সিকদার

শুষ্ক মৌসুমে গঙ্গার ৩৫ থেকে ৪০ হাজার কিউসেক পানি ভাগীরথী-হুগলি নদীতে প্রবাহিত করার জন্য এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের সঙ্গে সংযুক্ত কলকাতা বন্দরের নাব্যতা উন্নত করার জন্য ১৯৭৫ সালে পশ্চিমবঙ্গে ফারাক্কা ব্যারাজ নির্মাণ করে ভারত। ফারাক্কা ব্যারাজের উজানে পানি প্রত্যাহারের ফলে বাংলাদেশে পদ্মা নদীর প্রবাহ মারাত্মকভাবে কমেছে এবং দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের হিসনা-মাথাভাঙ্গা, গড়াই-মধুমতি, চন্দনা-বারাশিয়া, ইছামতি ও বড়াল নদী শুকিয়ে গেছে।

কোনও সংশয় নেই, ভারতের জন্যও ফারাক্কা এখন যত না উপযোগী – তার চেয়ে অনেক বেশি ধ্বংস ডেকে আনছে। ফারাক্কার মূল উদ্দেশ্য যেটা ছিল সেই কলকাতা বন্দরকে কিন্তু আজও বাঁচানো যায়নি। কলকাতা বন্দর টিঁকিয়ে রাখতে আজ যে পরিমাণ ড্রেজিং করতে হয়, ফারাক্কা চালু হওয়ার আগেও ততটা করতে হত না। এটাকে একটা প্রতীক ধরলে ফারাক্কা তো ভেঙে ফেলাই উচিত। ফারাক্কায় গঙ্গার ওপর রেল ও সড়ক-সেতু এখনকার মতো রেখে দিয়েই ব্যারাজটা সরিয়ে দেওয়া সম্ভব – ইউরোপ আমেরিকাতে তা অনেক জায়গাতেই হয়েছে।

বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে ১৮ কিলোমিটার উজানে ভারতের গঙ্গা নদীতে বিতর্কিত ফারাক্কা বাঁধের কারণে বাংলাদেশ-বিহারের বিস্তীর্ণ জনপদে বিপর্যয় নেমে এসেছে। বাংলাদেশের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি এ বাঁধ আজ বুমেরাং হয়ে ভারতেরও উদ্বেগের কারণ হয়েছে। ফারাক্কা বাঁধের কারণে গঙ্গার উজানে বিপুল পলি জমে প্রতি বছর বন্যা দেখা দিচ্ছে ভারতের বিহারসহ উত্তর প্রদেশের বিস্তীর্ণ এলাকায়।

সাম্প্রতিককালে বন্যায় বিহারে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ছিল অন্তত ২০ লাখ। এর ফলে বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে ফারাক্কার সমস্যা তুলে ধরে এ সমস্যার একটা স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়ে ফারাক্কা বাঁধ অপসারণের কথা বলেছেন।

প্রত্যক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বাংলাদেশের চার কোটিরও বেশি মানুষ। একে একে শুকিয়ে যাচ্ছে পদ্মা ও এর শাখা নদীগুলো।পদ্মায় বর্তমানে শুকনো মওসুমে পানিপ্রবাহ প্রায় শূন্যের কোঠায়। এর বিরূপ প্রভাবে দেশের দক্ষিণে ও পশ্চিমাঞ্চলে পানি সঙ্কট দেখা দিয়েছে।এই বাঁধের প্রভাবে দেশের মানচিত্র থেকে গড়াই, হিসনা, কালীগঙ্গা ও মাথাভাঙ্গা নদীসহ ৪৯টিরও বেশি নদ-নদী হারিয়ে গেছে এবং আরো প্রায় ১০০টি ছোট-বড় নদী একই পরিণতির দিকে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে।কোনো কোনোটির বুকে জেগেছে চর। লবণাক্ততার পরিমাণ ছিল ৫০০ মাইক্রোমোস ফারাক্কায় পানি প্রত্যাহারের ফলে খুলনার লবণাক্ততা বেড়ে হয়েছে ২৯ হাজার ৫০০ মাইক্রোমোস।

১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর নতুন দিল্লিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী এইচ. ডি. দেবেগৌড়া ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একটি সামগ্রিক বৈদেশিক চুক্তি সাক্ষর করেন। এই চুক্তিটি ছিল বাংলাদেশকে ন্যূনতম পানিসরাবরাহের গ্যারান্টি সহ ৩০ বছরের পানিবণ্টন চুক্তি।৩০ বছরের দীর্ঘমেয়াদি গঙ্গা চুক্তিতে অন্তত ২৭ হাজার কিউসেক পানি পাওয়ার কথা রয়েছে বাংলাদেশের। অথচ দেয়া হচ্ছে মাত্র ছয় হাজার ৪৫৭ কিউসেক পানি পায়।

