বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪৪ অপরাহ্ন
Headline
মহামান্য রাষ্ট্রপতির সিলেট সফর উপলক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত কাউনিয়ায় KICHIP প্রকল্পের স্বাস্থ্য উপকরণ বিতরণ মামলা ও ওয়ারেন্টের পরও আসামি গ্রেপ্তার নয়, মিরসরাইয়ে সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীদের ক্ষোভ রাজস্থলীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী পালিত। মোল্লাহাটে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে শোভাযাত্রা পদ্মায় পানি বৃদ্ধির শঙ্কা: দৌলতপুরে বন্যা মোকাবেলায় মতবিনিময় সভা ​নেপাল ও ভারতের পাহাড়ি ঢলের প্রভাবে সম্ভাব্য বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে দৌলতপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা। সাতকানিয়ায় মোটরসাইকেলের গতি রোধ করে যুবককে কুপিয়ে হত্যা নরসিংদীতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় সভায় বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী নরসিংদীর শিবপুরে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা বড় ধরনের ভূ-রাজনৈতিক ও কৌশলগত ঝুঁকির কারণ হতে পারে।ক্যাপ্টেন রেদওয়ান সিকদার।
Headline
Wellcome to our website...
দরিদ্রতা জয়ী বিসিএস ক্যাডারে জীবনে সফলতার কথা
/ ৬৯৭ Time View
Update : শুক্রবার, ২৭ জুন, ২০২৫, ২:০২ অপরাহ্ন

দরিদ্রতা জয়ী বিসিএস ক্যাডারে জীবনে সফলতার কথা

পলাশ আহম্মেদ (শিমুল):

যারা দরিদ্রতার ছোঁয়া পেয়েছে, তারাই জীবনে বেশি সফলতা অর্জন করেছে। তাই বড় হতে হলে বিত্তশালী লোকের সন্তান হতে হয়না।তবে হতে হবে অধ্যবসায়ী, পরিশ্রমী। যার উৎকৃষ্ট উদাহরণ হলো বরিশাল বিভাগের সরকারি ব্রজমোহন কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক বিলাস মল্লিক স্যার।তিনি কিছুদিন আগেই আমেরিকার জর্জিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটিতে মাস্টার্স লিডিং টু পিএইচডি করার জন্য পাঁচ বছরের স্কলারশিপসহ (বছরে ৪৬ হাজার মার্কিন ডলার) সুযোগ পেয়েছে।তবে তার এই অবস্থানে আসার পথটা মোটেই সহজ ছিলোনা।বিলাস স্যার তার ফেইসবুক পোস্ট করেছেন তিনি এই পোস্টে লিখেছেন :মহান স্রষ্টার কৃপা ও মা বাাবার আর্শিবাদে আমি আমেরিকার জর্জিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটিতে ( ওয়ার্ল্ড র‌্যাকিং ৫০১ তম, সমাজবিজ্ঞানে র‌্যাকিং ৭০তম) মাস্টার্স লিডিং টু পিএইচডি করার জন্য পাঁচ বছরের স্কলারশিপসহ (বছরে ৪৬ হাজার মার্কিন ডলার) সুযোগ পেয়েছি। বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকার আমাকে উক্ত ইউনিভার্সিটিতে পড়তে যাওয়ার অনুমতি প্রদান করেছে। ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি বর্তমান সরকারকে। আজকে আমার পরিবারের সকলের আমেরিকান ভিসা অনুমোদন হয়েছে। আজকের এই দিনে বিনম্র চিত্তে স্মরণ করছি আমার জীবনের সকল শিক্ষকদেরকে এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি ঐসকল মহান শিক্ষাগুরুদের প্রতি।প্রিয় শিক্ষার্থীবৃন্দ, একজন নিম্নবিত্ত পরিবারের সন্তান হিসেবে আমার পড়ালেখার সূচনা হয় বাড়ির পাঠশালাতে।প্রাথমিক শিক্ষা জীবন:
প্রথম শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশুনা : শৌলদহ মুশুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,মাধ্যমিক:
ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে সপ্তম এবং নবম শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশুনা :শৌলদহ মুশুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়, মুশুরিয়া, কোটালীপাড়া,অষ্টম শ্রেণিতে পড়াশুনা :রামশীল আর্দশ উচ্চ বিদ্যালয়। ( কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি আমার মামাদের প্রতি) উল্লেখ্য, ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত আমার রেজাল্ট ছিল ব্লাক পাস, অর্থাৎ আমি কখনো গণিতে পাস করতে পারিনি। বছরের প্রথম নয় মাস আমি কোনদিন ক্লাসে যাইনি। উক্ত সময়ে আমার প্রধান পেশা ছিল মাছ ধরা, জমিতে কাজ করা, অন্যের পুকুরে মাটি কাটা (সকাল নয়টা থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত, মুজুরি ছিল মাত্র ৪০ টাকা), বাবা ও বড় ভাইয়ের সাথে আমার বাড়ি থেকে পাঁচ কিলোমিটার দূরে হেটে গিয়ে একটি পুকুর খনন করতে সকাল নয় টা থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত মাটি মাথায় বহন করে মাত্র চল্লিশ টাকা পেতাম। প্রতিদিন তিনজনের মোট আয় হত ১২০ টাকা। অনেক সরকারি রাস্তায় মাটি বহন করেছি (আমার ও পার্শ্ববর্তী গ্রামের অধিকাংশ সরকারি রাস্তায় আমার মাথায় বহন করা মাটি রয়েছে), সবচেয়ে বেশি কষ্ট হতো খাল খননের মাটি বহনের সময় কেননা পানি মিশ্রিত বালু মাটি মাথায় নিয়ে অনেক নিচ থেকে উপরে উঠতে হতো এবং বালু মিশ্রিত পানিতে সারা শরীর ভিজে যেত। তখন আমার দুপুরের খাবার ছিল কোনদিন দুই পিস আটা, কোনদিন পানি মিশ্রিত ভাত ও মরিচ। বিকালে মাটি বহন শেষে মাথার প্রতিটি চুল ব্যথায় বিষফোঁড়ার মনে হত। এছাড়া, অন্যের জমিতে দৈনিক মজুর হিসেবে সকাল নয়টা থেকে দুইটা পর্যন্ত কাজ করতাম (মজুরি ছিল ৩০ টাকা। আমার মা-বাবা, বড় ভাই ও আমি সকাল-সন্ধ্যা বর্গা জমিতে কাজ করছি। রান্না-বান্না ও গৃহস্থলীর কাজের পাশাপাশি আমার মা আমাদের সাথে সমান হারে জমিতে কাজ করেছে। আমার বাবার পেশা ছিল শুকনো মৌসুমে হাল চাষ করা, ও কৃষি কাজ করা এবং বর্ষার মৌসুমে মাছ ধরা। এর বাহিরে বাবা সংসার চালানোর জন্য