
সংখ্যালঘু পরিবারকে বেড়া দিয়ে অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ ”
সাধন সাহা জয়
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মন্টু কর্মকার নামের একটি সংখ্যালঘু পরিবারকে প্রায় ১২ দিন ধরে বসতঘরের সামনে বাঁশ ও টিনের বেড়া দিয়ে অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ উঠেছে। এতে পরিবারটির টিউবওয়েল ও টয়লেটে যাওয়ার পথ বন্ধ হয়ে গেছে।
ঘটনার স্থান: উপজেলার হরিপুর ইউনিয়ন।
প্রতিবেশী রফিক মিয়ার সঙ্গে মন্টু কর্মকারের দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে এবং বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে।
বেড়া দেওয়ার অভিযোগ: গত ৯ আগস্ট সকালে রফিক মিয়ার লোকজন মন্টু কর্মকারের বসতঘরের সামনে বাঁশ ও টিনের বেড়া দিয়ে চলাচলের পথ বন্ধ করে দেন।
বর্তমান পরিস্থিতি: থানায় লিখিত অভিযোগের পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আংশিক বেড়া সরিয়ে দিলেও টিউবওয়েল ও টয়লেটে যাওয়ার পথ এখনো বন্ধ রয়েছে। ফলে খাবার পানি সংগ্রহ এবং প্রাকৃতিক প্রয়োজন মেটাতে পরিবারটিকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
মন্টু কর্মকার
তিনি জানান, জমি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান থাকা সত্ত্বেও বসতঘরের সামনে বেড়া দিয়ে তাঁদের চলাচলের পথ আটকে দেওয়া হয়েছে। তিনি পূর্বপুরুষের ভিটায় স্বাভাবিকভাবে বসবাসের সুযোগ নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
সূবর্ণা কর্মকার (মন্টু কর্মকারের স্ত্রী): তিনি বলেন, বেড়ার কারণে নারী, শিশু ও বয়স্ক সদস্যদের নিয়ে পুরো পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করছে। দ্রুত এই বেড়া সম্পূর্ণ সরিয়ে স্বাভাবিক চলাচলের ব্যবস্থা করার দাবি জানান তিনি।
জাহানারা (অভিযুক্ত রফিক মিয়ার স্ত্রী): তাঁদের দাবি, অন্যের জায়গায় নয়, বরং নিজেদের জায়গাতেই বেড়া দেওয়া হয়েছে।
নাসিরনগর থানার এসআই মনির আহমেদ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরের দরজার সামনে থাকা বাঁশের বেড়া সরিয়ে চলাচলের সুযোগ করে দিয়েছিল। এ ছাড়া জমি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে বলেও নিশ্চিত করেছেন তিনি।