ভারত সূদুর অতীতে অত্যন্ত সুকৌশল ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণ করেছিল তাদের প্রয়োজন উপলব্দি করে। হুগলী ও ভাগেরথী নদীর নাব্যতা বজায় রাখা এবং কলকাতা বন্দর রক্ষার কথা বলে ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণ করা হলেও বাস্তবে বাংলাদেশ ও উত্তর-পূর্ব ভারতের জন্য আজ এটি মরণ বাঁধ। ফারাক্কা বাঁধের কারণে বাংলাদেশের কুষ্টিয়ার পদ্মা নদীর উপর হার্ডিঞ্জ ব্রিজের নিচ দিয়ে শুষ্ক মৌসুমে গাড়ি চলতে পারে।

উনিশশো চুয়াত্তর সালে বাংলাদেশ ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী এক বৈঠকে একমত হন যে শুষ্ক মৌসুমে পানি ভাগাভাগির বিষয়ে দুই দেশ একটি চুক্তিতে না পৌঁছানো পর্যন্ত ফারাক্কা বাঁধ চালু করা হবে না।কিন্তু ভারত সে কথা রাখেনি। উনিশশো পঁচাত্তর সালের শুরুর দিকে ভারত বাংলাদেশকে জানায় যে ফারাক্কা বাঁধের ফিডার ক্যানেল পরীক্ষা করা প্রয়োজন।পঁচাত্তরের সালের ২১ শে এপ্রিল থেকে মাত্র ১০ দিনের জন্য এটি পরীক্ষার কথা বলেছিল ভারত। এতে বাংলাদেশ রাজী হয়। কিন্তু এরপরেও ভারত একতরফাভাবে গঙ্গানদীর গতি পরিবর্তন করে।

শেষ পর্যন্ত ১৯৯৬ সালে গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি সাক্ষরিত হয়। এর আগে বিভিন্ন সরকারের সময় বিষয়টি জাতিসংঘসহ বিভিন্ন ফোরামে উত্থাপন করে ভারতের উপর আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করা হয়। কিন্তু তাতে খুব একটা লাভ হয়নি।ছিয়ানব্বই সালে পানি বণ্টন চুক্তি সাক্ষরের পরেও অভিযোগ রয়েছে, শুষ্ক মওসুমে ভারত চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশকে পানি দেয় না।

৫০ বছর আগে ফারাক্কা বাঁধ সম্পর্কে মাওলানা ভাসানী যা অনুমান করেছিলেন, পরবর্তীতে সেটিই ঘটেছে।ফারাক্কা বাঁধে বাংলাদেশের সর্বনাশ ঘটছে এটা তার চেয়ে স্পষ্ট করে কেউই বোঝে নাই। উনিশশো ছিয়াত্তর সালের ১৬ই মে ফারাক্কা বাঁধের বিরুদ্ধে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তের দিকে একটি মিছিলের আয়োজন করেন বাংলাদেশের সুপরিচিত রাজনীতিবিদ মজলুম জননেতা মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী।এই মিছিল ও সমাবেশ ‘ফারাক্কা লংমার্চ’ হিসেবে পরিচিত।মাওলানা ভাসানীর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা হচ্ছে ‘ফারাক্কা লং মার্চ’ সংগঠিত করা।মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী যখন ফারাক্কা লং মার্চের নেতৃত্ব দেন তখন তার বয়স ৯০ বছরের বেশি।

উনিশশো ছিয়াত্তর সালের গোড়ার দিকে মাওলানা ভাসানী বার্ধক্যজনিত অসুস্থতার কারণে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। ছিয়াত্তরের ১৮ই এপ্রিল হাসপাতাল থেকে ফেরার পর মাওলানা ভাসানী ঘোষণা দেন ভারত যদি বাংলাদেশকে পানির অধিকার থেকে বঞ্চিত করে তাহলে তিনি লংমার্চ করবেন।তাঁর এই কর্মসূচী তখন অনেককে বেশ চমকে দিয়েছিল।কারণ ৯০ বছরের একজন মানুষের ঘরেই থাকার কথা।এজন্য ১৬ই মে রাজশাহী শহর থেকে লংমার্চ করার ঘোষণা দেন তিনি। কর্মসূচী বাস্তবায়নের জন্য ১৯৭৬ সালের ২রা মে মাওলানা ভাসানীকে প্রধান করে ৩১ সদস্যবিশিষ্ট ‘ফারাক্কা মিছিল পরিচালনা জাতীয় কমিটি’ গঠিত হয়। এই লংমার্চের আগে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর কাছে একটি চিঠি লিখেন আব্দুল হামিদ খান ভাসানী।সে চিঠিতে মিসেস গান্ধির কাছে লংমার্চের কারণ বর্ণনা করেন ভাসানী।
সাংবাদিক এনায়েতউল্লাহ খান, আনোয়ার জাহিদ এবং সিরাজুল হোসেন খান এ চিঠি তৈরি করতে আব্দুল হামিদ খান ভাসানীকে সহায়তা করেন।লংমার্চ সফল করার জন্য ১৯৭৬ সালের ২৮শে এপ্রিল মাওলানা ভাসানী এক বিবৃতিতে সকলের প্রতি আহবান জানান।