যখন যেটা দরকার সেটা করত। কিন্তু কৃষি ও মাছ ধরার কাজে আমি অধিকাংশ সময়েই বাবার সঙ্গী ছিলাম। বর্ষার মৌসুমে সারাদিন পানিতে মাছ ও অন্যান্য কাজ করায় হাত ও পায়ে ঘা হয়ে যেত পায়ের নখের কোনে গর্ত হয়ে যেত, রাতে ঘুমাতে পারতাম না ব্যথার কারণে। কাজ করার কারণে বাবার হাতের তালুর মাংস পাথরের মত শক্ত হয়ে যেত এবং ব্লেড দিয়ে কাটত। আজ ও মনে পড়ে ঘাস বিক্রি করতে এসে কসবা গরুর হাটে (টরকী, বরিশাল) গরুর সাথে খড়ের উপর বাবা ও আমার সারা রাত ঘুমানো, শামুক তুলতে গিয়ে (ধানডোবা বিল, বরিশাল) ধাওয়া খাওয়া ও জীবন বাঁচানোর আপ্রাণ চেষ্টার কথা। এগুলো শখের বশে নয় বরং পেটের দায়ে করেছি। শুধু বেঁচে থাকার জন্য। বছরের কমপক্ষে চার মাস দুবেলা আটা ও শুধু এক বেলা ভাত খেতে পেরেছি। আমি যখন এসএসসি পরীক্ষা দিতে কোটালীপাড়া যাই, আমাদের ঘরে একমুঠো চাল ও ছিলনা । । পাশের বাড়ি থেকে সিদ্ধ ধান ধার করে, দশ কেজি চাল নিয়ে পরীক্ষা দিতে যাই। পরীক্ষা দিতে যাওয়ার সময় বাবা পয়সার হাট থেকে ১০০ টাকা দিয়ে একটি শার্ট কিনে দেয় ও একটি পুরানো প্যান্ট, এবং একটি অর্ধ সেরা স্যান্ডেল নিয়ে পরীক্ষা দিতে যাই। পরীক্ষার কেন্দ্র থেকে আমি বাসা ভাড়া নিয়েছিলাম এক মাইল দুরে দুইশো টাকা দিয়ে। টাকার সংকট ও ছেড়া স্যান্ডেলের কারণে ভাড়া বাসা থেকে মেইন রোড দিয়ে কখনো পরীক্ষা দিতে যাইনি। জমির মধ্য দিয়ে সোজা পথে পরীক্ষার কেন্দ্রে যেতাম। বাংলা পরীক্ষার দিনে অর্ধেক পথ যেতে আমার পায়ের একটি স্যান্ডেল ছিড়ে যায়।ঐ সেরা স্যান্ডেল এক হাতে অন্য হাতে এডমিট কার্ড নিয়ে কাঁদতে কাঁদতে পরীক্ষা সেন্টারে যাই।
এস এস সি (মানবিক বিভাগ) : প্রথম বিভাগ (মোট নম্বর:৬২৬),৬২% নম্বর, কোনো প্রাইভেট বা কোচিং করিনি) (উল্লেখ্য, মানবিক বিভাগ থেকে আমিই একমাত্র প্রথম বিভাগ পেয়েছিলাম যদিও দশম শ্রেণির টেস্ট পরীক্ষায় আমি পাস করিনি, অনেক অনুরোধ করে ফরম পূরণ করেছি)
কলেজ শিক্ষা জীবন:
এইচ এস সি (মানবিক বিভাগ): শহীদ স্মৃতি কলেজ, শশিকর, মাদারীপুর। সেশন: (১৯৯৯-২০০০)। রেজাল্ট: প্রথম বিভাগ (মোট নম্বর: ৬৬৬), ৬৬% নম্বর, কোনো প্রাইভেট বা কোচিং করিনি) (উল্লেখ্য, কলেজের সকল পরীক্ষায় আমার অবস্থান ছিল সর্বশেষে, সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দের নিকট আমি ছিলাম এক অপিরিচিত মুখ। কিন্তু আমার কলেজে মানবিক বিভাগে বোর্ডের রেজাল্টে আমার মেধাক্রম ছিল দশের মধ্যে।
(উল্লেখ্য, আমি বাড়ি থেকে পাঁচ কিলোমিটার দুরে কলেজে পায়ে হেঁটে প্রথম বর্ষের কিছু ক্লাস করেছি এবং দ্বিতীয় বর্ষে লজিন থেকে অল্প কিছু ক্লাস করেছি। একদিন লজিন বাড়ি থেকে দূরের একটি মেলায় মিষ্টি বিক্রি করতে গিয়ে অন্ধকার রাতে একটানা ছয় ঘণ্টা প্রবল বৃষ্টিতে ভিজে নৌকা চালিয়ে লজিন বাড়িতে যাই এবং মিষ্টি বিক্রি করতে সঠিকভাবে না পারায় অনেক অপমানসূচক কথা শুনি। পরের দিন থেকে লজিন বাড়ি ত্যাগ করি।)
