
হাদীর খুনিরা হয়তো জানেই না কারা হাদীকে হত্যার জন্য এতো টাকা দিয়েছে।
১২৭ কোটি টাকা একা একা হাদীর খুনি পেয়েছে তা কেউ বিশ্বাস করবে না। এই ১২৭ কোটি টাকা দেশে বিদেশে অনেকে পেয়েছে। ডিবির উচিত হবে টাকা কোথায় কোথায় গেছে সন্ধান বের করা। সায়েরের লক্ষ্য, যেকোনো মূল্যে শু’টার ফয়সালকে বাঁচাতে হবে। এই খুনের সাথে ডিজিএফআই হয়তো জড়িত। যেটা সায়েরের তৎপরতার মাধ্যমে সারা বাংলাদেশের মানুষ বুঝতে পেরেছে। সায়ের এখানে জ্বল ঘোলা করতে চাইতেছে, শুরু থেকেই তার আলাপ সালাপে অনেক ভেজাল লাগতেছে। এভাবেই এদেশের অসংখ্য মানুষ এদেশেরই গোয়েন্দা রা ঠান্ডা মাথায় হত্যা করেছে। তাদের কোন বিচার হয়নি। ভবিষৎতে হবে বলেও আশা করা যায় না।
খু*নীকে দ্রুত জীবিত গ্রেফতার চাই। বন্দুকযুদ্ধের কোন নাটক দেখতে চাই না। হাদীর খুনিরা বাংলাদেশই আছে। সায়েরের মতো একজন মেধাবী ছেলে কিভাবে খুনি গোয়েন্দদের জালে পড়েছে আল্লাহ মালুম। বাংলাদেশের প্রত্যকটি পক্ষকে কিছুটা কাম ডাউন হয়ে পরিস্হিতি পর্যবেক্ষন করা উচিত। বাংলাদেশের সিভিল মিলিটারি কিলারদের ট্যাকেল দিতে হলে প্রচন্ড মেধা খরচ করতে হবে। আমাদের দূঃভাগ্য বাংলাদেশের সিভিল মিলিটারি প্রশাসনের প্রায় অর্ধেকই গাপটি মেরে বসে থাকা ভারতীয় এজেন্ট। যেদিন বাংলাদেশের গোয়েন্দা রা পুরাপুরি এদেশের জন্য কাজ করবে ঐদিন বাংলাদেশের কাউকেই আর রাস্তায় আন্দোলন করতে হবে না।