উনিশশো ছিয়াত্তর সালের ১৬ ই মে রাজশাহী শহর থেকে ফারাক্কা অভিমুখে মিছিল শুরু হয়। হাজার-হাজার মানুষ সমবেত হয় সেই মিছিল ও জনসভায়।সাংগঠনিক তৎপরতা জোরদার করতে দুই-তিন দিন আগেই তিনি মাওলানা ভাসানী রাজশাহী এসে পৌঁছান। রাজশাহী শহরে তখন অচেনা মানুষের ভিড়। লংমার্চে অংশ নিতে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে সর্বস্তরের মানুষ আসছে।১৬ই মে রোববার মাদ্রাসা মাঠ থেকে লংমার্চ শুরু হয়। পথঘাট লোকে লোকারণ্য। বিশাল মাদ্রাসা মাঠে ভীড় উপচে পড়েছিল।মিছিলের আগে মাদ্রাসা ময়দানে জনসভা। ভাসানী এলেন নীল গাড়িতে চেপে। জনসমুদ্র গর্জে উঠল। খুব অল্প সময়ের জন্য তিনি বক্তৃতা করলেন। বহু সাংবাদিক, বহু ফটোগ্রাফার। লংমার্চের ৬৪ কিলোমিটার যাত্রা ছিল বেশ কঠিন।সবচেয়ে বড় আশংকা ছিল মাওলানা ভাসানীকে নিয়ে।এমনিতেই তার বয়স ৯০ বছরের বেশি।তার উপর কিছুদিন আগেই তিনি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন।

মিছিলের শুরুতে ভাসানীসহ নেতৃবৃন্দ পুরোভাগে দাঁড়ান। মিছিলটি তিন মাইল দুরে রাজশাহী কোর্ট এলাকায় যেতে না যেতেই মুষলধারে বৃষ্টি নামে। তা সত্ত্বেও লক্ষ জনতার মিছিল এগিয়ে চলে। এগারো মাইল অতিক্রম করে প্রেমতলী পৌঁছে। তখন দুপুর দুটো।সেখানে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে বিকেল তিনটা নাগাদ লংমার্চ আবারো যাত্রা শুরু করে। এরপর প্রায় ২০ মাইল পথ অতিক্রম করে রাতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌঁছে মিছিলটি। রাতে সেখানেই তারা অবস্থান করেন। পরদিন সকাল আট ৮ টায় আবারো যাত্রা শুরু করে লংমার্চ। চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে আরো ছয় মাইল পথ অতিক্রম করে কানসাট পৌঁছায় দুপুরের মধ্যে মিছিলটি পৌঁছে কানসাটে।পথের দুধারে সারি বেঁধে দাঁড়িয়েছে হাজার-হাজার মানুষ – উদ্দেশ্য ফারাক্কা লং মার্চ-এর মিছিলকারীদের অভ্যর্থনা জানানো। মিছিলকারীদের পানি ও বিভিন্ন খাবার খাইয়েছেন তারা।

বিকেল চারটার দিকে সেখানে জনসভায় বক্তব্য রাখেন মাওলানা ভাসানী। সে জনসভায় তিনি বলেন, ফারাক্কা সমস্যার সমাধানের জন্য ভারত যদি বাংলাদেশের মানুষের দাবি উপেক্ষা করে তাহলে ভারতীয় পণ্য বর্জনের আন্দোলন শুরু হবে। তিনি বাড়তি কোন ঝুঁকি নিতে চাননি বলে মিছিলকারীদের সীমান্তের কাছে যেতে নিষেধ করেন। আর এভাবেই মাওলানা ভাসানীর ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চের সমাপ্তি ঘটে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সহ উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে দিন দিন বাড়ছে পানির সংকট। নদীগুলো শুকিয়ে যাচ্ছে। ফারাক্কার বিরূপ প্রভাবে ধীরে ধীরে মরুকরণের দিকে এগুচ্ছে সীমান্তবর্তী জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জ।কয়েক বছর আগে শুধু শহরেই দেখা যেত পানি সংকট। কিন্তু এখন গ্রামেও দেখা দিয়েছে এই সমস্যা। কারণ আমাদের এই জেলার কোনো নদীতেই পানি থাকে না। এতে দিনে দিনে অস্বাভাবিকভাবে নিচে নামছে পানির স্তর। এখনই এই সমস্যার সমাধান না হলে কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে হবে। সুতরাং বাংলাদেশ সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিৎ দ্রুত ভারতের সাথে ফলপ্রসূ আলোচনা সাপেক্ষে ফারাক্কা বাঁধের বিষয়ে যথাযথ কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করে বহমান প্রতিটি নদ-নদীর পানির স্বাভাবিক ধারা।অতীতে রাজ্য সরকারের ওপর দোষ চাপিয়ে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার যেভাবে তিস্তার পানি বন্টন চুক্তি থেকে সরে গেছে তা যেন গঙ্গা চুক্তি নবায়নের ক্ষেত্রে না ঘটে। ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে মেয়াদ শেষ হতে যাওয়া গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি নবায়ন এবং বাস্তবায়নে ভারতের সাথে কুটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করতে হবে।

ক্যাপ্টেন রেদওয়ান সিকদার।
ষ্টেট কাউন্সিলর, সাউথ এশিয়ান ষ্ট্রাটেজিক কংগ্রেস।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Our Like Page