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা জীবন:
অনার্স (সংস্কৃত) : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ( ভর্তি পরীক্ষায় মেধাক্রম: তৃতীয়), সেশন:২০০১-২০০২ (উল্লেখ্য, সমাজবিজ্ঞানে সুযোগ পাওয়ার পরে এটি বাতিল করেছিলাম।)
অনার্স (সমাজবিজ্ঞান): ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ওয়ার্ল্ড র‌্যাংকিং ১০০১ তম । (ভর্তি পরীক্ষার নম্বর:৭৫, মেধাক্রম ৫৭৭, কোনো কোচিং করিনি), সেশন:(২০০২-২০০৩), নম্বর: ৫৮.৭০%, মেধাক্রম: দ্বিতীয় শ্রেণিতে ১৩ তম।
প্রথম মাস্টার্স (সমাজবিজ্ঞান): ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, সেশন:২০০৬-২০০৭, রেজাল্ট প্রকাশ:২০১০ নম্বর: ৫৯.২০ মেধাক্রম দ্বিতীয় শ্রেণিতে প্রথম।
(উল্লেখ্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরো ছাত্র-জীবন (২০০১-২০১০) চরম আর্থিক অনটনের মধ্যে দিয়ে পার করেছি। শুধু সেশন চার্জের ফি এবং মাঝে মাঝে কিছু হাত খরচ বাড়ি থেকে এবং বাকী সমস্ত খরচ টিউশনি, ও পার্ট টাইম কাজ করে ম্যানেজ করেছি, তবে ছোট মামা একত্রে সাহায্য করেছে। একটি শার্ট ও একটি জিন্স প্যান্ট দিয়েই বছরের পর বছর পার করেছি। প্রথম কয়েক বছর জগন্নাথ হলের সুধীর দার ক্যান্টিনের ডাল ভাত ও হলের পানিই ছিল বেঁচে থাকার একমাত্র ভরসা। একটি প্রজেক্টের মাধ্যমে ঢাকার মৌচাক ও মালিবাগের ফ্লাইওভার তৈরির সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য কয়েক সপ্তাহ সারা রাত গাড়ি গণনায় অংশগ্রহণ করে জন্ডিস হওয়ার কারণে মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে আসি। টাকার অভাবে বিভাগের কোন শিক্ষা সফর, এবং কোন অনুষ্ঠানে যোগদান করতে পারিনি। জীবনের সবচেয়ে বড় আক্ষেপ, টাকার অভাবে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে ও যোগদান করতে পারিনি, তবে এক বন্ধুর নিকট থেকে পাঁচ মিনিটের জন্য গাউন ধার নিয়ে কয়েকটা ছবি তুলে সমাবর্তনের স্বাদ নেওয়ার বৃথা চেস্টা করেছিলাম।
বিসিএস জার্নি:
বিসিএস (২৮তম): সাল ২০০৮, রেজাল্ট: ২০১০, সাধারণ শিক্ষা, মেধাক্রম-প্রথম, কোনো কোচিং করিনি। (জীবনের একটি অন্যতম অর্জন ছিল বেকারত্বের স্বাদ নিতে হয়নি।)
চাকরি জীবন:
প্রথম কর্মস্থল: সরকারি নজরুল কলেজ, সাতপাড়, গোপালগঞ্জ , যোগদান: ২০১০ সাল।
দ্বিতীয় কর্মস্থল: সরকারি ব্রজমোহন কলেজ, বরিশাল। যোগদান: ২০১৩ সাল।
চাকরিকালীন শিক্ষা জীবন:
দ্বিতীয় মাস্টার্স: (এডুকেশন): নটিংহাম ইউনিভার্সিটি, মালয়েশিয়া, (ওয়ার্ল্ড র‌্যাংকি ১৩৬ তম, সেশন: ২০১৯-২০২০, পাসের ধরন: মেরিট
ট্রেইনার হিসেবে অভিজ্ঞতা: ২০২১-২০২৩ সাল পর্যন্ত নটিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকাল্টিদের সাথে মাস্টার ট্রেইনার এ্যাসোসিয়েট হিসেবে কলেজ শিক্ষকদের পেডাগজি ও লিডারশীপ ট্রেইনিং প্রদান।
২০২৪-২০২৫ সাল পর্যন্ত সিইডিপির তত্ত্ববধানে মাস্টার ট্রেইনার হিসেবে কলেজ শিক্ষকদের পেডাগজি ও লিডারশীপ ট্রেইনিং প্রদান।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ফিলোশিপ এর মৌখিক পরীক্ষা: সাল: ২০২২, ফলাফল: রিজেক্টেড।
প্রধানমন্ত্রী ফিলোশিপ: সাল: ২০২২,২০২৩,২০২৪, ফলাফল: রিজেক্টেড।
আইএলটিএস জার্নি: ইন্টারন্যাশনাল ইংলিশ ল্যাংগুয়েজ টেস্ট (কোনো কোচিং করিনি)
প্রথম পরীক্ষা: ২০২১, স্কোর ৬.৫
দ্বিতীয় পরীক্ষা: ২০২২, স্কোর ৬.৫
তৃতীয় পরীক্ষা: ২০২৪, স্কোর:৭.০
রিসার্চ পাবলিকেশনস: মোট ৬ টি গবেষণা পেপার আন্তজার্তিক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। মোট সাইটেশন-৬২।
জার্নাল রিভিউার: কোজেন্ট সোস্যাল সায়েন্স, টেইলর ও ফ্রান্সিস গ্রুপ, ও অ্যানাটলি জার্নাল অফ এডুকেশন, তুর্কি।
লিখিত একাডেমিক বই: মার্কসীয় সমাজবিজ্ঞান (মাস্টার্স), এবং জেন্ডার সমাজ ও উন্নয়ন (অনার্স চতুর্থ বর্ষ)।
তৃতীয় মাস্টার্স: (সমাজবিজ্ঞান): জর্জিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি, আমেরিকা, ওয়ার্ল্ড র‌্যাংকি ৫০১ তম, সেশন: ২০২৫-২০২৬ শুরু হবে। (উল্লেখ্য, বর্তমান পৃথিবীতে সবচেয়ে কঠিন ও চ্যালেঞ্জিং পড়াশুনা করানো হয় আমেরিকাতে এবং আমেরিকান ডিগ্রি পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি মর্যদাপূর্ণ।)
পিএইচডি (সমাজবিজ্ঞান): জর্জিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি, আমেরিকা, সেশন২০২৫-২০২৬ শুরু হবে।
(উল্লেখ্য, তৃতীয় মাস্টার্স ও পিএইচডি ২০২৫ থেকে ২০৩০ এর মধ্যে সম্পন্ন হবে।)
এছাড়া্ও আমি অফার পেয়েছি যেসকল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে-
১। ইউনিভার্সিটি অফ অ্যালাবামা, আমেরিকা, (পিএইচডি ইন এডুকেশন)।
২। ইউনিভার্সিটি অফ মিসৌরি, আমেরিকা, (পিএইচডি ইন এডুকেশন) (টপ র‌্যাংকি ইউনিভার্সিটি)
৩। ইউনিভার্সিটি অফ নর্থ টেক্সাস, আমেরিকা, (পিএইচিডি ইন এডুকেশন)
পোস্ট-ডক্টরেট: (সর্বোচ্চ ডিগ্রি), সমাজবিজ্ঞান, ২০৩০ সালের পর এটি করব ঈশ্বর সহায় থাকলে।
একজন কৃষক পিতার এবং একজন কৃষাণী ও গৃহিনী মাতার সন্তান হিসেবে আমি গর্বিত।
বিলাস মল্লিক স্যারের উপরিউক্ত কথাগুলো আমাদের এটাই শিক্ষা দেয় যে,জীবনের লক্ষ্য অর্জনে দরিদ্রতা কখনো বাঁধা হতে পারেনা অদম্য সাহস, কঠোর পরিশ্রম,অধ্যবসায়ী হলেই জীবনে সফলতা অর্জন করা সম্ভব তার বাস্তবিক উদাহরণ :বিলাস মল্লিক
২৮ তম বিসিএস,
সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Our Like Page